আপডেট টাইম :
০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
২৯৬
বার পঠিত
দৌলতপুরে তিন দিন বয়সের নবজাতক শিশু হাসপাতাল থেকে চুরি
কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলায় আল্লার দরগায় অবস্থিত আনোয়ারা বিশ্বাস মা ও শিশু হাসপাতাল থেকে তিন দিনের নবজাতক শিশু চুরির অভিযোগ উঠেছে। ৭ ফেব্রুয়ারী বুধবার দুপুর অনুমানিক ১ টার পরে এ ঘটনা ঘটেছে। নবজাতকের পিতা ভেড়ামারা উপজেলার নিহারুল ইসলামের ছেলে দিপু আলী বলেন, গত ৫ ফেব্রুয়ারী দুপুরে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে আমার স্ত্রী রিয়া খাতুনের ছেলে সন্তান জন্ম গ্রহণ করে। আজ বুধবার দুপুরে আমার শাশুড়ী রহিমন নেছা আমার বাচ্চা কোলে নিয়ে হাসপাতালের ভিতরে বসে ছিল । এমন সময় একটি মহিলা বাচ্চাকে কোলে নিতে চাই, এমন সময় পানি আনার প্রয়োজন হলে বাচ্চাটি ঐ মহিলার কোলে দিয়ে পানি আনতে গেলে বাচ্চা নিয়ে সেই অপরিচিত মহিলা চলে যায়। এই ঘটনার তদন্ত করে আমার বাচ্চা ফেরোত চাই। এ বিষয়ে আনোয়ারা বিশ্বাস মা ও শিশু হাসপাতালে দায়িত্বরত ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এই ঘটনায় আমাদের কোন গাফিলতি নাই, আমরা সময় মত সকল কিছুর খোঁজ খবর রাখি। তবে তাদের আত্মীয় স্বজনের কাছে থেকে কেউ যদি বাচ্চা নিয়ে চলে যায় তাহলে আমাদের কিছু করার থাকেনা । আরও পড়ুনঃ দৌলতপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় পুলিশ কর্মকর্তা আহত এ বিষয়ে দৌলতপুর ভেড়ামারা সার্কেলর অতিরিক্ত পুলিশ সার্কেল মহসীন আল মুরাদ বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। আমরা ঘটনা শোনার সাথে সাথে ঘটনা স্থানে এসে তদন্ত শুরু করেছি, এবং নবজাতক উদ্ধারে পুলিশের সকল ইউনিট কাজ করছে।
কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলায় আল্লার দরগায় অবস্থিত আনোয়ারা বিশ্বাস মা ও শিশু হাসপাতাল থেকে তিন দিনের নবজাতক শিশু চুরির অভিযোগ উঠেছে। ৭ ফেব্রুয়ারী বুধবার দুপুর অনুমানিক ১ টার পরে এ ঘটনা ঘটেছে।
নবজাতকের পিতা ভেড়ামারা উপজেলার নিহারুল ইসলামের ছেলে দিপু আলী বলেন, গত ৫ ফেব্রুয়ারী দুপুরে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে আমার স্ত্রী রিয়া খাতুনের ছেলে সন্তান জন্ম গ্রহণ করে।
আজ বুধবার দুপুরে আমার শাশুড়ী রহিমন নেছা আমার বাচ্চা কোলে নিয়ে হাসপাতালের ভিতরে বসে ছিল । এমন সময় একটি মহিলা বাচ্চাকে কোলে নিতে চাই, এমন সময় পানি আনার প্রয়োজন হলে বাচ্চাটি ঐ মহিলার কোলে দিয়ে পানি আনতে গেলে বাচ্চা নিয়ে সেই অপরিচিত মহিলা চলে যায়। এই ঘটনার তদন্ত করে আমার বাচ্চা ফেরোত চাই।
এ বিষয়ে আনোয়ারা বিশ্বাস মা ও শিশু হাসপাতালে দায়িত্বরত ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এই ঘটনায় আমাদের কোন গাফিলতি নাই, আমরা সময় মত সকল কিছুর খোঁজ খবর রাখি। তবে তাদের আত্মীয় স্বজনের কাছে থেকে কেউ যদি বাচ্চা নিয়ে চলে যায় তাহলে আমাদের কিছু করার থাকেনা ।
এ বিষয়ে দৌলতপুর ভেড়ামারা সার্কেলর অতিরিক্ত পুলিশ সার্কেল মহসীন আল মুরাদ বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। আমরা ঘটনা শোনার সাথে সাথে ঘটনা স্থানে এসে তদন্ত শুরু করেছি, এবং নবজাতক উদ্ধারে পুলিশের সকল ইউনিট কাজ করছে।