খোকসা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার খোকসায় সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও আনন্দমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা সমাপ্তি। উৎসবের সমাপ্তিলগ্নে বুধবার সন্ধ্যায় বিজയാ দশমী উপলক্ষে উপজেলার ৬১টি পূজা মণ্ডপের মধ্যে ৫৬টি মন্দিরের প্রতিমা আনুষ্ঠানিকভাবে বিসর্জন দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাকি ৫টি মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জন আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে। আগামী ২৩ শে অক্টোবর খোকসা কালীবাড়ি প্রতিমা বিসর্জন, ২১ অক্টোবর একতারপুর লালপাড়া, ২২ অক্টোবর নারায়ণপুর মণ্ডলবাড়ি, ২২ হিজলাবট সার্বজনীন পূজা, মাঝগ্রাম সর্বজনীন দত্তবাড়ি ও কর্মকার পাড়া।
উপজেলা প্রশাসনের তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তা বলয় থাকায় কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পূজা উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার ৬১টি মন্দিরের প্রতিটিতেই অসহায় ও দুস্থ নারীদের মাঝে দুটি করে শাড়ি উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার খালিদ বিন মনসুর জানান, “উপজেলার ৬১টি পূজা মণ্ডপে শান্তি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই উৎসব শেষ হওয়ায় সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।”
খোকসা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, “সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন হয়েছে। আশা করি বাকি পাঁচটি মন্দিরের প্রতিমা বিসর্জনও নির্ধারিত সময়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে।”
এদিকে, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের সহযোগিতায় এবং সহাবستان এবং আনন্দঘন পরিবেশে পূজা সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। উৎসব সফলভাবে আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য তারা প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 


















