আপডেট টাইম :
০৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
১৫৯
বার পঠিত
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন রহিতকরণ অধ্যাদেশ নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ক্ষমতা খর্ব করবে
মোঃ নুরুল ইসলামঃ জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন আইন (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ ২০২৫ বাতিল করার দাবিতে ফরিদপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (০৫ মার্চ ২০২৫ ইং) অনুষ্ঠিত সভায় বৃহত্তর ৫ জেলার নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা বলেন, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ ২০২৫ প্রণয়ন ও কার্যকর হলে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা এবং ভোটার তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ক্ষমতা খর্ব হবে। এর ফলে, ভোটার তালিকা তৈরি করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে সিভিল রেজিস্ট্রেশনের কাছ থেকে তথ্য নিতে হবে, যা সংবিধানে প্রদত্ত নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার পরিপন্থী। বক্তারা আরও জানান, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সিভিল রেজিস্ট্রেশনে ন্যস্ত হলে ভোটার তালিকার তথ্য এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের মধ্যে অমিল হতে পারে, যা ভোট প্রদান প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করবে। এছাড়া, নির্বাচন পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটবে এবং নাগরিকদের তথ্যের গোপনীয়তার অধিকার ক্ষুন্ন হতে পারে। এছাড়া, জাতীয় পরিচয়পত্র সিভিল রেজিস্ট্রেশনের কাছে ন্যস্ত হলে ভোটার তালিকা হালনাগাদে সমস্যা সৃষ্টি হবে, যা আগামী সংসদ নির্বাচনেও বিঘ্ন ঘটাতে পারে। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন, অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম, সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার তারেক আহম্মেদ, নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন,মো. মিজানুর রহমান,ফরিদ আহমেদ,মাহফুজ আহমেদ। সভায় বক্তারা জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন রহিতকরণ অধ্যাদেশ ২০২৫ বাতিল করার দাবি জানান...
মোঃ নুরুল ইসলামঃ
জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন আইন (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ ২০২৫ বাতিল করার দাবিতে ফরিদপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (০৫ মার্চ ২০২৫ ইং) অনুষ্ঠিত সভায় বৃহত্তর ৫ জেলার নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ ২০২৫ প্রণয়ন ও কার্যকর হলে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা এবং ভোটার তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ক্ষমতা খর্ব হবে। এর ফলে, ভোটার তালিকা তৈরি করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে সিভিল রেজিস্ট্রেশনের কাছ থেকে তথ্য নিতে হবে, যা সংবিধানে প্রদত্ত নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার পরিপন্থী।
বক্তারা আরও জানান, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সিভিল রেজিস্ট্রেশনে ন্যস্ত হলে ভোটার তালিকার তথ্য এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের মধ্যে অমিল হতে পারে, যা ভোট প্রদান প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্থ করবে। এছাড়া, নির্বাচন পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটবে এবং নাগরিকদের তথ্যের গোপনীয়তার অধিকার ক্ষুন্ন হতে পারে।
এছাড়া, জাতীয় পরিচয়পত্র সিভিল রেজিস্ট্রেশনের কাছে ন্যস্ত হলে ভোটার তালিকা হালনাগাদে সমস্যা সৃষ্টি হবে, যা আগামী সংসদ নির্বাচনেও বিঘ্ন ঘটাতে পারে।
উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন, অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম, সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার তারেক আহম্মেদ, নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন,মো. মিজানুর রহমান,ফরিদ আহমেদ,মাহফুজ আহমেদ।
সভায় বক্তারা জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন রহিতকরণ অধ্যাদেশ ২০২৫ বাতিল করার দাবি জানান এবং নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানান।