ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ডেঙ্গুর বদলে যাওয়া চেহারা, ঝুঁকি কী

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশের ধারণা জ্বর কমে গেলেই ডেঙ্গু রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মূলত শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হওয়ার পরই ডেঙ্গুর আসল বিপদ বা সংবেদনশীল পর্যায় শুরু হয়। তাই জ্বর নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো অবকাশ নেই, বরং এই সময়ে রোগীর ওপর বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সাধারণত তৃতীয় থেকে সপ্তম দিনের মধ্যে এই সংকটজনক সময়টি আসে। এই নির্দিষ্ট সময়ে রোগীর শরীরে প্লাজমা লিক করা বা রক্তে অনুচক্রিকা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ার মতো মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় রোগীর রক্তচাপ হঠাৎ করে অনেক নিচে নেমে যায় যা শকের কারণ হতে পারে।

এই জটিল পরিস্থিতি এড়াতে জ্বর কমার পরও রোগীকে চিকিৎসকের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। জ্বর কমে যাওয়ার পরের দিনগুলোতে রোগীর শারীরিক দুর্বলতা, তীব্র পেট ব্যথা, বারবার বমি হওয়া কিংবা রক্তপাতের মতো লক্ষণগুলোর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ডেঙ্গু চিকিৎসায় সচেতনতাই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা কবচ। শুধু হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি বাড়িতে থাকা অবস্থায় পর্যাপ্ত তরল খাবার গ্রহণ এবং পূর্ণ বিশ্রামে থাকা আবশ্যক। একটু সচেতনতা ও সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে ডেঙ্গুর মারাত্মক ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

সাজেক পর্যটন কেন্দ্র বন্ধের প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

error: Content is protected !!

ডেঙ্গুর বদলে যাওয়া চেহারা, ঝুঁকি কী

আপডেট টাইম : ৫১ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশের ধারণা জ্বর কমে গেলেই ডেঙ্গু রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মূলত শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হওয়ার পরই ডেঙ্গুর আসল বিপদ বা সংবেদনশীল পর্যায় শুরু হয়। তাই জ্বর নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো অবকাশ নেই, বরং এই সময়ে রোগীর ওপর বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সাধারণত তৃতীয় থেকে সপ্তম দিনের মধ্যে এই সংকটজনক সময়টি আসে। এই নির্দিষ্ট সময়ে রোগীর শরীরে প্লাজমা লিক করা বা রক্তে অনুচক্রিকা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ার মতো মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় রোগীর রক্তচাপ হঠাৎ করে অনেক নিচে নেমে যায় যা শকের কারণ হতে পারে।

এই জটিল পরিস্থিতি এড়াতে জ্বর কমার পরও রোগীকে চিকিৎসকের নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। জ্বর কমে যাওয়ার পরের দিনগুলোতে রোগীর শারীরিক দুর্বলতা, তীব্র পেট ব্যথা, বারবার বমি হওয়া কিংবা রক্তপাতের মতো লক্ষণগুলোর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ডেঙ্গু চিকিৎসায় সচেতনতাই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা কবচ। শুধু হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি বাড়িতে থাকা অবস্থায় পর্যাপ্ত তরল খাবার গ্রহণ এবং পূর্ণ বিশ্রামে থাকা আবশ্যক। একটু সচেতনতা ও সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে ডেঙ্গুর মারাত্মক ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।