দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
৬৬
বার পঠিত
চুয়াডাঙ্গায় বাড়ছে বিবাহ বিচ্ছেদঃ বছরে প্রায় ৫৫০০, দৈনিক গড়ে ১৫টি
হুমায়ন আহমেদঃ চারদিকে বাড়ছে সংসার ভাঙার খবর। চুয়াডাঙ্গা জেলায় উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলায় বছরে প্রায় ৫ হাজার ৫০০টি বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটছে, যা দৈনিক গড়ে প্রায় ১৫টির মতো। সামাজিক বিশ্লেষকরা বলছেন, অতীতে মানুষ একাধিক বিয়ে করেও অনেক ক্ষেত্রে সংসার টিকিয়ে রাখত। তবে বর্তমান সময়ে একটি বিয়েও দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না—এমন বাস্তবতা ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিবাহ বিচ্ছেদের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ কাজ করছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাব, অল্পতেই দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়া, সহনশীলতার ঘাটতি এবং পারিবারিক বন্ধনের দুর্বলতা। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব, অতিরিক্ত প্রত্যাশা এবং পারিবারিক মূল্যবোধের পরিবর্তনও এই প্রবণতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। অন্যদিকে, নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা বৃদ্ধির ফলে তারা এখন আর অসুখী দাম্পত্য জীবনে আবদ্ধ থাকতে চান না বলেও মত দিয়েছেন অনেকেই। ফলে পূর্বের তুলনায় বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। সচেতন মহল মনে করছে, পারিবারিক মূল্যবোধ জোরদার, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি এবং সমস্যার সমাধানে সহনশীলতা বাড়াতে পারলে এই প্রবণতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। এ বিষয়ে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
হুমায়ন আহমেদঃ
চারদিকে বাড়ছে সংসার ভাঙার খবর। চুয়াডাঙ্গা জেলায় উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলায় বছরে প্রায় ৫ হাজার ৫০০টি বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটছে, যা দৈনিক গড়ে প্রায় ১৫টির মতো।
সামাজিক বিশ্লেষকরা বলছেন, অতীতে মানুষ একাধিক বিয়ে করেও অনেক ক্ষেত্রে সংসার টিকিয়ে রাখত। তবে বর্তমান সময়ে একটি বিয়েও দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না—এমন বাস্তবতা ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিবাহ বিচ্ছেদের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ কাজ করছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাব, অল্পতেই দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়া, সহনশীলতার ঘাটতি এবং পারিবারিক বন্ধনের দুর্বলতা। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব, অতিরিক্ত প্রত্যাশা এবং পারিবারিক মূল্যবোধের পরিবর্তনও এই প্রবণতা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
অন্যদিকে, নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা বৃদ্ধির ফলে তারা এখন আর অসুখী দাম্পত্য জীবনে আবদ্ধ থাকতে চান না বলেও মত দিয়েছেন অনেকেই। ফলে পূর্বের তুলনায় বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে।
সচেতন মহল মনে করছে, পারিবারিক মূল্যবোধ জোরদার, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি এবং সমস্যার সমাধানে সহনশীলতা বাড়াতে পারলে এই প্রবণতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
এ বিষয়ে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।