আপডেট টাইম :
০১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩
২০১
বার পঠিত
চরভদ্রাসনে রবি মৌসুমে মৌ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষক
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে রবি মৌসুমে ফসলের আবাদ বৃদ্ধি ও মধুসংগ্রহের লক্ষে মৌ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকেরা। এ বছর অত্র উপজেলায় ১৩শত হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে বলে জানায় উপজেলা কৃষি অফিস। এই সরিষার আবাদকে কেন্দ্র করেই উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের খালপার ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা বায়েজিদ বোস্তামি নামে এক কৃষক শুরু করেছেন মৌ-মাছির চাষ। তাকে দেখে আশেপাশের অনেকেই মৌ চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কৃষকদের বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করার লক্ষে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী মোর্শেদ ও কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন ঐ কৃষকের মৌচাষ এলাকা ও পেঁয়াজের মাঠ পরিদর্শন করেন। বিভিন্ন ফসলের মাঠ পরিদর্শনের বিষয়ে ইউএনও বলেন অত্র উপজেলায় অনাবাদী যায়গা আবাদের আওতায় আনার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। সেই লক্ষে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন সুবিধা অসুবিধার কথা শুনছেন তারা। আরও পড়ুনঃ শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল নির্বাচিত হলে উপকৃত হবে কুলাউড়া তথা বৃহত্তর সিলেটের মানুষ কৃষি কর্মকর্তা জানান, চরভদ্রাসন উপজেলায় পেয়াজের দানা ও সরিষা ক্ষেতে অধিক সংখ্যক মৌমাছির উপস্থিতি লক্ষনীয়। মৌমাছির অবাধ বিচরনে ২০/২৫% ফসলের ফলন বৃদ্ধি পায়। এছাড়া ফসলের পরাগায়নে মৌমাছির গুরত্বপূর্ন ভূমিকা থাকায় মৌ চাষী ও মৌ মাছির জন্য অনুকুল পরিবেশ তৈরীতে কাজ করছেন তারা। মাঠে মৌমাছির উপস্থিতি পর্যবেক্ষন করে গত বছরের তুলনায় এ বছর ৩০% মধু উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে বলে ধারনা করছে উপজেলা...
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে রবি মৌসুমে ফসলের আবাদ বৃদ্ধি ও মধুসংগ্রহের লক্ষে মৌ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকেরা। এ বছর অত্র উপজেলায় ১৩শত হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে বলে জানায় উপজেলা কৃষি অফিস। এই সরিষার আবাদকে কেন্দ্র করেই উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের খালপার ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা বায়েজিদ বোস্তামি নামে এক কৃষক শুরু করেছেন মৌ-মাছির চাষ। তাকে দেখে আশেপাশের অনেকেই মৌ চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
কৃষকদের বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করার লক্ষে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী মোর্শেদ ও কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন ঐ কৃষকের মৌচাষ এলাকা ও পেঁয়াজের মাঠ পরিদর্শন করেন।
বিভিন্ন ফসলের মাঠ পরিদর্শনের বিষয়ে ইউএনও বলেন অত্র উপজেলায় অনাবাদী যায়গা আবাদের আওতায় আনার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। সেই লক্ষে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন সুবিধা অসুবিধার কথা শুনছেন তারা।
কৃষি কর্মকর্তা জানান, চরভদ্রাসন উপজেলায় পেয়াজের দানা ও সরিষা ক্ষেতে অধিক সংখ্যক মৌমাছির উপস্থিতি লক্ষনীয়। মৌমাছির অবাধ বিচরনে ২০/২৫% ফসলের ফলন বৃদ্ধি পায়। এছাড়া ফসলের পরাগায়নে মৌমাছির গুরত্বপূর্ন ভূমিকা থাকায় মৌ চাষী ও মৌ মাছির জন্য অনুকুল পরিবেশ তৈরীতে কাজ করছেন তারা। মাঠে মৌমাছির উপস্থিতি পর্যবেক্ষন করে গত বছরের তুলনায় এ বছর ৩০% মধু উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে বলে ধারনা করছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসার অধিদপ্তর।