রাজনীতি ডেস্ক: দেশের নির্বাচনকালীন সরকার কাঠামো নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত কমিটির একটি বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আগামী দিনে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের স্বার্থে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতেই হবে এবং এর কোনো বিকল্প নেই। জুলাই জাতীয় সনদে এই বিষয়ে একাধিক প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলেও তিনি এ সময় উল্লেখ করেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে রাজনৈতিক সমঝোতা না হলে বিকল্প হিসেবে র্যাঙ্কড চয়েস ভোট চালুর প্রস্তাব সংসদে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হতে পারে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়া জাতীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য অন্য কোনো প্রস্তাব এলে সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলে তিনি জানান। এই সরকারব্যবস্থা কোন প্রক্রিয়ায় গঠিত হবে, এর নির্দিষ্ট কাঠামো কী রূপ নেবে এবং বিতর্কমুক্ত রাখতে কোন বাছাই কমিটির মাধ্যমে তা গঠিত হতে পারে, সে বিষয়গুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বিরোধী দলগুলোর রাজপথের আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তারা সংসদীয় কমিটিতে এসে সুনির্দিষ্ট দাবি নিয়ে আলোচনা করতে পারত, কিন্তু তারা আন্দোলনকেই বেছে নিয়েছে। এদিকে বিগত বছরগুলোতে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য সম্প্রতি গুরুত্বের সঙ্গে শুনেছে বিশেষ কমিটি। ভবিষ্যতে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যা বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পুনরাবৃত্তি রোধে সংবিধান ও প্রয়োজনীয় আইনে কঠোর বিধান যুক্ত করার কথা ভাবছে সরকার।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা তাদের নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধান, দ্রুত বিচার এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের জোরালো দাবি জানিয়েছেন বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়া নিখোঁজ ব্যক্তিদের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা এবং গুমের শিকার ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে প্রণীত আইনে সুনির্দিষ্ট বিধান রাখা হয়েছে। পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট বাহিনী নয়, বরং অন্য কোনো নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করা হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 
























