ঢাকা , শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণে অর্থায়ন করবে এডিবি

-এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রতীকী ছবি।

২০২২ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ সড়ক নেটওয়ার্ক পুনর্বাসনসহ গ্রামীণ অর্থনীতি সচলের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। প্রকল্প ব্যয়ের বড় অংশের জোগান দেবে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। প্রকল্পটি আজ জাতীয় অর্থনৈতিক নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উত্থাপন হতে পারে বলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

বন্যা ২০২২-এ ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ অবকাঠামো পুনর্বাসন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন পণ্যের পরিবহন ব্যয় ও সময় কমানো হবে। বাজারজাতকরণ সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১২৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৯৩৯ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ঋণ দেবে এডিবি। বাকি ২২২ কোটি ৬০ লাখ ৬৫ হাজার টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে মেটানো হবে।

একনেক অনুমোদন দিলে প্রকল্পটি ৩টি বিভাগের ৯টি জেলার ৮৩টি উপজেলায় কার্যক্রম চালাবে। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে আগামী ২০২৬ সালের জুন নাগাদ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে- ৪০৫.৭৮ কিলোমিটার উপজেলা সড়ক পুনর্বাসন, ৩৪৬.১০ কিলোমিটার ইউনিয়ন সড়ক পুনর্বাসন, ২১৭১.০০ মিটার ব্রিজ পুনর্বাসন/পুনর্নিমাণ, ৮০৯.৮৪ মিটার কালভার্ট পুনর্বাসন/পুনর্নিমাণ, ১৫ লাখ ১ হাজার ৬০০টি বৃক্ষরোপণ, ৬২ হাজার ৬৮৭ মিটার প্রতিরক্ষা কাজ (টো-ওয়াল), ২২১৬০৭.১৩ বর্গমিটার ঢাল প্রতিরক্ষা কাজ।

প্রকল্পে গ্রামীণ সড়ককে দুর্যোগ সহনীয় ২ লেন সড়কে উন্নীতকরণ, সড়ক উন্নয়ন, সেতু নির্মাণ/পুনর্বাসন, ইউনিয়ন সড়কের ইন্টারসেকশন নিরাপদকরণ, গ্রোথ সেন্টার উন্নয়ন, বাজার উন্নয়নের কথা উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে টেকসই কৃষির প্রসার এবং অভীষ্ট অভিঘাতসহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই শিল্পায়নের কথাও উল্লেখ রয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন বলছে, প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে যানবাহন চলাচল এবং পণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সহজতর হবে। তা ছাড়া অবকাঠামো নির্মাণ কাজে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঠামোগত ফাঁদে আটকে আছে দেশের অর্থনীতি: হোসেন জিল্লুর রহমান

error: Content is protected !!

গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণে অর্থায়ন করবে এডিবি

আপডেট টাইম : ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক :
২০২২ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ সড়ক নেটওয়ার্ক পুনর্বাসনসহ গ্রামীণ অর্থনীতি সচলের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। প্রকল্প ব্যয়ের বড় অংশের জোগান দেবে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। প্রকল্পটি আজ জাতীয় অর্থনৈতিক নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উত্থাপন হতে পারে বলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

বন্যা ২০২২-এ ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ অবকাঠামো পুনর্বাসন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন পণ্যের পরিবহন ব্যয় ও সময় কমানো হবে। বাজারজাতকরণ সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১২৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৯৩৯ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ঋণ দেবে এডিবি। বাকি ২২২ কোটি ৬০ লাখ ৬৫ হাজার টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে মেটানো হবে।

একনেক অনুমোদন দিলে প্রকল্পটি ৩টি বিভাগের ৯টি জেলার ৮৩টি উপজেলায় কার্যক্রম চালাবে। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে আগামী ২০২৬ সালের জুন নাগাদ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে- ৪০৫.৭৮ কিলোমিটার উপজেলা সড়ক পুনর্বাসন, ৩৪৬.১০ কিলোমিটার ইউনিয়ন সড়ক পুনর্বাসন, ২১৭১.০০ মিটার ব্রিজ পুনর্বাসন/পুনর্নিমাণ, ৮০৯.৮৪ মিটার কালভার্ট পুনর্বাসন/পুনর্নিমাণ, ১৫ লাখ ১ হাজার ৬০০টি বৃক্ষরোপণ, ৬২ হাজার ৬৮৭ মিটার প্রতিরক্ষা কাজ (টো-ওয়াল), ২২১৬০৭.১৩ বর্গমিটার ঢাল প্রতিরক্ষা কাজ।

প্রকল্পে গ্রামীণ সড়ককে দুর্যোগ সহনীয় ২ লেন সড়কে উন্নীতকরণ, সড়ক উন্নয়ন, সেতু নির্মাণ/পুনর্বাসন, ইউনিয়ন সড়কের ইন্টারসেকশন নিরাপদকরণ, গ্রোথ সেন্টার উন্নয়ন, বাজার উন্নয়নের কথা উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে টেকসই কৃষির প্রসার এবং অভীষ্ট অভিঘাতসহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই শিল্পায়নের কথাও উল্লেখ রয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন বলছে, প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে যানবাহন চলাচল এবং পণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সহজতর হবে। তা ছাড়া অবকাঠামো নির্মাণ কাজে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।