দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১০৯
বার পঠিত
প্রতিকী ছবি।
গোদাগাড়ীতে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
সেলিম সানোয়ার পলাশঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার মাথাভাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন মাথাভাঙ্গা গ্রামের রুহুল আমিনের দুই বছর বয়সী মেয়ে কারিমা খাতুন এবং একই এলাকার মো. রাব্বুলের দুই বছর বয়সী ছেলে রাফি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে খেলতে খেলতে বাড়ির পাশে থাকা একটি পুকুরে পড়ে যায় দুই শিশু। কিছুক্ষণ পর তাদের খুঁজে না পেয়ে স্বজনরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয়রা পুকুরে ভাসমান অবস্থায় তাদের দেখতে পান এবং দ্রুত উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তবে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল মর্গে গিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে। বর্তমানে মরদেহ রামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে এ ঘটনায় গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুই শিশুর আকস্মিক মৃত্যুতে স্বজনরা বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।
সেলিম সানোয়ার পলাশঃ
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার মাথাভাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন মাথাভাঙ্গা গ্রামের রুহুল আমিনের দুই বছর বয়সী মেয়ে কারিমা খাতুন এবং একই এলাকার মো. রাব্বুলের দুই বছর বয়সী ছেলে রাফি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে খেলতে খেলতে বাড়ির পাশে থাকা একটি পুকুরে পড়ে যায় দুই শিশু। কিছুক্ষণ পর তাদের খুঁজে না পেয়ে স্বজনরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয়রা পুকুরে ভাসমান অবস্থায় তাদের দেখতে পান এবং দ্রুত উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তবে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল মর্গে গিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করে। বর্তমানে মরদেহ রামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে এ ঘটনায় গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুই শিশুর আকস্মিক মৃত্যুতে স্বজনরা বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।