ঢাকা , রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

গিটার জাদুকর আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার দিন

বিনোদন ডেস্ক: বাংলা ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং জনপ্রিয় গিটার বাদক আইয়ুব বাচ্চুর ষষ্ঠ প্রয়াণদিবস পালিত হচ্ছে। কোটি ভক্তের হৃদয়জুড়ে থাকা এই প্রবাদপ্রতিম রকশিল্পী ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। শারীরিক অনুপস্থিতি সত্ত্বেও তার অসাধারণ সংগীত সৃষ্টি এবং অমলিন সুরের মাধ্যমে তিনি আজও লাখো শ্রোতার অন্তরে অমর হয়ে বেঁচে আছেন।

এই বিশেষ দিনটিতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ভক্ত-অনুরাগীদের পক্ষ থেকে এই মহান শিল্পীকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে। নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ও আয়োজনের মধ্য দিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হচ্ছে। তার প্রয়াণদিবসে দেশের সংগীত অঙ্গনে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে সবাই তাকে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করছেন।

১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী আশির দশকের শুরুতে সোলস ব্যান্ডের হাত ধরে পেশাদার সংগীত জগতে পা রাখেন। পরবর্তীতে নব্বইয়ের দশকে তিনি বাংলা রক সংগীতে এক অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটিয়ে অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেন। নিজের সংগীতের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি ১৯৯৫ সালে গঠন করেন জনপ্রিয় ব্যান্ড এলআরবি, যা বাংলা ব্যান্ড মিউজিকের ধারাকেই বদলে দিয়েছিল।

তার জাদুকরী গিটার বাদন এবং স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর বাংলা গানকে বিশ্বমঞ্চের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করেছিল। চলো বদলে যাই, রূপালী গিটার, কষ্ট পেতে ভালোবাসি, ফেরারি মন ও এখন অনেক রাত এর মতো অসংখ্য কালজয়ী গান তিনি উপহার দিয়েছেন। বিশেষ করে রূপালী গিটার গানটি এবং তার প্রিয় যন্ত্রটি নিয়ে পরিবেশনা আজও সংগীতপ্রেমীদের মনে গভীর দাগ কেটে আছে, যা তাকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে।

চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করার ক্ষেত্রেও তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন যার স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। তিনি কেবল একজন সাধারণ গায়ক বা গিটারিস্ট ছিলেন না, বরং বাংলা রক সংগীতের অবিসংবাদিত অভিভাবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার সুরের দ্যুতি এবং সৃজনশীলতা যুগের পর যুগ ধরে বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতপ্রেমীদের অনুপ্রাণিত করে যাবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

গিটার জাদুকর আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার দিন

আপডেট টাইম : ৫১ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

বিনোদন ডেস্ক: বাংলা ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং জনপ্রিয় গিটার বাদক আইয়ুব বাচ্চুর ষষ্ঠ প্রয়াণদিবস পালিত হচ্ছে। কোটি ভক্তের হৃদয়জুড়ে থাকা এই প্রবাদপ্রতিম রকশিল্পী ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। শারীরিক অনুপস্থিতি সত্ত্বেও তার অসাধারণ সংগীত সৃষ্টি এবং অমলিন সুরের মাধ্যমে তিনি আজও লাখো শ্রোতার অন্তরে অমর হয়ে বেঁচে আছেন।

এই বিশেষ দিনটিতে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ভক্ত-অনুরাগীদের পক্ষ থেকে এই মহান শিল্পীকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে। নানা ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ও আয়োজনের মধ্য দিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হচ্ছে। তার প্রয়াণদিবসে দেশের সংগীত অঙ্গনে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে সবাই তাকে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করছেন।

১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী আশির দশকের শুরুতে সোলস ব্যান্ডের হাত ধরে পেশাদার সংগীত জগতে পা রাখেন। পরবর্তীতে নব্বইয়ের দশকে তিনি বাংলা রক সংগীতে এক অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটিয়ে অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেন। নিজের সংগীতের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি ১৯৯৫ সালে গঠন করেন জনপ্রিয় ব্যান্ড এলআরবি, যা বাংলা ব্যান্ড মিউজিকের ধারাকেই বদলে দিয়েছিল।

তার জাদুকরী গিটার বাদন এবং স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর বাংলা গানকে বিশ্বমঞ্চের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করেছিল। চলো বদলে যাই, রূপালী গিটার, কষ্ট পেতে ভালোবাসি, ফেরারি মন ও এখন অনেক রাত এর মতো অসংখ্য কালজয়ী গান তিনি উপহার দিয়েছেন। বিশেষ করে রূপালী গিটার গানটি এবং তার প্রিয় যন্ত্রটি নিয়ে পরিবেশনা আজও সংগীতপ্রেমীদের মনে গভীর দাগ কেটে আছে, যা তাকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে।

চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করার ক্ষেত্রেও তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন যার স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। তিনি কেবল একজন সাধারণ গায়ক বা গিটারিস্ট ছিলেন না, বরং বাংলা রক সংগীতের অবিসংবাদিত অভিভাবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার সুরের দ্যুতি এবং সৃজনশীলতা যুগের পর যুগ ধরে বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতপ্রেমীদের অনুপ্রাণিত করে যাবে।