ঢাকা , সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ক্রেতাদের নাভিশ্বাস, চাটমোহরে নিত্যপণ্যের বাজারে আগুণ

দু’দিনের ব্যবধানে বেগুনের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩০ টাকা, কাঁচামরিচের কেজি ৩৫০ টাকা,সব জিনিসের দাম বেড়েছে।  শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে চাটমোহর পুরাতন বাজারে কাঁচাবাজারে এসে কথাগুলো বললেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেল গত বৃহস্পতিবার এক কেজি বেগুণ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকায়। সেই বেগুন শুক্রবার বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকা কেজি। আজই (শনিবার) ১৩০ টাকা কেজি। একই অবস্থা কাঁচামরিচের। ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে বৃহস্পতিবার।
শুক্রবার থেকে সেই মরিচের দাম ৩৫০ টাকা। এভাবেই প্রতিটি সবজির দাম বেড়েছে কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। পাশাপাশি মুরগি,ডিম আর মাছের দামও বাড়ছেই। নিত্যপণ্যের বাজারে যেন আগুন লেগেছে। প্রতিটি জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে সবজির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায়। সাধারণ ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠেছে। নিত্যপণ্য এখন তাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। শক্তিশালী হয়ে উঠেছে বাজার সিন্ডিকেট। কোন প্রকার তদারকি নেই বাজারে।
সরেজমিনে  শনিবার চাটমোহরের বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দেখা গেছে,পটল ১০০ টাকা,ঝিঙে ৮০ টাকা,করলা ১২০ টাকা,ঢেঁড়শ ৮০ টাকা,বরবটি ৬০ টাকা,মুলা শাকসহ ৫০ টাকা,কোল্ড স্টোরেজের টমেটো ২৪০ টাকা,লাল শাক ৮০ টাকা,সবুজ শাক ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। একটি লাউ ৬০ টাকা আর চালকুমড়া ৭০ টাকা। এক হালি কাঁচাকলা ৩০ টাকা,পেঁপের কেজি ৪০ টাকা আর শসা ৮০ টাকা কেজি। ক্রেতারা বাজারে গিয়ে হতাশ হয়ে পড়ছেন। অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে কম পণ্য কিনে বাড়ি ফিরছেন। এ যেন মগের মুল্লুক। কোন মনিটরিং নেই। যা ইচ্ছে,তাই বিক্রি হচ্ছে।
চাটমোহর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোখলেসুর রহমান বিদ্যুৎ বললেন,আমাদানী কম থাকায় নাকি শাকসবজির দাম বেড়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে সবজি খেত ও মরিচের ক্ষতি হয়েছে,তাই আমদানী কমেছে।
সৈকত গমেজ আজকের পত্রিকাকে জানান, প্রয়োজনীয় সবজি থেকে শুরু করে সব কিছুর দাম উদ্যগতিতে,আমাদের কয় ক্ষমতার বাহিরে, ১০০০ টাকায়ও বাজার হয় না, সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেদুয়ানুল হালিম বলেছেন,বাজার মনিটরিং জোরদার করা হবে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কেউ দাম বাড়ালে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

উপসাগরীয় ৬ দেশকে যুক্ত করবে ২১০০ কিলোমিটারের এক রেললাইন

error: Content is protected !!

ক্রেতাদের নাভিশ্বাস, চাটমোহরে নিত্যপণ্যের বাজারে আগুণ

আপডেট টাইম : ০৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪
শুভাশীষ ভট্টাচার্য্য তুষার, জেলা প্রতিনিধি পাবনা :
দু’দিনের ব্যবধানে বেগুনের দাম কেজিতে বেড়েছে ৩০ টাকা, কাঁচামরিচের কেজি ৩৫০ টাকা,সব জিনিসের দাম বেড়েছে।  শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে চাটমোহর পুরাতন বাজারে কাঁচাবাজারে এসে কথাগুলো বললেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেল গত বৃহস্পতিবার এক কেজি বেগুণ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকায়। সেই বেগুন শুক্রবার বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকা কেজি। আজই (শনিবার) ১৩০ টাকা কেজি। একই অবস্থা কাঁচামরিচের। ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে বৃহস্পতিবার।
শুক্রবার থেকে সেই মরিচের দাম ৩৫০ টাকা। এভাবেই প্রতিটি সবজির দাম বেড়েছে কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। পাশাপাশি মুরগি,ডিম আর মাছের দামও বাড়ছেই। নিত্যপণ্যের বাজারে যেন আগুন লেগেছে। প্রতিটি জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে সবজির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায়। সাধারণ ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠেছে। নিত্যপণ্য এখন তাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। শক্তিশালী হয়ে উঠেছে বাজার সিন্ডিকেট। কোন প্রকার তদারকি নেই বাজারে।
সরেজমিনে  শনিবার চাটমোহরের বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দেখা গেছে,পটল ১০০ টাকা,ঝিঙে ৮০ টাকা,করলা ১২০ টাকা,ঢেঁড়শ ৮০ টাকা,বরবটি ৬০ টাকা,মুলা শাকসহ ৫০ টাকা,কোল্ড স্টোরেজের টমেটো ২৪০ টাকা,লাল শাক ৮০ টাকা,সবুজ শাক ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। একটি লাউ ৬০ টাকা আর চালকুমড়া ৭০ টাকা। এক হালি কাঁচাকলা ৩০ টাকা,পেঁপের কেজি ৪০ টাকা আর শসা ৮০ টাকা কেজি। ক্রেতারা বাজারে গিয়ে হতাশ হয়ে পড়ছেন। অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে কম পণ্য কিনে বাড়ি ফিরছেন। এ যেন মগের মুল্লুক। কোন মনিটরিং নেই। যা ইচ্ছে,তাই বিক্রি হচ্ছে।
চাটমোহর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোখলেসুর রহমান বিদ্যুৎ বললেন,আমাদানী কম থাকায় নাকি শাকসবজির দাম বেড়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে সবজি খেত ও মরিচের ক্ষতি হয়েছে,তাই আমদানী কমেছে।
সৈকত গমেজ আজকের পত্রিকাকে জানান, প্রয়োজনীয় সবজি থেকে শুরু করে সব কিছুর দাম উদ্যগতিতে,আমাদের কয় ক্ষমতার বাহিরে, ১০০০ টাকায়ও বাজার হয় না, সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেদুয়ানুল হালিম বলেছেন,বাজার মনিটরিং জোরদার করা হবে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কেউ দাম বাড়ালে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।