দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অগাস্ট ২০২১
৩৪২
বার পঠিত
কুষ্টিয়ায় আজ আরও ৩ জনের মৃত্যু ,শনাক্ত-১৮০
কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২ জন করোনায় ও ১ জন উপসর্গ নিয়ে মারা যান। বুধবার (১১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবদুল মোমেন, এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এদের মৃত্যু হয়েছে। জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৫২০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৮০ জনের দেহে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৪.৬১% শতাংশ। বর্তমানে হাসপাতালে ১৫৯ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী ও ৩২ জন উপসর্গ নিয়ে মোট ১৯১ জন ভর্তি রয়েছেন। গত দেড় মাসের মধ্যে কুষ্টিয়াতে আজকেই সর্বনিম্ন ৩ জনের মৃত্যু হলো। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এ এস এম মুসা কবিরের বলেন , গ্রামে গ্রামে প্রশাসনের নজরদারি ও তদারকি আরও বাড়াতে হবে। উপসর্গ নিয়ে কেউ যেন বাড়িতে বসে না থাকেন। তাঁদের প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিত করা ছাড়া মৃত্যুহার কমানো সম্ভব নয়। চিকিৎসা নিতে যত দেরি হবে, মৃত্যুর ঝুঁকি তত বাড়বে। তিনি আরও বলেন, সংক্রমণের হার কমানোর জন্য শতভাগ মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প পথ নেই। যত দ্রুত সম্ভব, গ্রামের বয়স্ক ব্যক্তিদের টিকা নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। কেননা মারা যাওয়া রোগীদের বেশির ভাগই গ্রাম থেকে আসা বয়স্ক নারী–পুরুষ।
কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২ জন করোনায় ও ১ জন উপসর্গ নিয়ে মারা যান।
বুধবার (১১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবদুল মোমেন, এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এদের মৃত্যু হয়েছে।
জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৫২০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৮০ জনের দেহে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৪.৬১% শতাংশ।
বর্তমানে হাসপাতালে ১৫৯ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী ও ৩২ জন উপসর্গ নিয়ে মোট ১৯১ জন ভর্তি রয়েছেন। গত দেড় মাসের মধ্যে কুষ্টিয়াতে আজকেই সর্বনিম্ন ৩ জনের মৃত্যু হলো।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এ এস এম মুসা কবিরের বলেন , গ্রামে গ্রামে প্রশাসনের নজরদারি ও তদারকি আরও বাড়াতে হবে। উপসর্গ নিয়ে কেউ যেন বাড়িতে বসে না থাকেন। তাঁদের প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিত করা ছাড়া মৃত্যুহার কমানো সম্ভব নয়। চিকিৎসা নিতে যত দেরি হবে, মৃত্যুর ঝুঁকি তত বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, সংক্রমণের হার কমানোর জন্য শতভাগ মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প পথ নেই। যত দ্রুত সম্ভব, গ্রামের বয়স্ক ব্যক্তিদের টিকা নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। কেননা মারা যাওয়া রোগীদের বেশির ভাগই গ্রাম থেকে আসা বয়স্ক নারী–পুরুষ।