ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ইসমাইল হোসেন বাবু:

 

কুষ্টিয়ায় সাহাবুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

 

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এনায়েত কবির সরকার তিন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মিরপুর উপজেলার মিটন পশ্চিমপাড়া গ্রামের মহিন প্রামাণিকের ছেলে আসাদুল প্রামাণিক ওরফে কালু, আবুল কাশেমের ছেলে হাবিল হোসেন, ওমর আলীর ছেলে মিলন এবং মাজিরহাট খাঁপাড়া গ্রামের মসলেম মোল্লার ছেলে আবু তাহের। এদের মধ্যে আবু তাহের পলাতক রয়েছেন।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর মিরপুর উপজেলার মিটন গ্রামের বাসিন্দা সাহাবুল ইসলাম বাজার করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। বাজার শেষে ছেলে সাব্বিরকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। পরদিন বুরাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের একটি ধইঞ্চা ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সুমি খাতুন মিরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে আরও জড়িতদের শনাক্ত করে।

 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএম জাবীদ হাসান তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় প্রদান করেন।

 

তদন্তে উঠে আসে, গ্রাম্য বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সাহাবুল ইসলামকে হত্যা করে।

 

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার সিরাজুল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. এনামুল হক।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মোংলায় বানৌজাতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

error: Content is protected !!

কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট টাইম : ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
ইসমাইল হোসেন বাবু, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার :

ইসমাইল হোসেন বাবু:

 

কুষ্টিয়ায় সাহাবুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

 

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এনায়েত কবির সরকার তিন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মিরপুর উপজেলার মিটন পশ্চিমপাড়া গ্রামের মহিন প্রামাণিকের ছেলে আসাদুল প্রামাণিক ওরফে কালু, আবুল কাশেমের ছেলে হাবিল হোসেন, ওমর আলীর ছেলে মিলন এবং মাজিরহাট খাঁপাড়া গ্রামের মসলেম মোল্লার ছেলে আবু তাহের। এদের মধ্যে আবু তাহের পলাতক রয়েছেন।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর মিরপুর উপজেলার মিটন গ্রামের বাসিন্দা সাহাবুল ইসলাম বাজার করার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। বাজার শেষে ছেলে সাব্বিরকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। পরদিন বুরাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের একটি ধইঞ্চা ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সুমি খাতুন মিরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে আরও জড়িতদের শনাক্ত করে।

 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএম জাবীদ হাসান তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় প্রদান করেন।

 

তদন্তে উঠে আসে, গ্রাম্য বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সাহাবুল ইসলামকে হত্যা করে।

 

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার সিরাজুল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. এনামুল হক।