ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

মোহনপুর কৃষি কর্মকর্তার প্রচেষ্টায় কৃষিতে অভাবনীয় সাফল্য

আলিফ হোসেনঃ

 

রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কামরুল ইসলামের প্রচেষ্টা ও কৃষি বান্ধব নানা উদ্যোগের ফলে কৃষিতে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

 

জানা গেছে,মোহনপুরের মাঠে মাঠে দুলছে কৃষকের স্বপ্নের মিষ্টি পান ও সবজিসহ বিভিন্ন ধরনের সোনালী ফসল। কৃষকের এই স্বপ্নকে সফল করতে ফসলের ক্ষতিকর পোকা ও রোগবালাই দমনে মাঠে মাঠে ঘুরে ঘুরে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষি কর্মকর্তা কামরুল ইসলামসহ মাঠ পর্যায়ের দায়িত্বশীল কৃষি কর্মকর্তাগণ।সাধারণ কৃষকের জীবন মান উন্নয়ন ও কৃষকের দোরগোড়ায় কৃষি সেবা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে মোহনপুর কৃষি অফিস।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার নিয়ে গঠিত।উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,পান বরজ, বিভিন্ন ধরনের সবজিসহ মাঠে মাঠে মৃদু বাতাসে দুল খাচ্ছে ধানের শীষগুলো। কৃষকেরা জমিতে সেচ দিচ্ছেন, কেউ সার কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। কৃষকের সঙ্গে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কৃষি অফিসের কর্মকর্তাগন। কৃষকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কৃষক সমাবেশ, মাঠ পরিদর্শন ও লিফলেট বিতরণ, কৃষি পরামর্শ অব্যহত রয়েছে।

 

ফসলের পোকার উপস্থিতি যাচাইয়ের জন্য নিয়মিত আলোর ফাঁদ ব্যবহার করা এবং আক্রান্ত জমিতে অনুমোদিত সঠিক দানাদার বা তরল কীটনাশক সঠিক মাত্রায় সঠিক সময়ে ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কৃষকরা বলছেন, কৃষি অফিস থেকে রোগবালাই দমনে বিভিন্ন পরামর্শ পাচ্ছেন তারা। এছাড়াও সরকারি সার ডিলার ও খুচরা ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে কৃষকরা সঠিক দামে সার কীটনাশক ক্রয় করতে পারেন,তা নিশ্চিত করতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কামরুল ইসলাম উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং করছেন।

 

এবিষয়ে মোহনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষি বিভাগ সব সময় কৃষকের পাশে আছে, ফসলের ভাল ফলনের জন্য রোগবালাই দমন, সঠিক মাত্রায় বলাইনাশকের প্রয়োগ, কৃষক মাঠ স্কুল পরিচালনা, লিফলেট বিতরণ, উঠান বৈঠক, কৃষক সমাবেশ,স্পট মিটিং অব্যাহত রয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকের লাভ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নাগেশ্বরীর ‘বগুড়া দই ঘর’-এর নোংরা পরিবেশ ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ

error: Content is protected !!

মোহনপুর কৃষি কর্মকর্তার প্রচেষ্টায় কৃষিতে অভাবনীয় সাফল্য

আপডেট টাইম : ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
আলিফ হোসেন, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

আলিফ হোসেনঃ

 

রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কামরুল ইসলামের প্রচেষ্টা ও কৃষি বান্ধব নানা উদ্যোগের ফলে কৃষিতে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

 

জানা গেছে,মোহনপুরের মাঠে মাঠে দুলছে কৃষকের স্বপ্নের মিষ্টি পান ও সবজিসহ বিভিন্ন ধরনের সোনালী ফসল। কৃষকের এই স্বপ্নকে সফল করতে ফসলের ক্ষতিকর পোকা ও রোগবালাই দমনে মাঠে মাঠে ঘুরে ঘুরে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষি কর্মকর্তা কামরুল ইসলামসহ মাঠ পর্যায়ের দায়িত্বশীল কৃষি কর্মকর্তাগণ।সাধারণ কৃষকের জীবন মান উন্নয়ন ও কৃষকের দোরগোড়ায় কৃষি সেবা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে মোহনপুর কৃষি অফিস।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার নিয়ে গঠিত।উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়,পান বরজ, বিভিন্ন ধরনের সবজিসহ মাঠে মাঠে মৃদু বাতাসে দুল খাচ্ছে ধানের শীষগুলো। কৃষকেরা জমিতে সেচ দিচ্ছেন, কেউ সার কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। কৃষকের সঙ্গে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কৃষি অফিসের কর্মকর্তাগন। কৃষকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কৃষক সমাবেশ, মাঠ পরিদর্শন ও লিফলেট বিতরণ, কৃষি পরামর্শ অব্যহত রয়েছে।

 

ফসলের পোকার উপস্থিতি যাচাইয়ের জন্য নিয়মিত আলোর ফাঁদ ব্যবহার করা এবং আক্রান্ত জমিতে অনুমোদিত সঠিক দানাদার বা তরল কীটনাশক সঠিক মাত্রায় সঠিক সময়ে ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কৃষকরা বলছেন, কৃষি অফিস থেকে রোগবালাই দমনে বিভিন্ন পরামর্শ পাচ্ছেন তারা। এছাড়াও সরকারি সার ডিলার ও খুচরা ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে কৃষকরা সঠিক দামে সার কীটনাশক ক্রয় করতে পারেন,তা নিশ্চিত করতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কামরুল ইসলাম উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং করছেন।

 

এবিষয়ে মোহনপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষি বিভাগ সব সময় কৃষকের পাশে আছে, ফসলের ভাল ফলনের জন্য রোগবালাই দমন, সঠিক মাত্রায় বলাইনাশকের প্রয়োগ, কৃষক মাঠ স্কুল পরিচালনা, লিফলেট বিতরণ, উঠান বৈঠক, কৃষক সমাবেশ,স্পট মিটিং অব্যাহত রয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকের লাভ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।