মধুখালীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করায় এলাকাবাসী ও ইউপি সদস্যদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ, জানা যায় বড় ভাই গোলাম আলীর বিরুদ্ধে পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাই শামীন থানায় অভিযোগ করেন।
এবিষয়ে বড় ভাই গোলাম আলী ঝামেলা নিরসনের জন্য ইউপি সদস্য দেলোয়ার এর মাধ্যমে উপজেলার ৫নং রায়পুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যানের কাছে যায়, এবং ছোট ভাইয়ের সাথে ঝামেলা নিরসন করতে চায় এবিষয়ে রায়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন উভয় পক্ষকে ডেকে মীমাংসার জন্য শালিশের ব্যবস্থা করেন, শালিশের উভয় পক্ষের কথা শোনার পর থানায় অভিযোগকারী শামিনের কাছে জানতে চান শালিশের রায় যাই হোক আপনি কি মেনে নিবেন; তখন শামিন বলেন আমার পক্ষে রায় না হলে আমি মানবো না।
তখন চেয়ারম্যান জাকির হোসেন রেগে বলেন আপনি শালিশ না মানলে এখানে আসছেন কেন এখান থেকে বেরিয়ে যান। এরপর শামিন চেয়ারম্যান জাকির হোসেন কে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে।
মধুখালী উপজেলার ৫নং রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন অভিযোগ করে বলেন, তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু অনলাইন পোর্টালে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ২৫ (সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল আমি এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়, এবিষয়ে শালিশে উপস্থিত ইউপি সদস্য রাজ্জাক হোসেন ও দেলোয়ার বলেন, আমরা শালিশে উপস্থিত ছিলাম শালিশে লাথি মারার এমন কোন ঘটনা ঘটেনি চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
শালিশে উপস্থিত থাকা একজন স্থাানীয় সাংবাদিক ইদ্রিস আলী বলেন, শালিশে লাথি মারার ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট যারা এসব মিথা তথ্য প্রচার করেছেন তাদের প্রতি তীব্র নিন্দা জানায়। এবিষয়ে অভিযোগকারী শামিনের বড় ভাই গোলাম আলী ও তার স্ত্রী বলেন আমরা দুই ভাই চেয়ারম্যানের কাছে আসলে তিনি আমাদের দুই পক্ষের কথা শুনে এবং শালিশের রায় যাই হোক মেনে নিতে বললে আমার ছোট ভাই শামিম বলে আমার পক্ষে রায় না হলে আমি মানবো না তখন চেয়ারম্যান তাকে অফিস থেকে বের হয়ে যেতে বলেন এখানে লাথি মারার কোন ঘটনা ঘটেনি।
প্রিন্ট

ফরিদপুরে ট্রিপল মার্ডারঃ ১০ ঘণ্টায় গ্রেফতার প্রধান আসামি, উদ্ধার কোদাল 
মোঃ ইনামুল খন্দকার, মধুখালী (ফরিদপুর) থেকে 


















