1. somoyerprotyasha@gmail.com : A.S.M. Murshid :
  2. letusikder@gmail.com : Litu Sikder : Litu Sikder
  3. mokterreporter@gmail.com : Mokter Hossain : Mokter Hossain
  4. tussharpress@gmail.com : Tusshar Bhattacharjee : Tusshar Bhattacharjee
অপ্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করোনা রোগীদের হিতে বিপরীত হতে পারে - দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা ডটকম
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনা-২ আসনের সাবেক সাংসদ আরজুর নির্বাচনী শোডাউন নগরকান্দায় বাড়িতে বাবার লাশ রেখে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া রানা পাস করেছে বাবুরচর হাজী জয়নাল চাকলাদার কাসেমুল উলুম রহমানিয়া মাদরাসা ও এতিমখানায় বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত নলছিটিতে১৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল আটক নলছিটিতে মাদক বিরোধী কর্মশালা অনুষ্ঠিত গোমস্তাপুরে মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ৩টি উপজেলার মাদরাসা শিক্ষক কর্মচারীদের উদ্যোগে পাংশায় রাজবাড়ী জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত পাংশার কসবামাজাইল ইউপির ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত খোকসায় শিমুলিয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ খানের মায়ের ইন্তেকালঃ দাফন সম্পন্ন গোমস্তাপুরে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলো উপজেলা প্রশাসন

অপ্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করোনা রোগীদের হিতে বিপরীত হতে পারে

ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৩১ বার পঠিত
-ফাইল ফটো।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের অধিকাংশই বাসায় থেকে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে অনেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ খেয়ে থাকেন। এমনকি অনেকে অ্যান্টিবায়োটিকও নিয়ে থাকেন।

এভাবে করোনা রোগীদের ওষুধ সেবন হিতে বিপরীত হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) রিউম্যাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক।

স্বাস্থ্য বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ডক্টর টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার মাত্রাকে মোটা দাগে মৃদু, মাঝারি ও তীব্র- এই তিন ধাপে ভাগ করা যেতে পারে।

এই বিশেষজ্ঞ বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত একজন রোগীর অতিরিক্ত অক্সিজেনের প্রয়োজন হচ্ছে না, ততক্ষণ পর্যন্ত সেটাকে মাঝরি বলা হয়ে থাকে। অক্সিজেন মাপার যন্ত্র পালস অক্সিমিটারে অক্সিজেনের মাত্রা যখন ৯২ এর নিচে নেমে আসে, তখন তার কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন প্রয়োজন হয়।

অধ্যাপক আতিকুল হক বলেন, মৃদু এবং মাঝারি কোভিডের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো ওষুধের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এটাও ঠিক যে মৃদু এবং মাঝারি কোভিডের জন্য কোনো ওষুধের দরকারও নেই।

তিনি বলেন, মৃদু এবং মাঝারি কোভিড কোনো ওষুধ ছাড়াই সেরে যায়। এ সময় যদি ওষুধ দেওয়া হয়, তাহলে ওষুধের পার্শপ্রতিক্রিয়ায় হিতে বিপরীত হতে পারে। যাদের অক্সিজেনের মাত্রা কমেনি, তাদের জন্য কোনো ওষুধ কার্যকারী হয় না।

এই বিশেষজ্ঞ বলেন, বিজ্ঞানের হিসেবে বলতে গেলে মৃদু এবং মাঝারি কোভিডের জন্য কোনো ওষুধ দেওয়া অন্যায়। পৃথিবীতে মানুষের কিছু রোগই হয় যার কোনো ওষুধের দরকার হয় না। যেমন সাধারণ ডায়রিয়া বা ভাইরাসজনিত সাধারণ সর্দিকাশির জন্য কোনো ওষুধের দরকার হয় না।

তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় নো ট্রিটমেন্ট ইজ দ্যা বেস্ট ট্রিটমেন্ট অর্থাৎ সেখানো কোনো চিকিৎসা বা ওষুধ না দেওয়াটাই বড় চিকিৎসা। যেমনটি জন্ডিস রোগের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। এর কোনো ওষুধের প্রয়োজন হয় না বা ওষুধ দিয়েও কোনো কাজে লাগে না। জন্ডিসের কারণে কিছু জটিলতা হয়। কিন্তু সেগুলো ওষুধ দিয়ে প্রতিরোধ করা যায় না।’

অধ্যাপক আতিকুল হক বলেন, ‘কোভিড অনেকটা সেই ধরনেরই রোগ যা তীব্র হয় খুব কম রোগীর ক্ষেত্রে। তীব্র হওয়া প্রতিরোধ করবে এমন কোনো ওষুধ যেহেতু পরীক্ষিত না, সেহেতু কোনো ওষুধ না দেওয়াটাই ভালো।’

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

 

 

Copyright August, 2020-2022 @ somoyerprotyasha.com
Website Hosted by: Bdwebs.com
themesbazarsomoyerpr1
error: Content is protected !!