1. somoyerprotyasha@gmail.com : A.S.M. Murshid :
  2. letusikder@gmail.com : Litu Sikder : Litu Sikder
  3. mokterreporter@gmail.com : Mokter Hossain : Mokter Hossain
  4. tussharpress@gmail.com : Tusshar Bhattacharjee : Tusshar Bhattacharjee
অপ্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করোনা রোগীদের হিতে বিপরীত হতে পারে - দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা ডটকম
রবিবার, ০৩ জুলাই ২০২২, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা  মুকুল বোস এর পরলোক গমন ফরিদপুরে দ্বাদশ জাতীয় বিতর্ক উৎসব অনুষ্ঠিত ঝোপ থেকে বেরিয়ে মামাকে পিটিয়ে মারলেন ভাগনে ফরিদপুরে রথযাত্রা উপলক্ষে ইসকনের উদ্যোগে দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম চলছে মাগুরায় শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথ যাত্রায় এমপি সাইফুজ্জামান শিখর  ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ভাঙ্গার ১২ দোকান ভস্মিভুত পাংশায় নতুন করে রাঁধুনী হোটেলের উদ্বোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল মাগুরায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ড বিআরডিবির আয়োজনে রাউতড়া স্কুলে কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

অপ্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করোনা রোগীদের হিতে বিপরীত হতে পারে

ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৯১ বার পঠিত
-ফাইল ফটো।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের অধিকাংশই বাসায় থেকে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে অনেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ খেয়ে থাকেন। এমনকি অনেকে অ্যান্টিবায়োটিকও নিয়ে থাকেন।

এভাবে করোনা রোগীদের ওষুধ সেবন হিতে বিপরীত হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) রিউম্যাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক।

স্বাস্থ্য বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ডক্টর টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার মাত্রাকে মোটা দাগে মৃদু, মাঝারি ও তীব্র- এই তিন ধাপে ভাগ করা যেতে পারে।

এই বিশেষজ্ঞ বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত একজন রোগীর অতিরিক্ত অক্সিজেনের প্রয়োজন হচ্ছে না, ততক্ষণ পর্যন্ত সেটাকে মাঝরি বলা হয়ে থাকে। অক্সিজেন মাপার যন্ত্র পালস অক্সিমিটারে অক্সিজেনের মাত্রা যখন ৯২ এর নিচে নেমে আসে, তখন তার কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন প্রয়োজন হয়।

অধ্যাপক আতিকুল হক বলেন, মৃদু এবং মাঝারি কোভিডের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো ওষুধের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এটাও ঠিক যে মৃদু এবং মাঝারি কোভিডের জন্য কোনো ওষুধের দরকারও নেই।

তিনি বলেন, মৃদু এবং মাঝারি কোভিড কোনো ওষুধ ছাড়াই সেরে যায়। এ সময় যদি ওষুধ দেওয়া হয়, তাহলে ওষুধের পার্শপ্রতিক্রিয়ায় হিতে বিপরীত হতে পারে। যাদের অক্সিজেনের মাত্রা কমেনি, তাদের জন্য কোনো ওষুধ কার্যকারী হয় না।

এই বিশেষজ্ঞ বলেন, বিজ্ঞানের হিসেবে বলতে গেলে মৃদু এবং মাঝারি কোভিডের জন্য কোনো ওষুধ দেওয়া অন্যায়। পৃথিবীতে মানুষের কিছু রোগই হয় যার কোনো ওষুধের দরকার হয় না। যেমন সাধারণ ডায়রিয়া বা ভাইরাসজনিত সাধারণ সর্দিকাশির জন্য কোনো ওষুধের দরকার হয় না।

তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গায় নো ট্রিটমেন্ট ইজ দ্যা বেস্ট ট্রিটমেন্ট অর্থাৎ সেখানো কোনো চিকিৎসা বা ওষুধ না দেওয়াটাই বড় চিকিৎসা। যেমনটি জন্ডিস রোগের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। এর কোনো ওষুধের প্রয়োজন হয় না বা ওষুধ দিয়েও কোনো কাজে লাগে না। জন্ডিসের কারণে কিছু জটিলতা হয়। কিন্তু সেগুলো ওষুধ দিয়ে প্রতিরোধ করা যায় না।’

অধ্যাপক আতিকুল হক বলেন, ‘কোভিড অনেকটা সেই ধরনেরই রোগ যা তীব্র হয় খুব কম রোগীর ক্ষেত্রে। তীব্র হওয়া প্রতিরোধ করবে এমন কোনো ওষুধ যেহেতু পরীক্ষিত না, সেহেতু কোনো ওষুধ না দেওয়াটাই ভালো।’

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..

 

 

Copyright August, 2020-2022 @ somoyerprotyasha.com
Website Hosted by: Bdwebs.com
themesbazarsomoyerpr1
error: Content is protected !!