1. somoyerprotyasha@gmail.com : A.S.M. Murshid :
  2. letusikder@gmail.com : Litu Sikder : Litu Sikder
  3. mokterreporter@gmail.com : Mokter Hossain : Mokter Hossain
  4. tussharpress@gmail.com : Tusshar Bhattacharjee : Tusshar Bhattacharjee
এশিয়ার বৃহত্তম বটগাছ - দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা ডটকম
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে গ্লোবাল টেলিভিশন এর পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচার উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠিত পৌর সড়কে ড্রাম ট্রাকে রাস্তা ক্ষতি, ভেড়ামারায় মানববন্ধন ফরিদপুর জেলা ও মহানগর শাখার জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত  সদরপুরে করোনার চতুর্থ ঢেউ মোকাবেলার প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কুমারখালীর হাটে নজর কাড়ছে তুফান, টাইগার, বাহাদুর ও মানিক মাগুরায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড বিআরডিবি’র আওতায়  কিশোরী সংঘের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা নড়াইলে জুতা ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৫ ফরিদপুর প্রেসক্লাবের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত পাংশায় ভাই ভাই সংঘ মন্দিরের ছাদ ঢালাই ॥ পূজা অনুষ্ঠিত পাংশায় কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে উচ্চ ফলনশীল ধানের বীজ ও সার বিতরণ

দেখার কি কেউ নেই?

এশিয়ার বৃহত্তম বটগাছ

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪৩ বার পঠিত

মরে যাচ্ছে এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম ও প্রাচীন বটগাছটি। এরই মধ্যে অসংখ্য ডালপালা মরে পড়ে গেছে। বটগাছটি দেখভালে বনপ্রহরী থাকলেও বিন্দুমাত্র যত্ন নেন না। তবে স্বেচ্ছায় আব্দুল খালেক নামে একজন গাছটির যত্ন নিচ্ছেন।

বৃহত্তম এ বটগাছটি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহর থেকে ৯ কিলোমিটার পূর্বে কালীগঞ্জ-আড়পাড়া পাকা সড়কের পাশে। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ ৩০০ বছরের পুরনো এ গাছটি দেখতে আসেন। ১১ একর জমিজুড়ে রয়েছে এর অস্তিত্ব। এর উচ্চতা আনুমানিক ২৫০ থেকে ৩০০ ফুট। বর্তমানে গাছটি ৪৫টি বটগাছে রূপ নিয়েছে।

এ গাছের উৎপত্তি সম্পর্কে সঠিক কোনো তথ্য জানা না গেলেও এলাকার বয়োবৃদ্ধদের মুখে জানা যায়, একটি কুয়ার পাড়ে ছিল এ গাছের মূল অংশ। তখন জনবসতি ছিল খুবই কম। সড়কের পাশে এ গাছটি ছিল ডালপালা পাতায় পরিপূর্ণ। গাছের তলায় রোদ-বৃষ্টি পড়ত না। মাঘ মাসের শীতের রাতেও গাছের নিচে গরম থাকত।

গ্রীষ্মে গাছের নিচে লাগত ঠান্ডা পথচারীরা গাছের তলায় শুয়ে-বসে বিশ্রাম নিতেন। বাস্তবে এ এলাকায় সুইতলা নামে কোনো স্থানের অস্তিত্ব নেই। তাই বয়োবৃদ্ধদের ধারণা, পথশ্রান্ত পথিকরা যখন এ মনোরম স্থানে শুয়ে-বসে বিশ্রাম নিতেন, তখন থেকেই অনেকের কাছে এটি সুইতলা বটগাছ বলে পরিচিতি লাভ করে। আর এর থেকেই নামকরণ হয় সুইতলা বটগাছ। মূল গাছ এখন আর নেই। বর্তমানে প্রায় দু-তিনশ ‘ব’ নেমে প্রায় ১১ একর জমি দখল করে নিয়েছে এ বৃহত্তম গাছটি।

গাছটি কেন্দ্র করে পাশেই বাংলা ১৩৬০ সালের দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মল্লিকপুরের বাজার। বটগাছটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনা করে ও পর্যটকদের সুবিধার্থে এখানে ১৯৯০ সালে সরকারিভাবে একটি রেস্ট হাউস নির্মাণ করা হয়। রক্ষণাবেক্ষণ না করায় রেস্ট হাউসটি এখন আর বাসযোগ্য নয়। ফলে দেশ-বিদেশ থেকে পর্যটকদের আসাও বন্ধ হয়ে গেছে। এদিকে, ঐতিহাসিক এ বটগাছটি দেখভালের জন্য বাংলো বানিয়ে শাহিন কবির নামে একজনকে বনপ্রহরী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। কিন্তু তিনি মানুষকে অবাধ যাতায়াতের সুযোগ করে দিচ্ছেন। ফলে লোকজন গাছের ডালপালা কেটে নিয়ে যান। তবে এ ব্যাপারে কথা বলতে রাজি হননি শাহিন। তিনি বলেন, বন কর্মকর্তার নিষেধ আছে।

Print Friendly, PDF & Email

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..

 

 

Copyright August, 2020-2022 @ somoyerprotyasha.com
Website Hosted by: Bdwebs.com
themesbazarsomoyerpr1
error: Content is protected !!