মোহাম্মদ আবু নাছেরঃ
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৪নং কাদরা ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের ২৯নং চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরীকে ঘিরে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যালয়ের দপ্তরী সহিদ উল্যা আরমানকে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে আটক করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে বিদ্যালয়ের ভেতরে ওই দপ্তরীকে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয় জনসাধারণ তাকে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা দপ্তরীকে বেদম মারধর করে।
পরবর্তীতে পাশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দপ্তরী ও ওই নারীকে থানায় নিয়ে যায়। জানা যায়, দপ্তরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয় এবং বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত দপ্তরী এর আগেও বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সঙ্গে অনভিপ্রেত আচরণ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাড়া অধিকাংশ শিক্ষকও দপ্তরীর অপসারণের পক্ষে মত দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে তারা উল্লেখ করেন, “এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি বিদ্যালয়ে চাকরি করলে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হবে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।”
গ্রামবাসী দ্রুত দপ্তরীর অপসারণসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর দাবি অভিযুক্ত দপ্তরীর স্থায়ী অপসারণ,ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিদ্যালয়ে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তারা আশা করছেন, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রিন্ট

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার 
মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি 




















