ঢাকা , বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo বিএনপি প্রার্থী স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন চীনা স্ত্রী Logo আপনারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেন, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের ভোট দেবেন না —ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল Logo সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদমদীঘিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা Logo গোমস্তাপুরে ভারতীয় নাগরিক রণজিৎ মন্ডলকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিল বিজিবি Logo রাজবাড়ী-২ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিল Logo ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা Logo মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক Logo ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

নোয়াখালীর সেনবাগে স্কুলের দপ্তরী পর নারীসহ হাতেনাতে আটক-গ্রামবাসীর বিক্ষোভ

অপসারণের দাবিতে আবেদন

মোহাম্মদ আবু নাছেরঃ

 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৪নং কাদরা ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের ২৯নং চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরীকে ঘিরে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যালয়ের দপ্তরী সহিদ উল্যা আরমানকে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে আটক করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে বিদ্যালয়ের ভেতরে ওই দপ্তরীকে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয় জনসাধারণ তাকে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা দপ্তরীকে বেদম মারধর করে।

পরবর্তীতে পাশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দপ্তরী ও ওই নারীকে থানায় নিয়ে যায়। জানা যায়, দপ্তরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয় এবং বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

 

গ্রামবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত দপ্তরী এর আগেও বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সঙ্গে অনভিপ্রেত আচরণ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাড়া অধিকাংশ শিক্ষকও দপ্তরীর অপসারণের পক্ষে মত দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে তারা উল্লেখ করেন, “এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি বিদ্যালয়ে চাকরি করলে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হবে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।”

 

গ্রামবাসী দ্রুত দপ্তরীর অপসারণসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর দাবি অভিযুক্ত দপ্তরীর স্থায়ী অপসারণ,ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিদ্যালয়ে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তারা আশা করছেন, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তানোরে বিশিষ্ট সমাজসেবক প্রয়াত সাত্তার স্মরণে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

error: Content is protected !!

নোয়াখালীর সেনবাগে স্কুলের দপ্তরী পর নারীসহ হাতেনাতে আটক-গ্রামবাসীর বিক্ষোভ

আপডেট টাইম : ৩ ঘন্টা আগে
মোহাম্মদ আবু নাছের, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি :

মোহাম্মদ আবু নাছেরঃ

 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৪নং কাদরা ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের ২৯নং চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরীকে ঘিরে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যালয়ের দপ্তরী সহিদ উল্যা আরমানকে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে আটক করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে বিদ্যালয়ের ভেতরে ওই দপ্তরীকে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয় জনসাধারণ তাকে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা দপ্তরীকে বেদম মারধর করে।

পরবর্তীতে পাশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দপ্তরী ও ওই নারীকে থানায় নিয়ে যায়। জানা যায়, দপ্তরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয় এবং বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

 

গ্রামবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত দপ্তরী এর আগেও বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সঙ্গে অনভিপ্রেত আচরণ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাড়া অধিকাংশ শিক্ষকও দপ্তরীর অপসারণের পক্ষে মত দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে তারা উল্লেখ করেন, “এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি বিদ্যালয়ে চাকরি করলে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হবে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।”

 

গ্রামবাসী দ্রুত দপ্তরীর অপসারণসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এলাকাবাসীর দাবি অভিযুক্ত দপ্তরীর স্থায়ী অপসারণ,ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিদ্যালয়ে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। তারা আশা করছেন, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


প্রিন্ট