ঢাকা , বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার Logo বিএনপি প্রার্থী স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন চীনা স্ত্রী Logo আপনারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেন, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের ভোট দেবেন না —ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল Logo সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদমদীঘিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা Logo গোমস্তাপুরে ভারতীয় নাগরিক রণজিৎ মন্ডলকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিল বিজিবি Logo রাজবাড়ী-২ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিল Logo ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা Logo মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক Logo ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

বগুড়া-৬ (সদর) উপ-নির্বাচন

জিয়া পরিবার ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের নাম আলোচনায়

তৃণমূলের পছন্দে এগিয়ে আলী আজগর তালুকদার হেনা

এস. এম সালমান হৃদয়:

 

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচনকে ঘিরে জেলা ও জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান ৪১ (বগুড়া-৬) সদর এবং ১৯০ (ঢাকা-১৭) আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে তার এই জয় দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে। বিশেষ করে বগুড়া-৬ আসনে তার বিজয়কে স্থানীয়রা ঐতিহ্য ও আবেগের বিজয় হিসেবে দেখেছেন।

 

তবে বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী একজন প্রার্থী একাধিক আসনে নির্বাচিত হলে তাকে একটি আসন রেখে অন্য আসনটি ছেড়ে দিতে হয়। সেই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে তারেক রহমান ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ১৯০ (ঢাকা-১৭) আসনটি রেখে বগুড়া-৬ (সদর) আসনটি ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে তিনি দেশের ১৩তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন, যা জাতীয় রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

 

বগুড়া জেলা বিএনপির জন্য এই আসনটির গুরুত্ব আলাদা মাত্রা বহন করে। কারণ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর জন্মভূমি বগুড়া। একই সঙ্গে এটি তারেক রহমানের পিতৃভূমি। ফলে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচন শুধু একটি সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়; এটি দলীয় ঐতিহ্য, আবেগ ও সাংগঠনিক শক্তির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

 

উপ-নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তৃণমূলের একটি বড় অংশ মনে করছেন, জিয়া পরিবারের কেউ প্রার্থী হলে তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে। আলোচনায় রয়েছে ডা. জোবায়দা রহমান এবং তার কন্যা জাইমা রহমান-এর নাম। অনেক নেতা-কর্মীর মতে, জিয়া পরিবারের সদস্য প্রার্থী হলে দলীয় ঐক্য ও আবেগ আরও দৃঢ় হবে এবং আসনটি মর্যাদাপূর্ণভাবে ধরে রাখা সহজ হবে।

 

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তার নাম উচ্চারিত হচ্ছে।

 

এছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাহজাহানপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু-এর নামও জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বগুড়ার রাজনীতিতে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে আসছেন।

 

বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর বিশেষ প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবুর রহমান-এর নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঘুরপাক খাচ্ছে। পাশাপাশি বর্তমান বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সদ্য সাবেক মেয়র রেজাউল করিম বাদশা-এর নামও আলোচনায় রয়েছে।

 

তবে এতসব নামের ভিড়ে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বড় একটি অংশের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে উঠে এসেছে আলী আজগর তালুকদার হেনার নাম। তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বগুড়া সদর উপজেলা পরিষদের পরপর দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় রয়েছেন।

 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়ে তিনি সংগঠনকে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে তিনি এলাকায় শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। তার প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা তাকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রেখেছে বলে মনে করছেন তৃণমূলের নেতারা।

 

তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ভাষ্য, যদি জিয়া পরিবারের কাউকে প্রার্থী করা না হয় এবং স্থানীয় নেতাদের মধ্য থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে আলী আজগর তালুকদার হেনাই তাদের প্রথম পছন্দ। তারা মনে করেন, স্থানীয়ভাবে পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় একজন নেতাকে প্রার্থী করলে দল আরও শক্ত অবস্থানে থাকবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বগুড়া-৬ (সদর) উপ-নির্বাচন বিএনপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি শুধু একটি আসনের নির্বাচন নয়; বরং এটি দলীয় কৌশল, ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতিফলন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব স্থানীয় জনমত, তৃণমূলের চাওয়া-পাওয়া এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

 

সব মিলিয়ে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচন এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। জিয়া পরিবারের কেউ নাকি স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য নেতা—এই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে তৃণমূলের জোরালো সমর্থনে আলী আজগর তালুকদার হেনার নামই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। বগুড়ার রাজনীতিতে এখন একটাই আলোচ্য বিষয়—কে হচ্ছেন ধানের শীষের পরবর্তী প্রার্থী।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

বগুড়া-৬ (সদর) উপ-নির্বাচন

জিয়া পরিবার ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের নাম আলোচনায়

আপডেট টাইম : ১৭ ঘন্টা আগে
এস. এম সালমান হৃদয়, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি :

এস. এম সালমান হৃদয়:

 

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচনকে ঘিরে জেলা ও জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান ৪১ (বগুড়া-৬) সদর এবং ১৯০ (ঢাকা-১৭) আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে তার এই জয় দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে। বিশেষ করে বগুড়া-৬ আসনে তার বিজয়কে স্থানীয়রা ঐতিহ্য ও আবেগের বিজয় হিসেবে দেখেছেন।

 

তবে বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী একজন প্রার্থী একাধিক আসনে নির্বাচিত হলে তাকে একটি আসন রেখে অন্য আসনটি ছেড়ে দিতে হয়। সেই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে তারেক রহমান ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ১৯০ (ঢাকা-১৭) আসনটি রেখে বগুড়া-৬ (সদর) আসনটি ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে তিনি দেশের ১৩তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন, যা জাতীয় রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

 

বগুড়া জেলা বিএনপির জন্য এই আসনটির গুরুত্ব আলাদা মাত্রা বহন করে। কারণ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর জন্মভূমি বগুড়া। একই সঙ্গে এটি তারেক রহমানের পিতৃভূমি। ফলে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচন শুধু একটি সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়; এটি দলীয় ঐতিহ্য, আবেগ ও সাংগঠনিক শক্তির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

 

উপ-নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তৃণমূলের একটি বড় অংশ মনে করছেন, জিয়া পরিবারের কেউ প্রার্থী হলে তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে। আলোচনায় রয়েছে ডা. জোবায়দা রহমান এবং তার কন্যা জাইমা রহমান-এর নাম। অনেক নেতা-কর্মীর মতে, জিয়া পরিবারের সদস্য প্রার্থী হলে দলীয় ঐক্য ও আবেগ আরও দৃঢ় হবে এবং আসনটি মর্যাদাপূর্ণভাবে ধরে রাখা সহজ হবে।

 

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তার নাম উচ্চারিত হচ্ছে।

 

এছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাহজাহানপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু-এর নামও জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বগুড়ার রাজনীতিতে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে আসছেন।

 

বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর বিশেষ প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবুর রহমান-এর নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঘুরপাক খাচ্ছে। পাশাপাশি বর্তমান বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সদ্য সাবেক মেয়র রেজাউল করিম বাদশা-এর নামও আলোচনায় রয়েছে।

 

তবে এতসব নামের ভিড়ে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বড় একটি অংশের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে উঠে এসেছে আলী আজগর তালুকদার হেনার নাম। তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বগুড়া সদর উপজেলা পরিষদের পরপর দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় রয়েছেন।

 

দলীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়ে তিনি সংগঠনকে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে এবং সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে তিনি এলাকায় শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। তার প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা তাকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রেখেছে বলে মনে করছেন তৃণমূলের নেতারা।

 

তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ভাষ্য, যদি জিয়া পরিবারের কাউকে প্রার্থী করা না হয় এবং স্থানীয় নেতাদের মধ্য থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে আলী আজগর তালুকদার হেনাই তাদের প্রথম পছন্দ। তারা মনে করেন, স্থানীয়ভাবে পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় একজন নেতাকে প্রার্থী করলে দল আরও শক্ত অবস্থানে থাকবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বগুড়া-৬ (সদর) উপ-নির্বাচন বিএনপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি শুধু একটি আসনের নির্বাচন নয়; বরং এটি দলীয় কৌশল, ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতিফলন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব স্থানীয় জনমত, তৃণমূলের চাওয়া-পাওয়া এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

 

সব মিলিয়ে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচন এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। জিয়া পরিবারের কেউ নাকি স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য নেতা—এই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপর। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে তৃণমূলের জোরালো সমর্থনে আলী আজগর তালুকদার হেনার নামই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। বগুড়ার রাজনীতিতে এখন একটাই আলোচ্য বিষয়—কে হচ্ছেন ধানের শীষের পরবর্তী প্রার্থী।


প্রিন্ট