নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ফরিদপুর–১ আসনের মধুখালী উপজেলার আশাপুর ভোটকেন্দ্রে রাতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্লার অবস্থানকে ঘিরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারকে প্রত্যাহার (বদলি) করা হয়েছে।
বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আশাপুর মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জামায়াতের প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্লা কেন্দ্রে প্রবেশ করে প্রায় আধাঘণ্টা প্রিজাইডিং অফিসারের সঙ্গে অবস্থান করেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন।
প্রত্যাহার হওয়া প্রিজাইডিং অফিসার হলেন মধুখালী আইনউদ্দিন কলেজের শিক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম।
এ ঘটনায় বিএনপির প্রার্থী খন্দোকার নাসিরুল ইসলাম রাত সোয়া ১টার দিকে সাতৈর বাজারে তার নিজস্ব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, ভোটের আগের রাতে একজন প্রার্থী কেন ভোটকেন্দ্রে যাবেন? তার সেখানে কী কাজ ছিল? শুধু প্রিজাইডিং অফিসারকে বদলি করলে হবে না, প্রার্থীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্লা বলেন,ভোট কারচুপির খবর পেয়ে আমি কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। তবে কিছু লোক অকারণে চিৎকার করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করেছে। সেখানে বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রওশন আরা বলেন, খবর পেয়ে কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করা হয়েছে। আইনগতভাবে আমরা প্রিজাইডিং অফিসারকে পরিবর্তন করেছি। তবে প্রার্থীর বিরুদ্ধে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রিন্ট

ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার 
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















