ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিএনপি প্রার্থী স্বামীর জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন চীনা স্ত্রী Logo আপনারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেন, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের ভোট দেবেন না —ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল Logo সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদমদীঘিতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা Logo গোমস্তাপুরে ভারতীয় নাগরিক রণজিৎ মন্ডলকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দিল বিজিবি Logo রাজবাড়ী-২ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সাইয়েদ জামিল Logo ভোলাহাটে রেশম চাষের ব্যাপক চাহিদা Logo মাদারীপুরে পরকীয়ার অভিযোগঃ ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী, অভিযুক্ত আটক Logo ফরিদপুরের ভাটি কানাইপুরে ডাকাতি সংঘটিত Logo সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে Logo মধুখালীর রায়পুর ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

জামায়াতের শক্ত ঘাটিতে চ্যালেঞ্জে বিএনপি

মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিক:

হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট, নবাবগঞ্জ ও বিরামপুর এই চার উপজেলা নিয়ে দিনাজপুর-৬ আসন গঠিত। মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৯২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৬ জন। এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৭৯ হাজার ৫৯৩ এবং তৃতীয় লিঙ্গ ১৩ জন। ৬৮৪ বর্গ কিলোমিটার এই সংসদীয় আসনে রয়েছে ৩ টি পৌরসভা ও ২৩ টি ইউনিয়ন পরিষদ। জেলার দক্ষিণে ও ভারত সীমান্তবর্তী হওয়ায় ভৌগলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ আসনটি।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে মোট ৭ জন এমপি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ, জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি মনোনীতে লাঙ্গল প্রতীকে রেজাউল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত নূর আলম সিদ্দিকী হাতপাখা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ মনোনীত মই প্রতীকে আব্দুল হাকিম, স্বতন্ত্র থেকে ফুটবল প্রতীক নিয়ে আব্দুল্লাহ ও ঘোড়া প্রতীক নিয়ে শাহনওয়াজ শুভ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

তবে এরই মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ এনে ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী শাহনওয়াজ শুভ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। হাফডজন প্রার্থী থাকলেও প্রচার প্রচারণায় বিএনপি, জামায়াত প্রার্থী ও নেতাকর্মী ছাড়া অন্য দলের কাউকে প্রচার প্রচারণায় দেখা যায় না। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা প্রতীকের মাইকে প্রচার লক্ষ্য করা গেছে। তবে কোন নেতাকর্মী বা প্রার্থীকে ভোটের মাঠে লক্ষ্য করা যায়নি।

 

স্বাধীনতা পরবর্তী এই আসনে আওয়ামীলীগ ও জামায়াতে রাজত্ব করছে। এই আসন থেকে আওয়ামীলীগ ৬ বার ও জামায়াতে ২ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছে। সেই হিসেবে আওয়ামীলীগ না থাকায় জামায়াতে রাজত্ব করার কথা। কিন্তু এবার বিএনপির হেভিওয়েট নেতা ডা. জাহিদ এই আসনে বিএনপির শক্ত হাল ধরে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। এবারে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন তিনি।

 

জনসংযোগ প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। সেই সাথে দম ফেলার সময় নেই নেতাকর্মীর। কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। শতভাগ বিজয়ের আশা তাদের। কর্মীরা বলছেন তিনি নির্বাচিত হলে এই আসন থেকে মন্ত্রী হবেন। যেটি হবে এই আসনের প্রথম মন্ত্রী। মন্ত্রী হলে রাস্তাঘাট, অবকাঠামো, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাঙ্খিত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগবে। গড়ে উঠবে কলকারখানা, কর্মসংস্থান ব্যবস্থা হবে হাজারো বেকারের।

 

এদিকে আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া জামায়াতে। জয়ের আশা শতভাগ, কারণ ২০০৮ সালে নবম জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে এক হাজারেরও কম ভোটে পরাজিত হয় বর্তমান জামায়াতের প্রার্থী। তারা বলছেন এই এলাকার মানুষ ন্যায়ের পক্ষে। জামায়াত দল সবসময় ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে থাকে। তাই ভোটাররা এবার ভুল করবেন না। বিপুল ভোটে জয়লাভের আশা।

 

উভয় প্রার্থীর প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ির মধ্যে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর হিলি স্থলবন্দরের রাস্তাঘাট ও বন্দরের ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারে বেশ সজাগ।

 

হাকিমপুর উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, ২০০১, ২০০৯ ও ২০১৮ সালে বিএনপি-জামায়াতের ঐক্য জোটের পক্ষে জামায়াতের এমপি প্রার্থী ছিলেন। সে সময়গুলোতে বিএনপি নেতাকর্মীরা জামায়াতের পক্ষে কাজ করেছেন।

 

এই আসনে বিএনপির ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে নির্বাচন করছেন। জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিএনপিকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবেন। এবং এই আসনের প্রার্থী ডা. জাহিদ জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠজন, বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি এমপি নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হবেন। এই এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হবে।

 

এদিকে হাকিমপুর উপজেলা জামায়াতে আমীর আমিনুল ইসলাম বিএনপি প্রার্থী ডা. জাহিদকে ইঙ্গিত করে বলেন, তিনি নির্বাচন উপলক্ষে এই আসনে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে উন্নয়নের অঙ্গীকার করছেন। এর আগে সুখ-দুঃখে এলাকার জনগণ তাঁকে পাশে পাননি। জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম বিগত ১৭ বছর যাবৎ এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে ছিলেন। প্রত্যেক পাড়া মহল্লার শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলে তাঁকে ভালো মানুষ হিসেবে জানেন। এবারে ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লা বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। শুধু এই আসনে নয় সারা দেশে দাঁড়িপাল্লার জোয়ার বইছে।

 

উপজেলার দক্ষিণ বাসুদবেপুর মহল্লার এক ভোটার জানান, এই আসন থেকে জামায়াতে ও আওয়ামীলীগের এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু এলাকার রাস্তাঘাট, অবকাঠামোতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ডা. জাহিদ এই আসন থেকে নির্বাচিত হলে তিনি মন্ত্রী হতে পারেন। তাই এবার আর ভুল করবেন না, তিনি ধানের শীষে ভোট দেবেন।

 

জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রচার প্রচারণায় জনগণের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি মাত্র ৮৫৮ ভোটে পরাজিত হয়েছেন। এই সামান্য ভোটের ব্যবধানকে পরাজয় বলবো না। প্রতীকী অর্থে তিনি বলেন, এবার এত পরিমাণ দাঁড়িপাল্লায় ভোট পড়বে যে দাঁড়িপাল্লায় ওজন করে শেষ করা যাবে না।

 

এদিকে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আমাকে এই আসনে মনোনীত করেছেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আশা করি জনগণ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করবেন।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (প্রেস) আরিফুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্টিত

error: Content is protected !!

জামায়াতের শক্ত ঘাটিতে চ্যালেঞ্জে বিএনপি

আপডেট টাইম : ৯ ঘন্টা আগে
মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিক, হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :

মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী কৌশিক:

হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট, নবাবগঞ্জ ও বিরামপুর এই চার উপজেলা নিয়ে দিনাজপুর-৬ আসন গঠিত। মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৯২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৬ জন। এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৭৯ হাজার ৫৯৩ এবং তৃতীয় লিঙ্গ ১৩ জন। ৬৮৪ বর্গ কিলোমিটার এই সংসদীয় আসনে রয়েছে ৩ টি পৌরসভা ও ২৩ টি ইউনিয়ন পরিষদ। জেলার দক্ষিণে ও ভারত সীমান্তবর্তী হওয়ায় ভৌগলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ আসনটি।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে মোট ৭ জন এমপি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ, জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি মনোনীতে লাঙ্গল প্রতীকে রেজাউল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত নূর আলম সিদ্দিকী হাতপাখা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ মনোনীত মই প্রতীকে আব্দুল হাকিম, স্বতন্ত্র থেকে ফুটবল প্রতীক নিয়ে আব্দুল্লাহ ও ঘোড়া প্রতীক নিয়ে শাহনওয়াজ শুভ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

তবে এরই মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ এনে ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী শাহনওয়াজ শুভ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। হাফডজন প্রার্থী থাকলেও প্রচার প্রচারণায় বিএনপি, জামায়াত প্রার্থী ও নেতাকর্মী ছাড়া অন্য দলের কাউকে প্রচার প্রচারণায় দেখা যায় না। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখা প্রতীকের মাইকে প্রচার লক্ষ্য করা গেছে। তবে কোন নেতাকর্মী বা প্রার্থীকে ভোটের মাঠে লক্ষ্য করা যায়নি।

 

স্বাধীনতা পরবর্তী এই আসনে আওয়ামীলীগ ও জামায়াতে রাজত্ব করছে। এই আসন থেকে আওয়ামীলীগ ৬ বার ও জামায়াতে ২ বার এমপি নির্বাচিত হয়েছে। সেই হিসেবে আওয়ামীলীগ না থাকায় জামায়াতে রাজত্ব করার কথা। কিন্তু এবার বিএনপির হেভিওয়েট নেতা ডা. জাহিদ এই আসনে বিএনপির শক্ত হাল ধরে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। এবারে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন তিনি।

 

জনসংযোগ প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। সেই সাথে দম ফেলার সময় নেই নেতাকর্মীর। কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। শতভাগ বিজয়ের আশা তাদের। কর্মীরা বলছেন তিনি নির্বাচিত হলে এই আসন থেকে মন্ত্রী হবেন। যেটি হবে এই আসনের প্রথম মন্ত্রী। মন্ত্রী হলে রাস্তাঘাট, অবকাঠামো, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাঙ্খিত উন্নয়নের ছোঁয়া লাগবে। গড়ে উঠবে কলকারখানা, কর্মসংস্থান ব্যবস্থা হবে হাজারো বেকারের।

 

এদিকে আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া জামায়াতে। জয়ের আশা শতভাগ, কারণ ২০০৮ সালে নবম জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে এক হাজারেরও কম ভোটে পরাজিত হয় বর্তমান জামায়াতের প্রার্থী। তারা বলছেন এই এলাকার মানুষ ন্যায়ের পক্ষে। জামায়াত দল সবসময় ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে থাকে। তাই ভোটাররা এবার ভুল করবেন না। বিপুল ভোটে জয়লাভের আশা।

 

উভয় প্রার্থীর প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ির মধ্যে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর হিলি স্থলবন্দরের রাস্তাঘাট ও বন্দরের ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারে বেশ সজাগ।

 

হাকিমপুর উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, ২০০১, ২০০৯ ও ২০১৮ সালে বিএনপি-জামায়াতের ঐক্য জোটের পক্ষে জামায়াতের এমপি প্রার্থী ছিলেন। সে সময়গুলোতে বিএনপি নেতাকর্মীরা জামায়াতের পক্ষে কাজ করেছেন।

 

এই আসনে বিএনপির ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে নির্বাচন করছেন। জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিএনপিকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবেন। এবং এই আসনের প্রার্থী ডা. জাহিদ জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠজন, বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি এমপি নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হবেন। এই এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হবে।

 

এদিকে হাকিমপুর উপজেলা জামায়াতে আমীর আমিনুল ইসলাম বিএনপি প্রার্থী ডা. জাহিদকে ইঙ্গিত করে বলেন, তিনি নির্বাচন উপলক্ষে এই আসনে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে উন্নয়নের অঙ্গীকার করছেন। এর আগে সুখ-দুঃখে এলাকার জনগণ তাঁকে পাশে পাননি। জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম বিগত ১৭ বছর যাবৎ এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে ছিলেন। প্রত্যেক পাড়া মহল্লার শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলে তাঁকে ভালো মানুষ হিসেবে জানেন। এবারে ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লা বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। শুধু এই আসনে নয় সারা দেশে দাঁড়িপাল্লার জোয়ার বইছে।

 

উপজেলার দক্ষিণ বাসুদবেপুর মহল্লার এক ভোটার জানান, এই আসন থেকে জামায়াতে ও আওয়ামীলীগের এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু এলাকার রাস্তাঘাট, অবকাঠামোতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ডা. জাহিদ এই আসন থেকে নির্বাচিত হলে তিনি মন্ত্রী হতে পারেন। তাই এবার আর ভুল করবেন না, তিনি ধানের শীষে ভোট দেবেন।

 

জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রচার প্রচারণায় জনগণের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি মাত্র ৮৫৮ ভোটে পরাজিত হয়েছেন। এই সামান্য ভোটের ব্যবধানকে পরাজয় বলবো না। প্রতীকী অর্থে তিনি বলেন, এবার এত পরিমাণ দাঁড়িপাল্লায় ভোট পড়বে যে দাঁড়িপাল্লায় ওজন করে শেষ করা যাবে না।

 

এদিকে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আমাকে এই আসনে মনোনীত করেছেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আশা করি জনগণ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করবেন।


প্রিন্ট