আসাদুর রহমান হাবিবঃ
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বোতলজাত এলপি জি গ্যাসের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়াই বিপাকে পড়েছেন খুচরা ক্রেতারা।
সরকার নির্ধারিত দাম ঘোষণা করলেও মানছেন না ছোট বড় ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা আগের তুলনায় ১২ কেজি এলপি জি গ্যাসের দাম কোথাও ১৪শত ৫০ টাকা কোথাও নিচ্ছে ১৪শত ৬০থেকে ৭০টাকা দাম বেশি নিলেও প্রয়োজনে বাধ্যতামূলক নিতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
ক্রেতারা বলেছেন প্রতিটি খুচরা দোকানে আগের দামের তুলনায় বোতল প্রতি দাম বেশি নিচ্ছে ১শত ৫০ থেকে ১শত ৬০টাকা।
ক্রেতারা আরও জানান দোকানদারদের দাম বেশির বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তাঁরা ডিলারদের রিসিভ দেখাচ্ছেন এবং রিসিভের তুলনায় বোতল প্রতি লাভ নিচ্ছেন ৬০থেকে ৭০ টাকা ১৩ শত টাকার ১২ কেজি এলপি জি গ্যাস ১৪শত ৫০ থেকে ১৪শত ৬০ টাকা দাম নিচ্ছে এসব কি প্রশাসনের নজরে আসে না এই সিন্ডিকেটের মূল কোথায় প্রশাসনের খতিয়ে দেখা উচিৎ বলে মনে করছেন খুচরা ক্রেতারা।
তবে ক্রেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন সিএনজি চালকরা তাঁরা বলছেন ভাড়া বাড়তি চায়লে পেসেঞ্জার রাগ করে কিন্তু গ্যাসের দাম ঊর্ধ্বমুখী তাঁতে করে আমাদের চলাফেরা মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে ঘার্তীতে পড়ার কথাও জানান চালকরা।
এ বিষয়ে দোকানদারদের সাথে কথা বললে তাঁরা জানান ডিলাররা বোতলজাত গ্যাস সংকটের কথা জানাচ্ছেন এবং যমুনা বসুন্ধরা আই গ্যাস সহ সব কম্পানির ডিলার পাইকারি দাম বাড়িয়েছেন বোতল প্রতি ৯০থেকে ১শত টাকা বেশি নিচ্ছেন আমরা খুচরা দোকানদার বোতল প্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা লাভ নিয়ে খুচরা ক্রেতাদের কাছে বিক্রয় করছি তারপরও চাহিদার তুলনায় বোতলজাত গ্যাস কম দেয়ার কথাও জানান খুচরা ব্যবসায়ীরা।
প্রিন্ট

সদরপুরে নিম্ম আয়ের মানুষের ভীড় বাড়ছে ফুটপাতের পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানে 
আসাদুর রহমান হাবিব, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি 



















