ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় একটি ব্যাটারী চালিত অটো আটক করাকে কেন্দ্র করে গভীর রাত পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। এসময় বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। রবিবার (৩ এপ্রিল) উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় রাত ১০ টা থেকে শুরু হয়ে রাত ২টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলে। জানা যায়, উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মাদ্রাসা মোড় নামক এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষ পরে কানাইড়, চালতা তলা ব্রিজ ও ঝুঁনাখালী এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।এলাকায় এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আরও পড়ুনঃ ৭ বছর পর ফিরে পেলেন বাবাকে, এলাকায় আনন্দের বণ্যা স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের ইউপি সদস্য নুরু মাতুব্বর নামের এক ব্যক্তির লোকজন ওই এলাকার ইয়াকুব মাতুব্বর নামের অপর এক ব্যক্তির সমর্থকের একটি ব্যাটারী চালিত অটো আটক করে। পরে এঘটনা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হলে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রাত ১০ টা থেকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ রাত ২ টা পর্যন্ত একটানা চলে। এসময় বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসিকুজ্জামান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হয়েছে। আপাতত পরিবেশ শান্ত রয়েছে। তবে সংঘর্ষ এড়াতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় একটি ব্যাটারী চালিত অটো আটক করাকে কেন্দ্র করে গভীর রাত পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। এসময় বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়।
রবিবার (৩ এপ্রিল) উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় রাত ১০ টা থেকে শুরু হয়ে রাত ২টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলে।
জানা যায়, উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের মাদ্রাসা মোড় নামক এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষ পরে কানাইড়, চালতা তলা ব্রিজ ও ঝুঁনাখালী এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।এলাকায় এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের ইউপি সদস্য নুরু মাতুব্বর নামের এক ব্যক্তির লোকজন ওই এলাকার ইয়াকুব মাতুব্বর নামের অপর এক ব্যক্তির সমর্থকের একটি ব্যাটারী চালিত অটো আটক করে।
পরে এঘটনা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হলে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রাত ১০ টা থেকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ রাত ২ টা পর্যন্ত একটানা চলে। এসময় বাড়ি-ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসিকুজ্জামান বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হয়েছে। আপাতত পরিবেশ শান্ত রয়েছে। তবে সংঘর্ষ এড়াতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।