ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

৬ শিক্ষার্থী, ১১ শিক্ষক-কর্মচারী: সেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজ

জাতীয় ডেস্ক: রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার গুর্জিপাড়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে তীব্র অসঙ্গতি এবং প্রশাসনিক গাফিলতির গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাত্র ছয়জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতির চিত্র এবং মূল ফটক বন্ধ থাকার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসার পর নড়েচড়ে বসে স্থানীয় শিক্ষা বিভাগ এবং প্রধান শিক্ষককে আনুষ্ঠানিক কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অব্যবস্থাপনার কারণে বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ৩ নভেম্বর অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে এই শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সাংবাদিকেরা বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে দেখতে পান প্রধান ফটকটি বন্ধ রয়েছে এবং ভেতরে মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষার্থী উপস্থিত আছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে অত্যন্ত অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়, যা প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে গত দেড় বছর ধরে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রমে কোনো ধরনের দৃশ্যমান উন্নতি ঘটেনি। উল্টো নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও প্রধান শিক্ষক তা রোধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। এর আগে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে একাধিকবার সতর্ক করা সত্ত্বেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। প্রধান শিক্ষকের নিয়মিত অনুপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলার বিষয়টিও নোটিশে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়।

এসব অনিয়মের জন্য কেন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার সন্তোষজনক লিখিত ব্যাখ্যা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাঁর কোনো বক্তব্য গ্রহণযোগ্য হবে না বলে সতর্ক করা হয়েছে। এদিকে প্রশাসনের এই পদক্ষেপে স্থানীয় সচেতন মহলে স্বস্তি ফিরলেও, কেবল নোটিশেই সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজকল্যাণেও এগিয়ে প্রথম আলো: আরিফ দৌলা

error: Content is protected !!

৬ শিক্ষার্থী, ১১ শিক্ষক-কর্মচারী: সেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে শোকজ

আপডেট টাইম : ২৮ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

জাতীয় ডেস্ক: রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার গুর্জিপাড়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে তীব্র অসঙ্গতি এবং প্রশাসনিক গাফিলতির গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাত্র ছয়জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতির চিত্র এবং মূল ফটক বন্ধ থাকার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসার পর নড়েচড়ে বসে স্থানীয় শিক্ষা বিভাগ এবং প্রধান শিক্ষককে আনুষ্ঠানিক কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অব্যবস্থাপনার কারণে বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ৩ নভেম্বর অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে এই শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সাংবাদিকেরা বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে দেখতে পান প্রধান ফটকটি বন্ধ রয়েছে এবং ভেতরে মাত্র হাতে গোনা কয়েকজন শিক্ষার্থী উপস্থিত আছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষকের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে অত্যন্ত অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়, যা প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে গত দেড় বছর ধরে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রমে কোনো ধরনের দৃশ্যমান উন্নতি ঘটেনি। উল্টো নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও প্রধান শিক্ষক তা রোধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। এর আগে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে একাধিকবার সতর্ক করা সত্ত্বেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। প্রধান শিক্ষকের নিয়মিত অনুপস্থিতি এবং দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলার বিষয়টিও নোটিশে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়।

এসব অনিয়মের জন্য কেন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার সন্তোষজনক লিখিত ব্যাখ্যা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাঁর কোনো বক্তব্য গ্রহণযোগ্য হবে না বলে সতর্ক করা হয়েছে। এদিকে প্রশাসনের এই পদক্ষেপে স্থানীয় সচেতন মহলে স্বস্তি ফিরলেও, কেবল নোটিশেই সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।