আপডেট টাইম :
১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
৩৫১
বার পঠিত
১২৭ বছরের আধ্যত্মিক সাধক আব্দুল খালেক মুন্সি (ডক সাহেব) মারা গেছেন
বিশ্ব স্মৃতি কাদের মঞ্জিল পাক দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ইচাপাশা গ্রামের বাসিন্দা আলফাডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক প্রথম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত শাহসূফী আব্দুল খালেক মুন্সি কাদরিয়া আধ্যত্মিক সাধক (ডক সাহেব) মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ১২৭ বছর বয়সে মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাতে সাড়ে ৮ টায় বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে মারা যান (ইন্নালিল্লাহি ..........রাজিউন। ডক্ সাহেবের স্ত্রী, দুই ছেলে ও চার মেয়েসহ অনেক ভক্তবৃন্দ ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বুধবার দুপুরে জানাজা শেষে তাঁর লাশ নিজ বাড়িতে দাফন করা হবে। জানা যায়,আব্দুল খালেক মুন্সি (ডক্ সাহেব) ১৯৭৩ সালে আলফাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। আরও পড়ুনঃ গোয়ালন্দ ভুল নাম্বারে হতদরিদ্র কর্মসূচির টাকা, উদ্ধার করে দিলো পুলিশ প্রায় চার যুগের বেশী সময় ধরে তাঁর নিজ বাড়ি আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ইচাপাশা গ্রামে গড়ে তোলেন বিশ্ব স্মৃতি কাদের মঞ্জিল পাক দরবার শরীফ। প্রতি সপ্তাহের বুধবারে ডক্ সাহেবের সাপ্তাহিক জলসা এবং প্রতিবছর বাংলা ২০ই ফাল্গুন হতে ২৪ই ফাল্গুন হাজার হাজার ভক্তদের আগমনের মধ্য দিয়ে পাঁচদিন ব্যাপী বাৎসরিক ওরশ অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর ওরশ অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
বিশ্ব স্মৃতি কাদের মঞ্জিল পাক দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ইচাপাশা গ্রামের বাসিন্দা আলফাডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক প্রথম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত শাহসূফী আব্দুল খালেক মুন্সি কাদরিয়া আধ্যত্মিক সাধক (ডক সাহেব) মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ১২৭ বছর বয়সে মারা গেছেন।
মঙ্গলবার রাতে সাড়ে ৮ টায় বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে মারা যান (ইন্নালিল্লাহি ……….রাজিউন।
ডক্ সাহেবের স্ত্রী, দুই ছেলে ও চার মেয়েসহ অনেক ভক্তবৃন্দ ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বুধবার দুপুরে জানাজা শেষে তাঁর লাশ নিজ বাড়িতে দাফন করা হবে।
জানা যায়,আব্দুল খালেক মুন্সি (ডক্ সাহেব) ১৯৭৩ সালে আলফাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।
প্রায় চার যুগের বেশী সময় ধরে তাঁর নিজ বাড়ি আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ইচাপাশা গ্রামে গড়ে তোলেন বিশ্ব স্মৃতি কাদের মঞ্জিল পাক দরবার শরীফ। প্রতি সপ্তাহের বুধবারে ডক্ সাহেবের সাপ্তাহিক জলসা এবং প্রতিবছর বাংলা ২০ই ফাল্গুন হতে ২৪ই ফাল্গুন হাজার হাজার ভক্তদের আগমনের মধ্য দিয়ে পাঁচদিন ব্যাপী বাৎসরিক ওরশ অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর ওরশ অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই চলে গেলেন না ফেরার দেশে।