ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

সোনালী আঁশে কৃষকের স্বপ্ন ভঙ্গ

ফরিদপুরের সদরপুরে চলতি মৌসুমে পাটের ফলন ভালো হলেও বর্তমান বাজার মূল্য নিয়ে অসন্তোষ চাষীরা। গত বছর প্রতি মণ পাট ৩ থেকে ৪ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২৩ থেকে ২৫শত টাকায় নেমে এসেছে। পাট রোপণ থেকে বাজারজাত করণ পর্যন্ত বিঘা প্রতি খরচের তুলনায় ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না চাষীরা।

উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পাট চাষী মিরাজুল ইসলাম জানান, তারা প্রতি বিঘা জমিতে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ করে সর্বোচ্চ ১৫ মণ পাট উৎপাদন হয়। বর্তমানে বাজারে পাটের যে দাম আগামীতে উপজেলায় পাট চাষ অনেকটা কমে যাবে।

উপজেলার ভাষাণচরের চাষী আবুল কালাম জানান, গতবারের তুলনায় এবছর পাট চাষে খরচ বেশী হয়েছে। খরচের তুলনায় বাজারে দাম অনেক কম। অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পাট মজুদ করছে। প্রশাসনের উচিত পাটের বাজার মনিটরিং করা। বাজারে পাটের দাম এমন হলে ভবিষ্যতে চাষীরা আর পাট চাষ থেকে সরে আসবে।

উপজেলার কৃষ্ণপুর বাজারের পাট ব্যবসায়ী আ. ছামাদ বলেন, বর্তমানে দেশে পাটের চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশী বলে হয়তো পাটের দাম কম হতে পারে। বর্তমানে আমরা ২২-২৪ টাকা দরে পাট কিনছি। তিনি বলেন, আমরা ছোট ব্যবসায়ী। বড় বড় ব্যবসায়ীরা পাট মজুদ করে।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিটুল রায়ের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এ বছর উপজেলায় ৬ হাজার ৫২৮ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। অনাবৃষ্টি, রাসায়নিক সার ও জালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে। তবে বাজার দামে গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি নারী

error: Content is protected !!

সোনালী আঁশে কৃষকের স্বপ্ন ভঙ্গ

আপডেট টাইম : ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৩
মোঃ হুমায়ুন কবির তুহিন, সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :

ফরিদপুরের সদরপুরে চলতি মৌসুমে পাটের ফলন ভালো হলেও বর্তমান বাজার মূল্য নিয়ে অসন্তোষ চাষীরা। গত বছর প্রতি মণ পাট ৩ থেকে ৪ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২৩ থেকে ২৫শত টাকায় নেমে এসেছে। পাট রোপণ থেকে বাজারজাত করণ পর্যন্ত বিঘা প্রতি খরচের তুলনায় ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না চাষীরা।

উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের পাট চাষী মিরাজুল ইসলাম জানান, তারা প্রতি বিঘা জমিতে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ করে সর্বোচ্চ ১৫ মণ পাট উৎপাদন হয়। বর্তমানে বাজারে পাটের যে দাম আগামীতে উপজেলায় পাট চাষ অনেকটা কমে যাবে।

উপজেলার ভাষাণচরের চাষী আবুল কালাম জানান, গতবারের তুলনায় এবছর পাট চাষে খরচ বেশী হয়েছে। খরচের তুলনায় বাজারে দাম অনেক কম। অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পাট মজুদ করছে। প্রশাসনের উচিত পাটের বাজার মনিটরিং করা। বাজারে পাটের দাম এমন হলে ভবিষ্যতে চাষীরা আর পাট চাষ থেকে সরে আসবে।

উপজেলার কৃষ্ণপুর বাজারের পাট ব্যবসায়ী আ. ছামাদ বলেন, বর্তমানে দেশে পাটের চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশী বলে হয়তো পাটের দাম কম হতে পারে। বর্তমানে আমরা ২২-২৪ টাকা দরে পাট কিনছি। তিনি বলেন, আমরা ছোট ব্যবসায়ী। বড় বড় ব্যবসায়ীরা পাট মজুদ করে।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিটুল রায়ের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এ বছর উপজেলায় ৬ হাজার ৫২৮ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। অনাবৃষ্টি, রাসায়নিক সার ও জালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়েছে। তবে বাজার দামে গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম।