ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

সাজানো মামলায় পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্তে সিআইডি

রনি আহমেদ রাজুঃ

 

মাগুরাতে মিথ্যা মামলায় আটক করে পুলিশি নির্যাতন ও দীর্ঘ ১৬৮ দিন বিনাবিচারে কারাবন্দি রাখার অভিযোগে মাগুরার তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি), ইউএনও, ওসি সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতা ফয়সাল রুমন।
মামলাটি গত ৩০ জুন মাগুরা সদর আমলি আদালতে দায়ের করা হলে আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুল ইসলাম তা আমলে নিয়ে ১ জুলাই (মঙ্গলবার) তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।

 

বাদী ফয়সাল রুমনের দাবি, ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ‘কটাক্ষ’ করা ছবি ফেসবুকে পোস্টের অভিযোগ এনে তাকে আটক করা হয়। ১৮ আগস্ট তৎকালীন ইউএনও আবু সুফিয়ান তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
পরবর্তীতে পুলিশ হেফাজতে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়, যার ফলে তার স্পাইনাল কর্ড এবং মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরদিন তার নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে তাকে ১৬৮ দিন বিনাবিচারে কারাবন্দি রাখা হয়।
রুমনের অভিযোগ, এই ঘটনার ফলে তিনি স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে যান এবং সরকারি চাকরির সুযোগ হারান। তিনি এই ঘটনার জন্য ৫০ কোটি টাকার মানহানি দাবি করেছেন।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী কাজী মিনহাজ উদ্দিন জানান, একটি মিথ্যা মামলা সাজিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফয়সাল রুমনের জীবন ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তৎকালীন পুলিশ সুপার খান মোঃ রেজোয়ান, সদর ইউএনও আবু সুফিয়ান, সদর থানার ওসি মোঃ সিরাজুল ইসলাম, এসআই আল এমরান, এসআই বিশ্বজিত, কনস্টেবল পার্থ রায়, জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক ফজলুর রহমান, তৎকালীন জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মীর মেহেদী হাসান রুবেল, আওয়ামী লীগ কর্মী মুরাদুজ্জামান মুরাদের বিরুদ্ধে যথাযথ বিচার চাওয়া হয়েছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী

error: Content is protected !!

সাজানো মামলায় পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্তে সিআইডি

আপডেট টাইম : ০১:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
রনি আহমেদ রাজু, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি :

রনি আহমেদ রাজুঃ

 

মাগুরাতে মিথ্যা মামলায় আটক করে পুলিশি নির্যাতন ও দীর্ঘ ১৬৮ দিন বিনাবিচারে কারাবন্দি রাখার অভিযোগে মাগুরার তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি), ইউএনও, ওসি সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতা ফয়সাল রুমন।
মামলাটি গত ৩০ জুন মাগুরা সদর আমলি আদালতে দায়ের করা হলে আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুল ইসলাম তা আমলে নিয়ে ১ জুলাই (মঙ্গলবার) তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।

 

বাদী ফয়সাল রুমনের দাবি, ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ‘কটাক্ষ’ করা ছবি ফেসবুকে পোস্টের অভিযোগ এনে তাকে আটক করা হয়। ১৮ আগস্ট তৎকালীন ইউএনও আবু সুফিয়ান তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
পরবর্তীতে পুলিশ হেফাজতে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়, যার ফলে তার স্পাইনাল কর্ড এবং মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরদিন তার নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে তাকে ১৬৮ দিন বিনাবিচারে কারাবন্দি রাখা হয়।
রুমনের অভিযোগ, এই ঘটনার ফলে তিনি স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে যান এবং সরকারি চাকরির সুযোগ হারান। তিনি এই ঘটনার জন্য ৫০ কোটি টাকার মানহানি দাবি করেছেন।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী কাজী মিনহাজ উদ্দিন জানান, একটি মিথ্যা মামলা সাজিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফয়সাল রুমনের জীবন ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তৎকালীন পুলিশ সুপার খান মোঃ রেজোয়ান, সদর ইউএনও আবু সুফিয়ান, সদর থানার ওসি মোঃ সিরাজুল ইসলাম, এসআই আল এমরান, এসআই বিশ্বজিত, কনস্টেবল পার্থ রায়, জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক ফজলুর রহমান, তৎকালীন জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মীর মেহেদী হাসান রুবেল, আওয়ামী লীগ কর্মী মুরাদুজ্জামান মুরাদের বিরুদ্ধে যথাযথ বিচার চাওয়া হয়েছে।