আপডেট টাইম :
০১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১
৩৫১
বার পঠিত
ফরিদপুরের সদরপুরে প্রথম দিনে কঠোর ভাবে লকডাউন পালিত।
সদরপুরে কঠোর ভাবে লকডাউন পালিত
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ৭ দিনের লকডাউনের গতকাল প্রথম দিনে কঠোর ভাবে পালিত হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের নিরাপত্তা চাদরে গোটা সদরপুরকে ঢেকে রাখচ্ছে। বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে কোন ধরণের যানবাহন প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখছে উপজেলা প্রশাসন। করোনা সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৩০ জুন রাত ১২ টা পর্যন্ত এক সপ্তাহের জন্য উপজেলা সদর ইউনিয়নে লকডাউন বলবদ থাকছে। এর আগে গত বুধবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরী সভার মাধ্যমে এ লকডাউনের ঘোষনা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূরবী গোলদার। লক ডাউনে জরুরী সেবা ছাড়া সব কিছু বন্ধ থাকবে। যারা লকডাউন মানবেনা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূরবী গোলদার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুব্রত গোলদার। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ ওমর ফয়সল জানান, গত বুধবার এখানে ১৬ জন রোগীর করোনা সন্দেহে নমুনা পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রিপোটে করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে ৯ জনের দেহে।
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ৭ দিনের লকডাউনের গতকাল প্রথম দিনে কঠোর ভাবে পালিত হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের নিরাপত্তা চাদরে গোটা সদরপুরকে ঢেকে রাখচ্ছে। বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে কোন ধরণের যানবাহন প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখছে উপজেলা প্রশাসন।
করোনা সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৩০ জুন রাত ১২ টা পর্যন্ত এক সপ্তাহের জন্য উপজেলা সদর ইউনিয়নে লকডাউন বলবদ থাকছে।
এর আগে গত বুধবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরী সভার মাধ্যমে এ লকডাউনের ঘোষনা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূরবী গোলদার। লক ডাউনে জরুরী সেবা ছাড়া সব কিছু বন্ধ থাকবে।
যারা লকডাউন মানবেনা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূরবী গোলদার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুব্রত গোলদার।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ ওমর ফয়সল জানান, গত বুধবার এখানে ১৬ জন রোগীর করোনা সন্দেহে নমুনা পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রিপোটে করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে ৯ জনের দেহে।