রাজনীতি ডেস্ক: পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়েছেন ইশরাক হোসেন। নির্ধারিত সময়ের প্রায় আধঘণ্টা আগেই শত শত নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। দুপুরবেলা একটি কালো রঙের গাড়িতে করে তিনি ফটক দিয়ে ঢোকার পর থেকেই সেখানে উপস্থিত কর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
এ সময় ইশরাক হোসেনের অনুসারী ও নেতাকর্মীরা তাঁর সমর্থনে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে প্রেসক্লাব চত্ত্বর মুখরিত করে তোলেন। তাদের অনেকের হাতে ফুলের তোড়াও দেখা গেছে এবং তারা নানা স্লোগানের মাধ্যমে নিজেদের নেতার প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। সংবাদকর্মীরা ও নেতাকর্মীরা তাঁকে ঘিরে ধরলে একপর্যায়ে তিনি সকলের মধ্য দিয়ে হেঁটে প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় অবস্থিত আবদুস সালাম হলের দিকে এগিয়ে যান। এমনকি হলের ভেতরে প্রবেশ করার পরও নেতাকর্মীরা সেখানে অবস্থান নিয়ে উচ্চস্বরে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজের পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা আগাম জানিয়ে দিয়েছিলেন। ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন যে, তিনি আর মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য হিসেবে নয়, বরং সাধারণ একজন কর্মী হিসেবে দেশ ও দলের কল্যাণে কাজ করে যাবেন। বিশেষ করে মাদকের বিরুদ্ধে তার লড়াই আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং যুবসমাজকে মাদকমুক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেন।
সম্প্রতি রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় অস্ত্র উঁচিয়ে একটি মাদকবিরোধী কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাঁকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। ফলশ্রুতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেই তিনি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন 
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : 





















