আপডেট টাইম :
০৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩
২৩৭
বার পঠিত
শিবগঞ্জে হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে আট বছর আগের একটি হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা। অনাদায়ে আরো ৫ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রবিউল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার মর্দানা তেতুলিয়াা গ্রামের ইসমাইল হোসেন, চকপাড়াার মোহাম্মদ শহীদ, তসিকুল ইসলাম ও ঘুনপাড়ার মুকুল। অতিরিক্ত পিপি রবিউল ইসলাম জানান, ২০১৫ সালের ১৫ আগস্ট এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আসামিরা রবিউল ইসলাম নামে এক যুবককে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। আরও পড়ুনঃ ভোটকক্ষ থেকে লাইভ করা যাবে না, নেওয়া যাবে না সাক্ষাৎকারও ওইদিন রাতে নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম বাদি হয়ে ২৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২০-৩০ জনকে আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শিবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মাসুদ রানা দশজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য প্রামাণ শেষে আদালত চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদ- দেন। মামলার অপর আসামিদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে আট বছর আগের একটি হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা। অনাদায়ে আরো ৫ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রবিউল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার মর্দানা তেতুলিয়াা গ্রামের ইসমাইল হোসেন, চকপাড়াার মোহাম্মদ শহীদ, তসিকুল ইসলাম ও ঘুনপাড়ার মুকুল। অতিরিক্ত পিপি রবিউল ইসলাম জানান, ২০১৫ সালের ১৫ আগস্ট এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আসামিরা রবিউল ইসলাম নামে এক যুবককে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।
ওইদিন রাতে নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম বাদি হয়ে ২৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২০-৩০ জনকে আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শিবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মাসুদ রানা দশজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য প্রামাণ শেষে আদালত চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদ- দেন। মামলার অপর আসামিদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।