আপডেট টাইম :
১১:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অগাস্ট ২০২৪
১৯৫
বার পঠিত
রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে ট্রাফিক কার্যক্রম
রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে ট্রাফিক কার্যক্রম। সাধারণ মানুষ যেন কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং শহরে যাতে যানজট সৃষ্টি না হয় সেটাই আমাদের লক্ষ্য। কথাগুলি বললেন সাইম নামক এক শিক্ষার্থী। আজ সকালে মুজিব সড়কে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার মত অনেক শিক্ষার্থী এই দায়িত্বটি যথাযথভাবে পালন করছে। তাদের সাথে রয়েছে বিভিন্ন সংগঠন ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স আনসার ও ভিডিপির সদস্যবৃন্দ। তবে এদিন খালি মাথায় দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায় তাকে। শিক্ষার্থীরা জানান এ ধরনের কাজটা তারা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন এবং কাজটা উপভোগ করছেন । শিক্ষার্থীরা জানান, তারা প্রথম দিন থেকেই পথচারীদের এবং সর্বস্তরের জনগণের রাস্তায় চলাচলের জন্য কাজ করে আসছেন। তারা বলেন, এখন ট্রাফিক পুলিশ নেই তাই বলে তো আর সাধারণ মানুষের চলাফেরা বন্ধ হতে পারে না। আর তাই তারা এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে যাচ্ছেন। এদিকে সাধারণ জনগণ ও তাদের এই কাজে উৎসাহ জোগাচ্ছেন। কেউ তাদের জন্য সকালের খাবার, পানি এসবের ব্যবস্থা করছেন। অন্যরা ব্যবস্থা করছেন দুপুরের খাবারের। আরও পড়ুনঃ হাতিয়া উপজেলায় গায়েবানা জানাযা ও দোয়ার আয়োজন করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রথম দুইদিন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও রাজনৈতিক সংগঠন তাদের খাবার দিলেও বর্তমানে গত ২-৩ দিন সাধারণ জনগন তাদের মধ্য খাদ্য সামগ্রী দিচ্ছেন। সর্বোপরি বলে চলে তাদের এই কাজটা সাধারণ জনগণ দারুণভাবে গ্রহণ করেছে এবং সবাই...
রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে চলছে ট্রাফিক কার্যক্রম। সাধারণ মানুষ যেন কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং শহরে যাতে যানজট সৃষ্টি না হয় সেটাই আমাদের লক্ষ্য। কথাগুলি বললেন সাইম নামক এক শিক্ষার্থী। আজ সকালে মুজিব সড়কে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
তার মত অনেক শিক্ষার্থী এই দায়িত্বটি যথাযথভাবে পালন করছে। তাদের সাথে রয়েছে বিভিন্ন সংগঠন ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স আনসার ও ভিডিপির সদস্যবৃন্দ।
তবে এদিন খালি মাথায় দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায় তাকে। শিক্ষার্থীরা জানান এ ধরনের কাজটা তারা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন এবং কাজটা উপভোগ করছেন ।
শিক্ষার্থীরা জানান, তারা প্রথম দিন থেকেই পথচারীদের এবং সর্বস্তরের জনগণের রাস্তায় চলাচলের জন্য কাজ করে আসছেন। তারা বলেন, এখন ট্রাফিক পুলিশ নেই তাই বলে তো আর সাধারণ মানুষের চলাফেরা বন্ধ হতে পারে না। আর তাই তারা এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে যাচ্ছেন। এদিকে সাধারণ জনগণ ও তাদের এই কাজে উৎসাহ জোগাচ্ছেন। কেউ তাদের জন্য সকালের খাবার, পানি এসবের ব্যবস্থা করছেন। অন্যরা ব্যবস্থা করছেন দুপুরের খাবারের।
প্রথম দুইদিন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও রাজনৈতিক সংগঠন তাদের খাবার দিলেও বর্তমানে গত ২-৩ দিন সাধারণ জনগন তাদের মধ্য খাদ্য সামগ্রী দিচ্ছেন। সর্বোপরি বলে চলে তাদের এই কাজটা সাধারণ জনগণ দারুণভাবে গ্রহণ করেছে এবং সবাই তাদেরকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।