ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে ‘শ্মশান বন্ধু’ কানু সেন অনেকটাই সুস্থ Logo বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে Logo নরসিংদীর শিবপুরে ২৬ মামলার আসামিসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার Logo খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হবে আগামীকাল Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার Logo সকল রাজনৈক দল, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণী পেশার মানুষের সেবা করতে বিএনপি সরকার ওয়াদাবদ্ধ Logo সেনবাগে কাওমী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঈদ উপহার বিতরণ করলেন লায়ন শাহাদাত হোসেন Logo সিংড়ায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১০ Logo কুষ্টিয়ায় মাদক সেবনের টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084

রাজশাহীতে নারী শিক্ষকের হাতে বিএনপির একাধিক নেতা লাঞ্ছিত

আলিফ হোসেনঃ

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি কলেজের এক নারী শিক্ষকের হাতে স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী ও গন্যমান্য ব্যক্তি শারীরিকভাবে লাঞ্চিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দাওকান্দি সরকারি ডিগ্রি কলেজ চত্ত্বরে এই নজিরবিহীন ও কলঙ্কিত অধ্যায় রচিত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ ঘটনার জেরে বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে ওই নারী ও কলেজের অধ্যক্ষ আহত এবং পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

স্থানীয়রা জানান, আগামি ৪ ও ৫মে দাওকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিতব্য তাফসীরুল কুরআন মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে । বৃহস্পতিবার(২৪ এপ্রিল) সকালে তাফসির মাহফিলের দাওয়াতপত্র কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাককে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা সামাদসহ একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি অধ্যক্ষের কক্ষে প্রবেশ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই সময় অধ্যক্ষের কক্ষে একান্ত আলাপচারিতায় সময় কাটাচ্ছিলেন কথিত শিক্ষিকা আলেয়া খাতুন হীরা। হঠাৎ বহিরাগতদের প্রবেশে ক্ষিপ্ত হয়ে হীরা উপস্থিত ব্যক্তিদের ওপর চড়াও হন। সামাদ পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে অধ্যক্ষ সবাইকে বসার অনুরোধ জানান। এ সময় সেখানে অধ্যাপক বুলবুল ও মান্নানসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী সাহাদ আলী সেখানে উপস্থিত হলে হীরা উগ্র কণ্ঠে তাদের ‘চাঁদাবাজ’ বলে গালিগালাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে তিনি সাহাদ আলীর গালে চড় মারলে উপস্থিত সকলে হতভম্ব হয়ে যান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হীরা যখন উপস্থিত ব্যক্তিদের ওপর চড়াও হচ্ছিলেন, তখন অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক ও অধ্যাপক বুলবুল তাকে নিবৃত্ত না করে উল্টো উস্কানি দিচ্ছিলেন। তাদের প্রশ্রয়ে হীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আফাজ উদ্দিনকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেন। জয়নগর ইউনিয়ন (ইউপি) কৃষক দলের সভাপতি জয়নাল আবেদীন এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে হীরা তার ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং তার স্পর্শকাতর স্থানে গুরুতর আঘাত করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন। এছাড়া ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এসদার আলীকেও তিনি মারধর করেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং বিক্ষুব্ধ জনতা অধ্যক্ষ ও হীরাকে গণপিটুনি দেয়। বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানল থেকে বাঁচতে অধ্যক্ষ অভিনব কৌশলে পালিয়ে যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন।

আক্রান্ত মৎস্য ব্যবসায়ী সাহাদ আলী আক্ষেপ করে বলেন,“কলেজের পুকুর লিজের টাকা দিতে এসেছিলাম। কিন্তু ওই মহিলার ব্যবহারে আমি স্তব্ধ। তিনি আমার গায়ে হাত তুলেছেন এবং শার্টের পকেট থেকে পুকুর লিজের টাকা ছিনিয়ে নিয়েছেন।

স্থানীয় একাধিক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার সর্তে বলেন,আলেয়া খাতুন হীরা প্রকৃতপক্ষে কোনো শিক্ষক নন; তিনি কলেজের সাঁটলিপি মুদ্রাক্ষরিক হিসেবে কর্মরত। তবে রাজনৈতিক প্রভাব ও বড় বড় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আত্নীয়তার সম্পর্কের দোহাই দিয়ে তিনি কলেজের অলিখিত ‘অধ্যক্ষ’ হিসেবে খবরদারি করতেন। তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই তাকে লাঞ্ছিত হতে হতো।

 

এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর থেকে হীরা ও অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাকের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এবিষয়ে দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পঞ্চনন্দন সরকার জানান, সার্কেল এএসপি স্যারসহ উর্ধতন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি; অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান ওসি) পঞ্চনন্দন সরকার।

এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অরাজকতা ও রাজনৈতিক নেতাদের ওপর হামলার ঘটনা সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। দাওকান্দি ডিগ্রি কলেজের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় বিএনপির এক নেতা বলেন, এই কলেজে দীর্ঘসময় অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক মোজাম্মেল হক। শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে কলেজের জমি, গাছপালা বিক্রিসহ বিভিন্নখাতে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি করেছেন মোজাম্মেল হক। সেই সময়ের হিসাবের ফিরিস্তি বারবার চাইলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের দেননি। উল্টো আমাদেরকে ভয় ভীতি দেখান। এমনকি ঘটনার দিনে কলেজের শিক্ষক আলেয়া খাতুন হীরা প্রথমে আমাদের উপরে হামলা করে এবং কয়েকজন নেতাকর্মীকে চড়-থাপ্পড় মারেন। যার ফলশ্রুতিতে নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে অফিসের কিছু আসবাবপত্র ভাঙচুর করেছে।

 

এবিষয়ে জানতে চাইলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রদর্শক আলেয়া খাতুন হীরা বলেন, যারা এসেছিলেন, তারা মাহফিলের নামে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছিলেন। অধ্যক্ষকে রক্ষা করতে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে এবং তারা তাকে মারধর করেছে।


প্রিন্ট
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে পাখিপ্রেমী পুলিশ কনস্টেবল, অনন্য নজির

error: Content is protected !!

রাজশাহীতে নারী শিক্ষকের হাতে বিএনপির একাধিক নেতা লাঞ্ছিত

আপডেট টাইম : ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
আলিফ হোসেন, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

আলিফ হোসেনঃ

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি কলেজের এক নারী শিক্ষকের হাতে স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী ও গন্যমান্য ব্যক্তি শারীরিকভাবে লাঞ্চিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দাওকান্দি সরকারি ডিগ্রি কলেজ চত্ত্বরে এই নজিরবিহীন ও কলঙ্কিত অধ্যায় রচিত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ ঘটনার জেরে বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে ওই নারী ও কলেজের অধ্যক্ষ আহত এবং পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

স্থানীয়রা জানান, আগামি ৪ ও ৫মে দাওকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিতব্য তাফসীরুল কুরআন মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে । বৃহস্পতিবার(২৪ এপ্রিল) সকালে তাফসির মাহফিলের দাওয়াতপত্র কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাককে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা সামাদসহ একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি অধ্যক্ষের কক্ষে প্রবেশ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই সময় অধ্যক্ষের কক্ষে একান্ত আলাপচারিতায় সময় কাটাচ্ছিলেন কথিত শিক্ষিকা আলেয়া খাতুন হীরা। হঠাৎ বহিরাগতদের প্রবেশে ক্ষিপ্ত হয়ে হীরা উপস্থিত ব্যক্তিদের ওপর চড়াও হন। সামাদ পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে অধ্যক্ষ সবাইকে বসার অনুরোধ জানান। এ সময় সেখানে অধ্যাপক বুলবুল ও মান্নানসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী সাহাদ আলী সেখানে উপস্থিত হলে হীরা উগ্র কণ্ঠে তাদের ‘চাঁদাবাজ’ বলে গালিগালাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে তিনি সাহাদ আলীর গালে চড় মারলে উপস্থিত সকলে হতভম্ব হয়ে যান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হীরা যখন উপস্থিত ব্যক্তিদের ওপর চড়াও হচ্ছিলেন, তখন অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক ও অধ্যাপক বুলবুল তাকে নিবৃত্ত না করে উল্টো উস্কানি দিচ্ছিলেন। তাদের প্রশ্রয়ে হীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আফাজ উদ্দিনকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেন। জয়নগর ইউনিয়ন (ইউপি) কৃষক দলের সভাপতি জয়নাল আবেদীন এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে হীরা তার ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং তার স্পর্শকাতর স্থানে গুরুতর আঘাত করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন। এছাড়া ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এসদার আলীকেও তিনি মারধর করেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং বিক্ষুব্ধ জনতা অধ্যক্ষ ও হীরাকে গণপিটুনি দেয়। বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানল থেকে বাঁচতে অধ্যক্ষ অভিনব কৌশলে পালিয়ে যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন।

আক্রান্ত মৎস্য ব্যবসায়ী সাহাদ আলী আক্ষেপ করে বলেন,“কলেজের পুকুর লিজের টাকা দিতে এসেছিলাম। কিন্তু ওই মহিলার ব্যবহারে আমি স্তব্ধ। তিনি আমার গায়ে হাত তুলেছেন এবং শার্টের পকেট থেকে পুকুর লিজের টাকা ছিনিয়ে নিয়েছেন।

স্থানীয় একাধিক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার সর্তে বলেন,আলেয়া খাতুন হীরা প্রকৃতপক্ষে কোনো শিক্ষক নন; তিনি কলেজের সাঁটলিপি মুদ্রাক্ষরিক হিসেবে কর্মরত। তবে রাজনৈতিক প্রভাব ও বড় বড় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আত্নীয়তার সম্পর্কের দোহাই দিয়ে তিনি কলেজের অলিখিত ‘অধ্যক্ষ’ হিসেবে খবরদারি করতেন। তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই তাকে লাঞ্ছিত হতে হতো।

 

এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর থেকে হীরা ও অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাকের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এবিষয়ে দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পঞ্চনন্দন সরকার জানান, সার্কেল এএসপি স্যারসহ উর্ধতন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি; অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান ওসি) পঞ্চনন্দন সরকার।

এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অরাজকতা ও রাজনৈতিক নেতাদের ওপর হামলার ঘটনা সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। দাওকান্দি ডিগ্রি কলেজের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় বিএনপির এক নেতা বলেন, এই কলেজে দীর্ঘসময় অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক মোজাম্মেল হক। শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে কলেজের জমি, গাছপালা বিক্রিসহ বিভিন্নখাতে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি করেছেন মোজাম্মেল হক। সেই সময়ের হিসাবের ফিরিস্তি বারবার চাইলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের দেননি। উল্টো আমাদেরকে ভয় ভীতি দেখান। এমনকি ঘটনার দিনে কলেজের শিক্ষক আলেয়া খাতুন হীরা প্রথমে আমাদের উপরে হামলা করে এবং কয়েকজন নেতাকর্মীকে চড়-থাপ্পড় মারেন। যার ফলশ্রুতিতে নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে অফিসের কিছু আসবাবপত্র ভাঙচুর করেছে।

 

এবিষয়ে জানতে চাইলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রদর্শক আলেয়া খাতুন হীরা বলেন, যারা এসেছিলেন, তারা মাহফিলের নামে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করছিলেন। অধ্যক্ষকে রক্ষা করতে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে এবং তারা তাকে মারধর করেছে।


প্রিন্ট