ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

মাধবপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকে অনিয়মের অভিযোগ

মোঃ ইপাজ খাঁ:

 

মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পানিয়াপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিককে কেন্দ্র করে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে। শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে একাধিক প্রশ্ন তুলে ধরেন।

 

অভিযোগে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজ বাড়ির পাশেই কী কারণে পোস্টিং পেয়েছেন তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি রোগীদের কাছ থেকে সর্বনিম্ন ২০ টাকা না নিলে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেন না বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে অনেক সময় ১০টার পর ক্লিনিক চালু করেন এবং রোগীদের ডেকে আনতে হয় বলেও উল্লেখ করা হয়।

 

আরও অভিযোগে বলা হয়, দায়িত্ব পালনকালে তিনি নিজের বাসার ওষুধের প্রচার করেন এবং বিভিন্নভাবে রোগীদের সেগুলো কিনতে প্রলুব্ধ করেন। কোনো তরুণী রোগী এলে তিনি দীর্ঘ সময় গল্পে মেতে থাকেন, ফলে অন্যান্য রোগীদের অপেক্ষা করতে হয়। হঠাৎ পরিদর্শন করলে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও দাবি করেন অভিযোগকারী।

 

এছাড়া ক্লিনিকের বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়মিত চুরি হওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অথচ কর্মকর্তার বাড়ি খুব কাছেই হওয়ায় বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। চুরির ঘটনায় নিরীহ এলাকার যুবকদের জড়ানো হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ অবস্থায় এলাকার কিছু মানুষ ক্লিনিকে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগেও ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও তাকে বদলি করা হয়নি।

 

এক নারী জানান, তিনি ওষুধ নিতে গেলে তাকে কেবল এন্টাসিড দেওয়া হয়, অন্য কোনো ওষুধ নেই বলে জানানো হয়। তবে পরিচিত কেউ গেলে প্যাকেটভর্তি ওষুধ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে অন্যত্র বদলির দাবি জানিয়েছেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

মাধবপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
মোঃ ইপাজ খাঁ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :

মোঃ ইপাজ খাঁ:

 

মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পানিয়াপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিককে কেন্দ্র করে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে। শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে একাধিক প্রশ্ন তুলে ধরেন।

 

অভিযোগে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজ বাড়ির পাশেই কী কারণে পোস্টিং পেয়েছেন তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি রোগীদের কাছ থেকে সর্বনিম্ন ২০ টাকা না নিলে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেন না বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে অনেক সময় ১০টার পর ক্লিনিক চালু করেন এবং রোগীদের ডেকে আনতে হয় বলেও উল্লেখ করা হয়।

 

আরও অভিযোগে বলা হয়, দায়িত্ব পালনকালে তিনি নিজের বাসার ওষুধের প্রচার করেন এবং বিভিন্নভাবে রোগীদের সেগুলো কিনতে প্রলুব্ধ করেন। কোনো তরুণী রোগী এলে তিনি দীর্ঘ সময় গল্পে মেতে থাকেন, ফলে অন্যান্য রোগীদের অপেক্ষা করতে হয়। হঠাৎ পরিদর্শন করলে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও দাবি করেন অভিযোগকারী।

 

এছাড়া ক্লিনিকের বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়মিত চুরি হওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অথচ কর্মকর্তার বাড়ি খুব কাছেই হওয়ায় বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। চুরির ঘটনায় নিরীহ এলাকার যুবকদের জড়ানো হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ অবস্থায় এলাকার কিছু মানুষ ক্লিনিকে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগেও ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও তাকে বদলি করা হয়নি।

 

এক নারী জানান, তিনি ওষুধ নিতে গেলে তাকে কেবল এন্টাসিড দেওয়া হয়, অন্য কোনো ওষুধ নেই বলে জানানো হয়। তবে পরিচিত কেউ গেলে প্যাকেটভর্তি ওষুধ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে অন্যত্র বদলির দাবি জানিয়েছেন।