মাগুরাতে বদলি আদেশ পাওয়ার পর পেছনের তারিখে ফাইলপত্র ও ব্যাংক চেক স্বাক্ষরকালে ডিসির বাসভবন ঘেরাও
জেলা প্রশাসক মাগুরা, মোহাম্মদ আবু নাসের বেগে বদলি আদেশ পাওয়ার পর পেছনের তারিখে ফাইলপত্র ও ব্যাংক চেক স্বাক্ষর করে কোটি টাকা আত্মসাতের প্রচেষ্টার খবর পেয়ে মাগুরা জেলা প্রশাসকের বাসভবন ঘেরাও করেন জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বিক্ষুব্ধরা জেলা প্রশাসক আবু নাসের বেগের সরকারি ভবনে ঢুকে পরেন। সেখানে উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছ থেকে ফাইলপত্র কেড়ে নিলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। মাগুরায় দায়িত্বরত সেনাসদস্যরা বেলা আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। মাগুরা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, জেলা প্রশাসক ব্যাক ডেটে বরাদ্দপত্রসহ বিভিন্ন ফাইল এবং চেক স্বাক্ষর করছিলেন। আমরা সেটি প্রতিহত করার চেষ্টা করেছি। এদিকে খবর পেয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমেদ, বিএনপির সিনিয়র নেতা মনোয়ার হোসেন খানসহ আরও অনেক নেতা সেখানে উপস্থিত হন। তারা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ব্যাক ডেটের ফাইলপত্র ও চেক স্বাক্ষর না করতে অনুরোধ করেন। আরও পড়ুনঃ গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনীর উপর হামলার ঘটনায় ২ আ’লীগ নেতাসহ ১০৬ জনের নামে মামলা এ সময় বাসভবনে উপস্থিত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল কাদের বলেন, সরকারি টাকা একটি বৈধ প্রক্রিয়ায় ব্যয় করা হয়। এর বাইরে ব্যয় করার সুযোগ নেই। এখানে সেরকম আর্থিক কোনো লেনদেনও হচ্ছে না। বিক্ষুব্ধদের দাবি, নতুন জেলা প্রশাসক যোগদানের আগে কোনো চেক যাতে স্বাক্ষর কিংবা ইস্যু না...
জেলা প্রশাসক মাগুরা, মোহাম্মদ আবু নাসের বেগে বদলি আদেশ পাওয়ার পর পেছনের তারিখে ফাইলপত্র ও ব্যাংক চেক স্বাক্ষর করে কোটি টাকা আত্মসাতের প্রচেষ্টার খবর পেয়ে মাগুরা জেলা প্রশাসকের বাসভবন ঘেরাও করেন জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বিক্ষুব্ধরা জেলা প্রশাসক আবু নাসের বেগের সরকারি ভবনে ঢুকে পরেন। সেখানে উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছ থেকে ফাইলপত্র কেড়ে নিলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
মাগুরায় দায়িত্বরত সেনাসদস্যরা বেলা আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। মাগুরা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, জেলা প্রশাসক ব্যাক ডেটে বরাদ্দপত্রসহ বিভিন্ন ফাইল এবং চেক স্বাক্ষর করছিলেন। আমরা সেটি প্রতিহত করার চেষ্টা করেছি।
এদিকে খবর পেয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমেদ, বিএনপির সিনিয়র নেতা মনোয়ার হোসেন খানসহ আরও অনেক নেতা সেখানে উপস্থিত হন। তারা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ব্যাক ডেটের ফাইলপত্র ও চেক স্বাক্ষর না করতে অনুরোধ করেন।
এ সময় বাসভবনে উপস্থিত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল কাদের বলেন, সরকারি টাকা একটি বৈধ প্রক্রিয়ায় ব্যয় করা হয়। এর বাইরে ব্যয় করার সুযোগ নেই। এখানে সেরকম আর্থিক কোনো লেনদেনও হচ্ছে না। বিক্ষুব্ধদের দাবি, নতুন জেলা প্রশাসক যোগদানের আগে কোনো চেক যাতে স্বাক্ষর কিংবা ইস্যু না হয়। সে বিষয়টি আমরা দেখব।