ঢাকা , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ভেড়ামারায় মুখোশধারীরা ভাঙচুর করেছে আ:লীগ নেতার তিনটি বাড়ি

ইস্রাফিল হোসেন ইমন, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধিঃ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বিশ্বাস এর বাড়িসহ আরো তিনজনের বাড়ি ভাঙচুর করেছে একদল মুখোশধারী দুষ্কৃতিকারীরা।

 

এই ঘটনাটি ঘটে আজ ৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় শহর এলাকা ভেড়ামারা থানা থেকে প্রায় ৫০০ শ’ গজ দূরে।

 

এলাকাবাসী ও মাহাবুব আলম বিশ্বাসের সহধর্মিনী শাহিদা খাতুন জানান, আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় আমি বাড়ির বাহিরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ সময় মুখোশধারী একদল অপরিচিত দুষ্কৃতিকারীরা এসে মাহবুব আলম বিশ্বাসের বাড়ি খুঁজতে থাকে। জানতে পেরে আমি ভয়ে পালিয়ে যাই। পরে তারা অনুসন্ধান করে মাহাবুবু আলম বিশ্বাস এর বাড়ি খুজে বের করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। ঘরের মধ্যে থাকা এ সি, ফ্রিজ টিভি ও দামি আসবাবপত্র ভেঙ্গে লণ্ডভণ্ড করে চলে যায়। ভেড়ামারা থানায় খবর দিলে পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

 

এই ঘটনার সততা নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ শহিদুল ইসলাম। তিনি জানান খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে । সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চলে যাওয়ার সময় সঙ্ঘবদ্ধ দুষ্কৃতিকারীরা জহুরুল ইসলাম জুহা, মিলন ও একতিয়ারের বাড়ি ভাঙচুর করে।

 

মাহবুব আলম বিশ্বাসের স্ত্রী সাহিদা খাতুন আরো বলেন, আমার স্বামী মাহবুব আলম বিশ্বাস ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এমনটা হতে পারে । দুষ্কৃতিকারীদেরকে আমি চিনতে পারেনি । তবে চলে যাওয়ার সময় তারা জিয়ার সৈনিক বলে শ্লোগান দিয়ে চলে যায়।

 

মুহূর্তের মধ্যে এই ঘটনা শহরে ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে বিএনপির নেতা এডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম আলমসহ নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে জান এবং তারা বলেন আমাদের বিএনপি’র দলীয় কোন লোকজন এখানে আসে নাই বা মাহবুব আলম বিশ্বাসের সাথে আমাদের কোন বিরোধ বা প্রতিহিংসা নেই। তথাকথিত দুষ্কৃতিকারীরা বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে অপপ্রচার করার জন্য অন্যায় ভাবে বাড়ি ভাঙচুর করে স্লোগান দেয়। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।

 

আপনারা চিনতে পারলে বলেন আমরা ওই দুষ্কৃতিকারীদের প্রতিহত করবো। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

 

অত্র এলাকাবাসী জহরুল ইসলাম জোহা বলেন আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় মুখোশধারী বেশ কিছু দুষ্কৃতিকারীরা সে মাহবুব আলম বিশ্বাসের বাড়ি খুঁজতে থাকে। পরে তারা আমার বাড়ি ভাঙচুর করে, একতিয়ারের বাড়ি ভাঙচুর করে এবং তারপরে মাহবুব আলম বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে চলে যায় । তবে কি কারনে বাড়ি ভাঙচুর করা হয় তা বলতে পারবো না।

 

এহনো ঘটনায় এলাকার মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।

 

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ শহিদুল ইসলাম বলেন ,ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা থানায় লিখিত কোন অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে হামের প্রকোপে ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’

error: Content is protected !!

ভেড়ামারায় মুখোশধারীরা ভাঙচুর করেছে আ:লীগ নেতার তিনটি বাড়ি

আপডেট টাইম : ১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
ইস্রাফিল হোসেন ইমন, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি :

ইস্রাফিল হোসেন ইমন, ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধিঃ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম বিশ্বাস এর বাড়িসহ আরো তিনজনের বাড়ি ভাঙচুর করেছে একদল মুখোশধারী দুষ্কৃতিকারীরা।

 

এই ঘটনাটি ঘটে আজ ৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় শহর এলাকা ভেড়ামারা থানা থেকে প্রায় ৫০০ শ’ গজ দূরে।

 

এলাকাবাসী ও মাহাবুব আলম বিশ্বাসের সহধর্মিনী শাহিদা খাতুন জানান, আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় আমি বাড়ির বাহিরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ সময় মুখোশধারী একদল অপরিচিত দুষ্কৃতিকারীরা এসে মাহবুব আলম বিশ্বাসের বাড়ি খুঁজতে থাকে। জানতে পেরে আমি ভয়ে পালিয়ে যাই। পরে তারা অনুসন্ধান করে মাহাবুবু আলম বিশ্বাস এর বাড়ি খুজে বের করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। ঘরের মধ্যে থাকা এ সি, ফ্রিজ টিভি ও দামি আসবাবপত্র ভেঙ্গে লণ্ডভণ্ড করে চলে যায়। ভেড়ামারা থানায় খবর দিলে পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

 

এই ঘটনার সততা নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ শহিদুল ইসলাম। তিনি জানান খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে । সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চলে যাওয়ার সময় সঙ্ঘবদ্ধ দুষ্কৃতিকারীরা জহুরুল ইসলাম জুহা, মিলন ও একতিয়ারের বাড়ি ভাঙচুর করে।

 

মাহবুব আলম বিশ্বাসের স্ত্রী সাহিদা খাতুন আরো বলেন, আমার স্বামী মাহবুব আলম বিশ্বাস ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এমনটা হতে পারে । দুষ্কৃতিকারীদেরকে আমি চিনতে পারেনি । তবে চলে যাওয়ার সময় তারা জিয়ার সৈনিক বলে শ্লোগান দিয়ে চলে যায়।

 

মুহূর্তের মধ্যে এই ঘটনা শহরে ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে বিএনপির নেতা এডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম আলমসহ নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে জান এবং তারা বলেন আমাদের বিএনপি’র দলীয় কোন লোকজন এখানে আসে নাই বা মাহবুব আলম বিশ্বাসের সাথে আমাদের কোন বিরোধ বা প্রতিহিংসা নেই। তথাকথিত দুষ্কৃতিকারীরা বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে অপপ্রচার করার জন্য অন্যায় ভাবে বাড়ি ভাঙচুর করে স্লোগান দেয়। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।

 

আপনারা চিনতে পারলে বলেন আমরা ওই দুষ্কৃতিকারীদের প্রতিহত করবো। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

 

অত্র এলাকাবাসী জহরুল ইসলাম জোহা বলেন আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময় মুখোশধারী বেশ কিছু দুষ্কৃতিকারীরা সে মাহবুব আলম বিশ্বাসের বাড়ি খুঁজতে থাকে। পরে তারা আমার বাড়ি ভাঙচুর করে, একতিয়ারের বাড়ি ভাঙচুর করে এবং তারপরে মাহবুব আলম বিশ্বাসের বাড়িতে গিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে চলে যায় । তবে কি কারনে বাড়ি ভাঙচুর করা হয় তা বলতে পারবো না।

 

এহনো ঘটনায় এলাকার মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।

 

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ শহিদুল ইসলাম বলেন ,ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা থানায় লিখিত কোন অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।