ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ভেড়ামারাতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে অপরিপক্ব তরমুজ

তরমুজের মৌসুম শুরু হয় চৈত্রের শেষে ও বৈশাখের শুরুতে। অর্থাৎ এপ্রিল মাস থেকে জুন মাস পর্যন্ত তরমুজ পাওয়া যায়। কিন্তু বাজারে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে দেখা মিলছে তরমুজের। তবে সবচেয়ে বেশি তরমুজ বিক্রি শুরু হয় রমজান মাসের শুরু থেকে।

 

ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, এসব তরমুজ অপরিপক্ব। খাওয়ার অনুপোযোগী। বিক্রেতা বলছেন, এগুলো বারোমাসি তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে। মৌসুম শুরু হলে আবারও তরমুজ উঠবে। পরিপূর্ণ মৌসুম শুরু না হলেও রমজানে বেশি লাভের আশায় ব্যবসায়ীরা অপরিপক্ব তরমুজ মাঠ থেকে নিয়ে এসে বিক্রি করছেন। এসব ফলের রঙ ও স্বাদ অনেক কম। তারপরও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে রসালো ফলটি। এতে ক্রেতারাও অসন্তুষ্ট।

তরমুজ নিয়ে কয়েক বছর ধরে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে চলছে এক ধরনের অসন্তোষ। বিক্রেতারা পিস হিসাবে কিনে বিক্রি করছেন কেজি দরে। গত কয়েক বছরেও এ বিষয়ে তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি বাজার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ২০২১ সালে করোনা মহামারির সময় পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রির নির্দেশ দিয়েছিল প্রশাসন। এরপর আর তরমুজ নিয়ে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

ভেড়ামারা বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৫ থেকে ১০ কেজি পর্যন্ত ওজনের তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন বাজার, পাড়া ও মহল্লার মোড়ের দোকানে ছোট ও মাঝারি আকারের তরমুজ বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। গেল বছর ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এর আগের বছরও এরকম দামেই বিক্রি হয়েছিল।

 

 

বিক্রেতারা বলছেন, আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে পুরোদমে তরমুজের মৌসুম শুরু হবে। তখন দাম কিছুটা কমবে।  ফল বিক্রেতা আবুল হোসেন বলেন, আমাদের আড়ত থেকে কিনে আনতে হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। এখানে নিয়ে এসে ৫ টাকা লাভে আমরা তরমুজ বিক্রি করছি। মৌসুম শুরু হলে দাম কমে যাবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

ভেড়ামারাতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে অপরিপক্ব তরমুজ

আপডেট টাইম : ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪
ইসমাইল হোসেন বাবু, স্টাফ রিপোর্টার :

তরমুজের মৌসুম শুরু হয় চৈত্রের শেষে ও বৈশাখের শুরুতে। অর্থাৎ এপ্রিল মাস থেকে জুন মাস পর্যন্ত তরমুজ পাওয়া যায়। কিন্তু বাজারে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে দেখা মিলছে তরমুজের। তবে সবচেয়ে বেশি তরমুজ বিক্রি শুরু হয় রমজান মাসের শুরু থেকে।

 

ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, এসব তরমুজ অপরিপক্ব। খাওয়ার অনুপোযোগী। বিক্রেতা বলছেন, এগুলো বারোমাসি তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে। মৌসুম শুরু হলে আবারও তরমুজ উঠবে। পরিপূর্ণ মৌসুম শুরু না হলেও রমজানে বেশি লাভের আশায় ব্যবসায়ীরা অপরিপক্ব তরমুজ মাঠ থেকে নিয়ে এসে বিক্রি করছেন। এসব ফলের রঙ ও স্বাদ অনেক কম। তারপরও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে রসালো ফলটি। এতে ক্রেতারাও অসন্তুষ্ট।

তরমুজ নিয়ে কয়েক বছর ধরে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে চলছে এক ধরনের অসন্তোষ। বিক্রেতারা পিস হিসাবে কিনে বিক্রি করছেন কেজি দরে। গত কয়েক বছরেও এ বিষয়ে তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি বাজার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ২০২১ সালে করোনা মহামারির সময় পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রির নির্দেশ দিয়েছিল প্রশাসন। এরপর আর তরমুজ নিয়ে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

ভেড়ামারা বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৫ থেকে ১০ কেজি পর্যন্ত ওজনের তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন বাজার, পাড়া ও মহল্লার মোড়ের দোকানে ছোট ও মাঝারি আকারের তরমুজ বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। গেল বছর ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা। এর আগের বছরও এরকম দামেই বিক্রি হয়েছিল।

 

 

বিক্রেতারা বলছেন, আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে পুরোদমে তরমুজের মৌসুম শুরু হবে। তখন দাম কিছুটা কমবে।  ফল বিক্রেতা আবুল হোসেন বলেন, আমাদের আড়ত থেকে কিনে আনতে হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। এখানে নিয়ে এসে ৫ টাকা লাভে আমরা তরমুজ বিক্রি করছি। মৌসুম শুরু হলে দাম কমে যাবে।