দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আরিফুল ইসলাম জয়ঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই প্রসাধনী সামগ্রী ও বাসমতি চাল জব্দ করা হয়েছে। শনিবার ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল এএসপি) জনাব মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল উপজেলার সদর ইউনিয়নে মহিলা ডিগ্রি কলেজের পেছনে একটি ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় প্রায় ৩৫ প্রকারের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনী সামগ্রী এবং ৩০০ কেজি বাসমতি চাল জব্দ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একটি চোরাকারবারি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ওই বাসা ভাড়া নিয়ে ভারতীয় প্রসাধনী ও বাসমতি চাল মজুদ এবং বিপণন করে আসছিল। চক্রটি কুড়িগ্রাম সদরকে কেন্দ্র করে ভূরুঙ্গামারী থানার ভোটহাট ও কচাকাটা থানার মাদারগঞ্জ এবং নারায়ণপুর সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে এসব ভারতীয় পণ্য দেশে প্রবেশ করাতো। দীর্ঘদিনের নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিকের কাছ থেকে চোরাকারবারি চক্রের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ বিষয়ে সার্কেল এএসপি মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের আওতাধীন থানা এলাকাগুলোতে চোরাচালান ও মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
আরিফুল ইসলাম জয়ঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই প্রসাধনী সামগ্রী ও বাসমতি চাল জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল এএসপি) জনাব মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল উপজেলার সদর ইউনিয়নে মহিলা ডিগ্রি কলেজের পেছনে একটি ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় প্রায় ৩৫ প্রকারের বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্রসাধনী সামগ্রী এবং ৩০০ কেজি বাসমতি চাল জব্দ করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একটি চোরাকারবারি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ওই বাসা ভাড়া নিয়ে ভারতীয় প্রসাধনী ও বাসমতি চাল মজুদ এবং বিপণন করে আসছিল। চক্রটি কুড়িগ্রাম সদরকে কেন্দ্র করে ভূরুঙ্গামারী থানার ভোটহাট ও কচাকাটা থানার মাদারগঞ্জ এবং নারায়ণপুর সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে এসব ভারতীয় পণ্য দেশে প্রবেশ করাতো।
দীর্ঘদিনের নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিকের কাছ থেকে চোরাকারবারি চক্রের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে সার্কেল এএসপি মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের আওতাধীন থানা এলাকাগুলোতে চোরাচালান ও মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”