ঢাকা , সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

বোয়ালমারীর ৩২২ গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে মুজিববর্ষের উপহার 

ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মুজিববর্ষ উপলক্ষে দু্ই পর্বে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মোট ৩শ ২২টি টিনসেড পাকা ঘর। ১ম পর্বে প্রাপ্ত ১শ ৯২টি ঘরের মধ্যে ৯২টি ঘর ইতোমধ্যে ঘরগ্রহীতাদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ১শ ঘর হস্তান্তরের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
২য় পর্বে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘর উপহার হিসেবে পাচ্ছেন আরও ১শ ৩০ ভূমিহীন পরিবার। এগুলোর কাজও চলমান। অর্ধেকের বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ভূমি অফিসের সহযোগিতায় প্রকৃত ভূমিহীনদের চিহ্নিত করে কাজের মান ঠিক রেখে এসব ঘর নির্মিত হচ্ছে।
বুধবার (১২ মে) ওইসব ঘরের নির্মাণ কাজের গুণগত মান এবং বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এসব কথা জানান ইউএনও ঝোটন চন্দ।
মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বোয়ালমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে উপহার হিসেবে দ্বিতীয় দফায় প্রাপ্ত আরও ১শ ৩০টি ঘরের নির্মাণ কাজের অর্ধেকের বেশি সম্পন্ন হয়েছে।
নির্মাণ কাজ শেষে এসব ঘরে দ্রুততম সময়ে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং পল্লী বিদ্যুতের সংযোগের ব্যবস্থা করে উপকারভোগীদের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।
উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সরকারি খাসজমিতে হতদরিদ্র পরিবারের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে এসব সরকারি ঘর। যাদের থাকার জমি ও ঘর নেই তাদের পুনর্বাসনের জন্য এসব ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে দুই কক্ষ বিশিষ্ট বারান্দাসহ সেমিপাকা ঘর, রান্নাঘর ও বসত ঘরের সঙ্গে থাকছে টয়লেটও।
ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হলে গৃহহীনদের মধ্যে এ গুলো হস্তান্তর করা হবে। ঘরের নির্মাণ কাজের সার্বিক তদারিক করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারিয়া হক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ।
সরকারি ঘর পাওয়া শাহাদাত হোসেন বলেন, আমার কোন ঘর বাড়ি নাই, আমি আর আমার বউ রাস্তা ঝাড়– দেই। রাতে টয়লেটে থাকতাম। বোয়ালমারী ইউএনও ঝোটন চন্দ স্যার আমাগো ডাইকে শেখ হাসিনার দেয়া একটা পাকা ঘর দিছেইন। আমি জীবনেও ভাবি নাই এমন একটা ঘর পামু, এহন আর টয়লেটে থাহন লাগত না, আমি শেখ হাসিনার লাগি দুই হাত তুইল্লা দোয়া করি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ বলেন, ইতোমধ্যে প্রথম দফার ১শ ৯২টি ঘরের মধ্যে ৯২টি পরিবার তাদের ঘরে বসবাস করছেন। বাকি ১শ টি ঘর হস্তান্তরের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
এই প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেয়া ২য় পর্যায়ের ১শ ৩০টি ঘরের নির্মাণ কাজের অর্ধেকের বেশি সম্পন্ন হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করে তালিকাভূক্ত গৃহহীন ও ভূমিহীনদের মধ্যে ঘরগুলো হস্তান্তর করা হবে।
Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আদালতের নির্দেশের পরও বিরোধপূর্ণ বাড়িতে বসবাস

error: Content is protected !!

বোয়ালমারীর ৩২২ গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে মুজিববর্ষের উপহার 

আপডেট টাইম : ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মে ২০২১
বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ :
ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মুজিববর্ষ উপলক্ষে দু্ই পর্বে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মোট ৩শ ২২টি টিনসেড পাকা ঘর। ১ম পর্বে প্রাপ্ত ১শ ৯২টি ঘরের মধ্যে ৯২টি ঘর ইতোমধ্যে ঘরগ্রহীতাদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ১শ ঘর হস্তান্তরের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
২য় পর্বে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘর উপহার হিসেবে পাচ্ছেন আরও ১শ ৩০ ভূমিহীন পরিবার। এগুলোর কাজও চলমান। অর্ধেকের বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ভূমি অফিসের সহযোগিতায় প্রকৃত ভূমিহীনদের চিহ্নিত করে কাজের মান ঠিক রেখে এসব ঘর নির্মিত হচ্ছে।
বুধবার (১২ মে) ওইসব ঘরের নির্মাণ কাজের গুণগত মান এবং বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এসব কথা জানান ইউএনও ঝোটন চন্দ।
মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বোয়ালমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে উপহার হিসেবে দ্বিতীয় দফায় প্রাপ্ত আরও ১শ ৩০টি ঘরের নির্মাণ কাজের অর্ধেকের বেশি সম্পন্ন হয়েছে।
নির্মাণ কাজ শেষে এসব ঘরে দ্রুততম সময়ে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং পল্লী বিদ্যুতের সংযোগের ব্যবস্থা করে উপকারভোগীদের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।
উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সরকারি খাসজমিতে হতদরিদ্র পরিবারের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে এসব সরকারি ঘর। যাদের থাকার জমি ও ঘর নেই তাদের পুনর্বাসনের জন্য এসব ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে দুই কক্ষ বিশিষ্ট বারান্দাসহ সেমিপাকা ঘর, রান্নাঘর ও বসত ঘরের সঙ্গে থাকছে টয়লেটও।
ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হলে গৃহহীনদের মধ্যে এ গুলো হস্তান্তর করা হবে। ঘরের নির্মাণ কাজের সার্বিক তদারিক করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারিয়া হক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ।
সরকারি ঘর পাওয়া শাহাদাত হোসেন বলেন, আমার কোন ঘর বাড়ি নাই, আমি আর আমার বউ রাস্তা ঝাড়– দেই। রাতে টয়লেটে থাকতাম। বোয়ালমারী ইউএনও ঝোটন চন্দ স্যার আমাগো ডাইকে শেখ হাসিনার দেয়া একটা পাকা ঘর দিছেইন। আমি জীবনেও ভাবি নাই এমন একটা ঘর পামু, এহন আর টয়লেটে থাহন লাগত না, আমি শেখ হাসিনার লাগি দুই হাত তুইল্লা দোয়া করি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ বলেন, ইতোমধ্যে প্রথম দফার ১শ ৯২টি ঘরের মধ্যে ৯২টি পরিবার তাদের ঘরে বসবাস করছেন। বাকি ১শ টি ঘর হস্তান্তরের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
এই প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেয়া ২য় পর্যায়ের ১শ ৩০টি ঘরের নির্মাণ কাজের অর্ধেকের বেশি সম্পন্ন হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করে তালিকাভূক্ত গৃহহীন ও ভূমিহীনদের মধ্যে ঘরগুলো হস্তান্তর করা হবে।