ঢাকা , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

বাজারে এত ছেঁড়া নোট কেন?

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের আর্থিক লেনদেনের বাজারে বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে ছেঁড়া, ফাটা এবং অত্যন্ত মলিন নোটের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নিত্যদিনের কেনাকাটা থেকে শুরু করে ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে লেনদেন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষ এই সমস্যায় পড়ছেন। বিশেষ করে খুচরা বাজারে ছোট অঙ্কের কাগজের নোটগুলোর অবস্থা সবচেয়ে বেশি শোচনীয়। দোকানদার ও ক্রেতা উভয় পক্ষই এই পুরোনো নোট নিয়ে নানা জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন এবং অনেক সময় এই কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে বনিবনা ও কথা কাটাকাটিও তৈরি হচ্ছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর শাখা এবং এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলার পরও অনেক সময় গ্রাহকদের হাতে এই ধরনের জীর্ণশীর্ণ নোট চলে আসে। সাধারণ নিয়মানুযায়ী ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে নষ্ট বা ব্যবহারের অযোগ্য নোট বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়ে নতুন নোট সংগ্রহ করার কথা রয়েছে। তবে ব্যাংক কর্মকর্তাদের কারও কারও অনীহা এবং সঠিক সময়ে নোট বদলের প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে বাজারে এই সমস্যা দিন দিন আরও জটিল আকার ধারণ করছে। ফলে সাধারণ মানুষ নিজেদের প্রয়োজনেই এই নোটগুলো পুনরায় বাজারে চালিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

নোটের এই করুণ দশার পেছনে জনসাধারণের অসচেতনতাও একটি বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। অনেকেই টাকা ভাঁজ করার সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে টেপ লাগান, অতিরিক্ত রাবার ব্যান্ড ব্যবহার করেন কিংবা টাকা পকেটে রাখার সময় অসাবধানতা অবলম্বন করেন। এর ফলে কাগজগুলো খুব দ্রুত দুর্বল হয়ে ছিঁড়ে যায় বা নষ্ট হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কাগজের নোটের স্থায়িত্ব বাড়াতে এবং মুদ্রাবাজারের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।

বাজারের এই সংকট নিরসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে যৌথভাবে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ব্যাংক কাউন্টারে যেকোনো অবস্থাতেই যেন ছেঁড়া বা ময়লা নোট গ্রাহকদের দেওয়া না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে বাজারে থাকা সব ধরনের অনুপযোগী নোট দ্রুত প্রত্যাহার করে নতুন নোটের জোগান নিশ্চিত করা হলে সাধারণ মানুষের এই ভোগান্তি অনেকাংশেই লাঘব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

বাজারে এত ছেঁড়া নোট কেন?

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের আর্থিক লেনদেনের বাজারে বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে ছেঁড়া, ফাটা এবং অত্যন্ত মলিন নোটের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নিত্যদিনের কেনাকাটা থেকে শুরু করে ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে লেনদেন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষ এই সমস্যায় পড়ছেন। বিশেষ করে খুচরা বাজারে ছোট অঙ্কের কাগজের নোটগুলোর অবস্থা সবচেয়ে বেশি শোচনীয়। দোকানদার ও ক্রেতা উভয় পক্ষই এই পুরোনো নোট নিয়ে নানা জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন এবং অনেক সময় এই কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে বনিবনা ও কথা কাটাকাটিও তৈরি হচ্ছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর শাখা এবং এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলার পরও অনেক সময় গ্রাহকদের হাতে এই ধরনের জীর্ণশীর্ণ নোট চলে আসে। সাধারণ নিয়মানুযায়ী ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে নষ্ট বা ব্যবহারের অযোগ্য নোট বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়ে নতুন নোট সংগ্রহ করার কথা রয়েছে। তবে ব্যাংক কর্মকর্তাদের কারও কারও অনীহা এবং সঠিক সময়ে নোট বদলের প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে বাজারে এই সমস্যা দিন দিন আরও জটিল আকার ধারণ করছে। ফলে সাধারণ মানুষ নিজেদের প্রয়োজনেই এই নোটগুলো পুনরায় বাজারে চালিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

নোটের এই করুণ দশার পেছনে জনসাধারণের অসচেতনতাও একটি বড় কারণ হিসেবে কাজ করছে। অনেকেই টাকা ভাঁজ করার সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে টেপ লাগান, অতিরিক্ত রাবার ব্যান্ড ব্যবহার করেন কিংবা টাকা পকেটে রাখার সময় অসাবধানতা অবলম্বন করেন। এর ফলে কাগজগুলো খুব দ্রুত দুর্বল হয়ে ছিঁড়ে যায় বা নষ্ট হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কাগজের নোটের স্থায়িত্ব বাড়াতে এবং মুদ্রাবাজারের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।

বাজারের এই সংকট নিরসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে যৌথভাবে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ব্যাংক কাউন্টারে যেকোনো অবস্থাতেই যেন ছেঁড়া বা ময়লা নোট গ্রাহকদের দেওয়া না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে বাজারে থাকা সব ধরনের অনুপযোগী নোট দ্রুত প্রত্যাহার করে নতুন নোটের জোগান নিশ্চিত করা হলে সাধারণ মানুষের এই ভোগান্তি অনেকাংশেই লাঘব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।