আসাদুর রহমান হাবিবঃ
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উত্তোলনরত কয়লার স্তূপে দিনের পর দিন জ্বলছে আগুন, কর্তৃপক্ষের নেই কোন ভূমিকা।
রবিবার ৫ এপ্রিল সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উত্তোলনরত কয়লার স্তূপে আগুন লেগে দূষিত ধোঁয়া বের হচ্ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণসহ ধোঁয়া নিরসনে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মীরা।
এ বিষয়ে সিভিল ডিফেন্স স্টেশন কর্মীদের সাথে কথা বললে তাঁরা জানান, চৈত্রের খরায় কয়লার স্তূপের নিচ থেকে মূলত আগুনের সূত্রপাত ঘটে। যেই জায়গায় আগুনের সূত্রপাত হয়ে ধোঁয়া বের হচ্ছে, আমরা সেই জায়গাগুলোতে পানি দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছি। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা ধরে কাজ করেও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মীরা।
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উত্তোলনরত কয়লার স্তূপটি ফুলবাড়ী-পার্বতীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পার্শ্বে হওয়ায় কয়লার দূষিত ঝাঁজালো ধোঁয়ায় পথচারীদের শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে পথচারীদের সাথে কথা বললে তাঁরা জানান, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা উত্তোলন করে সড়কের পার্শ্বে রাখা হয়। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকায় প্রতিবছর খরা মৌসুমে কয়লায় আগুনের সূত্রপাত হয়ে দূষিত ধোঁয়া বের হয়, যা আমাদের সাধারণ পথচারীদের চলাচলে শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করে।
এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির জিএম (মাইনিং) জাফর সাদিকের সাথে কথা বললে তিনি জানান, উত্তোলনরত কয়লার মালিক পিডিবি, যা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের আওতায়। তাঁদের জ্বালানি সক্ষমতা কতটুকু এবং কিভাবে তাঁরা কয়লা সংরক্ষণ করে রাখবেন, সেটা তাঁদের বিষয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকায় কয়লার গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। গরমে আগুন লেগে দূষিত ধোঁয়া বের হচ্ছে, যার কারণে অনেক সময় সাধারণ মানুষের অভিযোগ আমাদের রিসিভ করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে নলেজ দিচ্ছি, কিন্তু তাঁরা কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না।
এ বিষয়ে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিকের সাথে তার মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন না।
প্রিন্ট

বাঘায় সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিতঃ উপস্থিতির হারে বালিকা এগিয়ে 
আসাদুর রহমান হাবিব, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি 


















