দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতীয় শিশু দিবসে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী
রবিবার (১৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে গোপালগঞ্জ এর টুঙ্গিপাড়ায় আসেন বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ১০ টায় হেলিকপ্টার যোগে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে পিতা মুজিবের সমাধীসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করেন। এরপর সকাল ১১টায় জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগদিয়ে প্রধান অতিথির ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভাষণ শেষে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার পুরস্কার প্রদান। অসচ্ছল, মেধাবী শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে আর্থিক অনুদান বিতরণের পাশাপাশি উপস্থিত শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে আনন্দ উল্লাস করেন। এসময় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রী সিমির হোসেন (রিমি) ও সচিব নাজমা মোবারেক প্রধানমন্ত্রীকে স্মারক উপহার প্রদান করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী দর্শকসারিতে বসে জাতীয় শিশু দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং শিশুদের সাথে ফটোসেশন এ অংশ নেন। পরে জাতির পিতার সমাধি প্রাঙ্গণে আয়োজিত বইমেলা ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আঁকা চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। জাতীয় এই দিবসটি উপলক্ষে দেশের সকল সরকারি,আধা-সরকারি,স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা সহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়ে থাকে। উল্লেখ্য শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মার্চ তদানীন্তন ফরিদপুর...
রবিবার (১৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে গোপালগঞ্জ এর টুঙ্গিপাড়ায় আসেন বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ১০ টায় হেলিকপ্টার যোগে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে পিতা মুজিবের সমাধীসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করেন। এরপর সকাল ১১টায় জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগদিয়ে প্রধান অতিথির ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ভাষণ শেষে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার পুরস্কার প্রদান। অসচ্ছল, মেধাবী শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে আর্থিক অনুদান বিতরণের পাশাপাশি উপস্থিত শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে আনন্দ উল্লাস করেন। এসময় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রী সিমির হোসেন (রিমি) ও সচিব নাজমা মোবারেক প্রধানমন্ত্রীকে স্মারক উপহার প্রদান করেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী দর্শকসারিতে বসে জাতীয় শিশু দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং শিশুদের সাথে ফটোসেশন এ অংশ নেন। পরে জাতির পিতার সমাধি প্রাঙ্গণে আয়োজিত বইমেলা ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আঁকা চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।
জাতীয় এই দিবসটি উপলক্ষে দেশের সকল সরকারি,আধা-সরকারি,স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা সহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়ে থাকে।
উল্লেখ্য শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মার্চ তদানীন্তন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমা, বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলার পাটগাতি ইউনিয়নের বাইগার নদী তীরবর্তী টুঙ্গিপাড়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
বাবা শেখ লুৎফর রহমান, মা সায়েরা খাতুন। চার কন্যা ও দুই পুত্রের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ছিলেন তৃতীয়। ডাক নাম ছিলো খোকা।