ফরিদপুরে শয়নকক্ষে গলাকাটা অবস্থায় পড়েছিল ময়না বেগম (৬৬) নামক এক বৃদ্ধা। তার স্বামীর নাম মৃত গেন্দু মল্লিক। জানা গেছে, ফরিদপুর শহরতলীর মাচ্চর ইউনিয়নের শিবরামপুরে বসবাস করতেন তিনি। তার ছেলে কোরবান মল্লিক জানান, গতকাল সোমবার দুপুর দুইটায় তার মা ময়না বেগম বিছানায় শুয়ে ছিলেন। সন্ধ্যার পূর্বে তিনি তার মাকে গলাকাটা অবস্থায় দেখতে পান এ সময় তিনি চিৎকার করলে তার স্ত্রী কণা বেগম সহ আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। এরপর ময়না বেগমকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়না বেগমের লাশ বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গ, ফরিদপুরে আছে। আরও পড়ুনঃ মধুমতী নদী থেকে অর্ধগলিত নারীর লাশ উদ্ধার সংবাদ পেয়ে কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তার লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতপূর্বক মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ ফরেনসিক বিভাগে প্রেরণ করেন। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
ফরিদপুরে শয়নকক্ষে গলাকাটা অবস্থায় পড়েছিল ময়না বেগম (৬৬) নামক এক বৃদ্ধা। তার স্বামীর নাম মৃত গেন্দু মল্লিক। জানা গেছে, ফরিদপুর শহরতলীর মাচ্চর ইউনিয়নের শিবরামপুরে বসবাস করতেন তিনি।
তার ছেলে কোরবান মল্লিক জানান, গতকাল সোমবার দুপুর দুইটায় তার মা ময়না বেগম বিছানায় শুয়ে ছিলেন। সন্ধ্যার পূর্বে তিনি তার মাকে গলাকাটা অবস্থায় দেখতে পান এ সময় তিনি চিৎকার করলে তার স্ত্রী কণা বেগম সহ আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। এরপর ময়না বেগমকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়না বেগমের লাশ বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গ, ফরিদপুরে আছে।
সংবাদ পেয়ে কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং তার লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতপূর্বক মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ ফরেনসিক বিভাগে প্রেরণ করেন। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।