ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ফরিদপুরে বিভিন্ন স্থানে এ.কে আজাদের পোস্টার ফেস্টুন ছিড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

ফরিদপুরের বেশ কয়েকটি স্থানে এফবিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি ও হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আওয়ামী লীগ নেতা এ. কে. আজাদের পোস্টার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় জিডি করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও উঠেছে নিন্দার ঝড়।

ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও ফরিদপুর সদর আসনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী এ.কে. আজাদের ভাগ্নে ফারুকুজ্জামান লিয়ন এ ব্যাপারে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মঙ্গলবার বিকেলে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

সেখানে উল্লেখ করা হয়, ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রিরচর, নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের ৬ এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং আলিয়াবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডসহ গেরদা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে  গত রাতে বিভিন্ন সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবিসহ ফরিদপুর -৩ আসনের সম্ভাব্য এমপি পদপ্রার্থী জনাব এ. কে. আজাদের ছবি সম্বলিত বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন কে বা কারা ছিড়ে ফেলে ও খুলে ফেলে দেয়।

ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রিরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টুর ধারণা ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু ফকিরের লোকজনই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ওই ইউনিয়নের সিএনবি ঘাট সংলগ্ন আইজউদ্দিন মাতব্বরের ডাংগী গ্রামের মনোয়ার হোসেন বলেন, কয়েকটি স্থান থেকে রাতের বেলা আবু ফকিরের লোকজন এ.কে আজাদের কয়েকটি ফেস্টুন খুলে নিয়ে যায়।

পার্শ্ববর্তী নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের গোলডাঙ্গীর বাসিন্দা আফসার হোসেন বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোফাজ্জেল হোসেনের ভাগ্নে রায়হান ও তার সহযোগীরা পোস্টারগুলো ছিড়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।

এব্যাপারে ফরিদপুর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নুসরাত রসুল তানিয়া বলেন, রাজনীতি মানে কি মানুষ কে অসম্মান করা? রাজনীতিতে গ্রুপিং থাকবেই কিন্তু কোন সম্মানিত ব্যক্তির ব্যানার ছেড়া বা নষ্ট করা কি কোন রাজনৈতিক শিস্টাচারের মধ্যে পড়ে ? এ. কে. আজাদ চাচাকে অসম্মানিত করার জন্য কিন্তু তারা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধুর ছবিও ছিড়ছেন ,তারা কিভাবে আওয়ামীলীগের সৈনিক হতে পারেন ? আমরা অনেক সময় অন্যের ক্ষতি করতে যেয়ে নিজের ক্ষতি করে ফেলি ।ফরিদপুরবাসী এতো বোকা না যে এ. কে. আজাদের ছবি দেখতে না পেরে তাকে

ভুলে যাবেন  । তিনি তার কাজের মাধ্যমে মানুষের মনে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন আজীবন ।

আওয়ামী মোটর শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি জামালউদ্দীন কানু বলেন,  যারা ফরিদপুরের গর্ব, কৃতি সন্তান  এ.কে আজাদ ভাইয়ের পোস্টার ব্যানার ছেড়া ছেড়ি করছেন, সাহস থাকলে সামনে দাঁড়িয়ে ছেড়েন। এই সকল  হামলাকারী ও পরের সম্পদ অনিষ্টকারী ব্যাক্তিদের ধিক্কার ও ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাই। আজাদ সাহেবের পোস্টারের সাথে জননেত্রী শেখ হাসিনার ছবি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ছবি ছেড়ার সাহস কোথায় পায় এরা। এদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী বাবস্থা গ্রহণ করার দাবি করছি। না হলে ফরিদপুরে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে আওয়ামী মোটর শ্রমিক লীগ ফরিদপুর জেলা শাখা।

 

 

এ ব্যাপারে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম এ জলিল সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আমাদের নলেজে আসার পর থেকে প্রত্যেকটি স্পটে পুলিশ পাঠানো হয়েছে । আমরা অপরাধীদেরকে স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ
error: Content is protected !!

ফরিদপুরে বিভিন্ন স্থানে এ.কে আজাদের পোস্টার ফেস্টুন ছিড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

আপডেট টাইম : ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০২৩
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি :

ফরিদপুরের বেশ কয়েকটি স্থানে এফবিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি ও হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আওয়ামী লীগ নেতা এ. কে. আজাদের পোস্টার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় জিডি করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও উঠেছে নিন্দার ঝড়।

ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও ফরিদপুর সদর আসনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী এ.কে. আজাদের ভাগ্নে ফারুকুজ্জামান লিয়ন এ ব্যাপারে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মঙ্গলবার বিকেলে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

সেখানে উল্লেখ করা হয়, ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রিরচর, নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের ৬ এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং আলিয়াবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডসহ গেরদা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে  গত রাতে বিভিন্ন সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবিসহ ফরিদপুর -৩ আসনের সম্ভাব্য এমপি পদপ্রার্থী জনাব এ. কে. আজাদের ছবি সম্বলিত বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন কে বা কারা ছিড়ে ফেলে ও খুলে ফেলে দেয়।

ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিক্রিরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান মিন্টুর ধারণা ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু ফকিরের লোকজনই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ওই ইউনিয়নের সিএনবি ঘাট সংলগ্ন আইজউদ্দিন মাতব্বরের ডাংগী গ্রামের মনোয়ার হোসেন বলেন, কয়েকটি স্থান থেকে রাতের বেলা আবু ফকিরের লোকজন এ.কে আজাদের কয়েকটি ফেস্টুন খুলে নিয়ে যায়।

পার্শ্ববর্তী নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের গোলডাঙ্গীর বাসিন্দা আফসার হোসেন বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোফাজ্জেল হোসেনের ভাগ্নে রায়হান ও তার সহযোগীরা পোস্টারগুলো ছিড়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।

এব্যাপারে ফরিদপুর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নুসরাত রসুল তানিয়া বলেন, রাজনীতি মানে কি মানুষ কে অসম্মান করা? রাজনীতিতে গ্রুপিং থাকবেই কিন্তু কোন সম্মানিত ব্যক্তির ব্যানার ছেড়া বা নষ্ট করা কি কোন রাজনৈতিক শিস্টাচারের মধ্যে পড়ে ? এ. কে. আজাদ চাচাকে অসম্মানিত করার জন্য কিন্তু তারা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধুর ছবিও ছিড়ছেন ,তারা কিভাবে আওয়ামীলীগের সৈনিক হতে পারেন ? আমরা অনেক সময় অন্যের ক্ষতি করতে যেয়ে নিজের ক্ষতি করে ফেলি ।ফরিদপুরবাসী এতো বোকা না যে এ. কে. আজাদের ছবি দেখতে না পেরে তাকে

ভুলে যাবেন  । তিনি তার কাজের মাধ্যমে মানুষের মনে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন আজীবন ।

আওয়ামী মোটর শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি জামালউদ্দীন কানু বলেন,  যারা ফরিদপুরের গর্ব, কৃতি সন্তান  এ.কে আজাদ ভাইয়ের পোস্টার ব্যানার ছেড়া ছেড়ি করছেন, সাহস থাকলে সামনে দাঁড়িয়ে ছেড়েন। এই সকল  হামলাকারী ও পরের সম্পদ অনিষ্টকারী ব্যাক্তিদের ধিক্কার ও ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাই। আজাদ সাহেবের পোস্টারের সাথে জননেত্রী শেখ হাসিনার ছবি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ছবি ছেড়ার সাহস কোথায় পায় এরা। এদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী বাবস্থা গ্রহণ করার দাবি করছি। না হলে ফরিদপুরে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে আওয়ামী মোটর শ্রমিক লীগ ফরিদপুর জেলা শাখা।

 

 

এ ব্যাপারে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম এ জলিল সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আমাদের নলেজে আসার পর থেকে প্রত্যেকটি স্পটে পুলিশ পাঠানো হয়েছে । আমরা অপরাধীদেরকে স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।