ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত রাশিয়া, তবে আমরা যুদ্ধ চাই না: পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর কোনো ইচ্ছে রাশিয়ার নেই বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপের পর তিনি এই অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে ইউরোপীয় ভূখণ্ডে কোনো ধরনের আগ্রাসন বা যুদ্ধ শুরু হলে তার কঠোর জবাব দিতে মস্কো সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমা বিশ্বের পক্ষ থেকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, তার জবাবে এই মন্তব্য করেন রুশ এই নেতা।

এর আগে ব্রিটিশ গণমাধ্যম টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন একই ধরনের মনোভাব প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে লড়াই করার কোনো পরিকল্পনা তাঁদের নেই। তবে ইউরোপের কোনো দেশ যদি নিজ থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পাল্টা জবাব দিতে ক্রেমলিন প্রস্তুত রয়েছে। রুশ নেতার মতে, রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হলে তা উভয় পক্ষের জন্যই মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে এবং এই যুদ্ধে কোনো পক্ষই জয়ী হতে পারবে না। তিনি ইউরোপীয় নেতাদের এই বিষয়টি সবসময় স্মরণে রাখার আহ্বান জানান।

কয়েকদিন আগে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাব এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্তোরের সঙ্গে রুশ রাষ্ট্রপতির ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপীয় নেতাদের আমন্ত্রণে এই আলাপটি সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে পুতিন জানান যে এই আলোচনা দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। ইউরোপের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের স্বার্থে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার প্রতিও নিজের জোরালো সমর্থনের কথা জানান তিনি।

এদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর কার্যক্রম নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে মস্কো। পুতিন বরাবরই ন্যাটোর পূর্বমুখী সম্প্রসারণকে বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে পশ্চিমা সামরিক উপস্থিতি কমানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। এর পাশাপাশি, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে ন্যাটোর সামরিক সক্ষমতা যাচাই করতে সীমান্তবর্তী দেশগুলোতে নানা ধরনের তৎপরতা চালাতে পারে রাশিয়া। তবে সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে রুশ প্রশাসন।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যটন মেলায় ভ্রমণে নানা ছাড়

error: Content is protected !!

ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত রাশিয়া, তবে আমরা যুদ্ধ চাই না: পুতিন

আপডেট টাইম : ৩০ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর কোনো ইচ্ছে রাশিয়ার নেই বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপের পর তিনি এই অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে ইউরোপীয় ভূখণ্ডে কোনো ধরনের আগ্রাসন বা যুদ্ধ শুরু হলে তার কঠোর জবাব দিতে মস্কো সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমা বিশ্বের পক্ষ থেকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, তার জবাবে এই মন্তব্য করেন রুশ এই নেতা।

এর আগে ব্রিটিশ গণমাধ্যম টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন একই ধরনের মনোভাব প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে লড়াই করার কোনো পরিকল্পনা তাঁদের নেই। তবে ইউরোপের কোনো দেশ যদি নিজ থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পাল্টা জবাব দিতে ক্রেমলিন প্রস্তুত রয়েছে। রুশ নেতার মতে, রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হলে তা উভয় পক্ষের জন্যই মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে এবং এই যুদ্ধে কোনো পক্ষই জয়ী হতে পারবে না। তিনি ইউরোপীয় নেতাদের এই বিষয়টি সবসময় স্মরণে রাখার আহ্বান জানান।

কয়েকদিন আগে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাব এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্তোরের সঙ্গে রুশ রাষ্ট্রপতির ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপীয় নেতাদের আমন্ত্রণে এই আলাপটি সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে পুতিন জানান যে এই আলোচনা দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। ইউরোপের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের স্বার্থে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার প্রতিও নিজের জোরালো সমর্থনের কথা জানান তিনি।

এদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর কার্যক্রম নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে মস্কো। পুতিন বরাবরই ন্যাটোর পূর্বমুখী সম্প্রসারণকে বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে পশ্চিমা সামরিক উপস্থিতি কমানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। এর পাশাপাশি, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে ন্যাটোর সামরিক সক্ষমতা যাচাই করতে সীমান্তবর্তী দেশগুলোতে নানা ধরনের তৎপরতা চালাতে পারে রাশিয়া। তবে সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে রুশ প্রশাসন।