ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

তুরস্কের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্কের ১০৩তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রমিস সেন সম্প্রতি গুলশানের হোটেল গ্র্যান্ড বলরুমে এই কূটনৈতিক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা এবং সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই জমকালো আয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নেয় এবং দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিনিধি দলে জামায়াতের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন যারা তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামায়াতের শীর্ষ নেতা ডা. শফিকুর রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানের উদ্দেশে একটি বিশেষ শুভেচ্ছাবাণী রাষ্ট্রদূত রমিস সেনের হাতে তুলে দেন। ওই শুভেচ্ছাবাণীতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তুরস্কের সরকার ও ভ্রাতৃত্বপ্রতীম জনগণকে প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়। রাষ্ট্রদূত আন্তরিকতার সঙ্গে এই শুভেচ্ছা বার্তা গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশের অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে জামায়াত নেতারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের কূটনৈতিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও বেশি সম্প্রসারিত হবে বলে তারা গভীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এই উপস্থিতি দুই দেশের কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করেছে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

হোগলাবুনিয়া থেকে উত্তর আমেরিকার তাসভির…

error: Content is protected !!

তুরস্কের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্কের ১০৩তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রমিস সেন সম্প্রতি গুলশানের হোটেল গ্র্যান্ড বলরুমে এই কূটনৈতিক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা এবং সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই জমকালো আয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নেয় এবং দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিনিধি দলে জামায়াতের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন যারা তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামায়াতের শীর্ষ নেতা ডা. শফিকুর রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানের উদ্দেশে একটি বিশেষ শুভেচ্ছাবাণী রাষ্ট্রদূত রমিস সেনের হাতে তুলে দেন। ওই শুভেচ্ছাবাণীতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তুরস্কের সরকার ও ভ্রাতৃত্বপ্রতীম জনগণকে প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়। রাষ্ট্রদূত আন্তরিকতার সঙ্গে এই শুভেচ্ছা বার্তা গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশের অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে জামায়াত নেতারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের কূটনৈতিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও বেশি সম্প্রসারিত হবে বলে তারা গভীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এই উপস্থিতি দুই দেশের কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করেছে।