ঢাকা , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের আগ্রাসন আড়াল করার চেষ্টা করছে জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের মানবাধিকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসন এবং অপরাধমূলক কার্যক্রম আড়াল করার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এমন মন্তব্য করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরানের মতে, জাতিসংঘ যে মানবাধিকার কাঠামোর মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করছে, তা মূলত পশ্চিমা শক্তির একতরফা নিষেধাজ্ঞা ও নৃশংসতা থেকে নজর সরিয়ে নেওয়ার একটি অপকৌশল মাত্র।

ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক মাই সাতোর কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ওই প্রতিবেদকের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর পেছনে যুক্তরাজ্যের প্রচ্ছন্ন কূটনৈতিক চাপ রয়েছে। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্র ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসনের দায় ইরানের ওপর চাপানোর একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র হিসেবে এই বিশেষ প্রতিবেদকের ভূমিকা ব্যবহৃত হচ্ছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সম্প্রতি মাই সাতোর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপিত হওয়ার পরই মূলত এই বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক অভিযান ইরানি নাগরিকদের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে। তবে একই প্রতিবেদনে এও দাবি করা হয় যে, আঞ্চলিক এই ভূরাজনৈতিক সংঘাতের সুযোগ নিয়ে তেহরান সরকার দেশের ভেতরে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনপীড়ন আরও জোরদার করেছে এবং ধরপাকড় ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।

মূলত বহির্বিশ্বের সামরিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ ভিন্নমত দমনের এই সমীকরণকে কেন্দ্র করেই জাতিসংঘ ও তেহরানের মধ্যকার কূটনৈতিক দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইরানের পক্ষ থেকে জাতিসংঘকে বারবার সতর্ক করে বলা হচ্ছে যে, বাস্তব পরিস্থিতি সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করে পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন তৈরি করা হলে তা বিশ্ববাসীর কাছে সংস্থার নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। আন্তর্জাতিক এই টানাপোড়েনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজারে এলপিজির বাড়তি দর, আবার দাম বাড়াতে তাড়াহুড়া

error: Content is protected !!

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের আগ্রাসন আড়াল করার চেষ্টা করছে জাতিসংঘ

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘের মানবাধিকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসন এবং অপরাধমূলক কার্যক্রম আড়াল করার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এমন মন্তব্য করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইরানের মতে, জাতিসংঘ যে মানবাধিকার কাঠামোর মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করছে, তা মূলত পশ্চিমা শক্তির একতরফা নিষেধাজ্ঞা ও নৃশংসতা থেকে নজর সরিয়ে নেওয়ার একটি অপকৌশল মাত্র।

ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক মাই সাতোর কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ওই প্রতিবেদকের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর পেছনে যুক্তরাজ্যের প্রচ্ছন্ন কূটনৈতিক চাপ রয়েছে। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্র ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসনের দায় ইরানের ওপর চাপানোর একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র হিসেবে এই বিশেষ প্রতিবেদকের ভূমিকা ব্যবহৃত হচ্ছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সম্প্রতি মাই সাতোর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপিত হওয়ার পরই মূলত এই বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক অভিযান ইরানি নাগরিকদের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে। তবে একই প্রতিবেদনে এও দাবি করা হয় যে, আঞ্চলিক এই ভূরাজনৈতিক সংঘাতের সুযোগ নিয়ে তেহরান সরকার দেশের ভেতরে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনপীড়ন আরও জোরদার করেছে এবং ধরপাকড় ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।

মূলত বহির্বিশ্বের সামরিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ ভিন্নমত দমনের এই সমীকরণকে কেন্দ্র করেই জাতিসংঘ ও তেহরানের মধ্যকার কূটনৈতিক দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইরানের পক্ষ থেকে জাতিসংঘকে বারবার সতর্ক করে বলা হচ্ছে যে, বাস্তব পরিস্থিতি সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করে পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন তৈরি করা হলে তা বিশ্ববাসীর কাছে সংস্থার নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। আন্তর্জাতিক এই টানাপোড়েনের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে।