আপডেট টাইম :
০২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল ২০২২
৩৯৯
বার পঠিত
ফরিদপুরে নানা আয়োজনে শ্রীঅঙ্গণ গণহত্যা দিবস পালিত
নানা আয়োজনে ফরিদপুরের শ্রী অঙ্গনে আট সাধু হত্যা দিবস পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ওই আট সাধুর স্মৃতি ফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সাধু সমাজ, শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটি, বিপ্লবী কর্ণেল তাহের মঞ্চ, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন সংগঠন। শ্রী অঙ্গনে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শহীদদের স্মরণ ও আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।এর আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সেদিনের কাহিনী সকলের সামনে তুলে ধরেন মুক্তিযোদ্ধা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা। আশরাফ উদ্দিন সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামি ও সাব-সেক্টর কমান্ডার নুর মোহাম্মদ ক্যাপ্টেন বাবুল। এসময় উপস্থিত শ্রীঅঙ্গণ প্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনারা বক্তব্য রাখেন। আরও পড়ুনঃ সালথায় কৃষকলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ২১ এপ্রিল প্রথম পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বহর নিয়ে প্রবেশ করে ফরিদপুরে। ফরিদপুর শহরে প্রবেশ মুখে শ্রী অঙ্গনে প্রথমে প্রবেশ করে সেখানে আট সাধুকে কীর্তণরত দেখতে পায়। এসময় তাদের থামতে বললেও সাধুরা হরিনাম কীর্তন বন্ধ না করায় গুলি করে হত্যা করা হয়। নিহত এই আট সাধু হলেন নিদেনবন্ধু, ক্ষিতিবন্ধু ব্রম্মচারী, গৌরবন্ধু ব্রম্মচারী, চির ব্রম্মচারী এবং রবিবন্ধু ব্রম্মচারী।
নানা আয়োজনে ফরিদপুরের শ্রী অঙ্গনে আট সাধু হত্যা দিবস পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ওই আট সাধুর স্মৃতি ফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সাধু সমাজ, শহীদ স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটি, বিপ্লবী কর্ণেল তাহের মঞ্চ, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন সংগঠন।
শ্রী অঙ্গনে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শহীদদের স্মরণ ও আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।এর আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সেদিনের কাহিনী সকলের সামনে তুলে ধরেন মুক্তিযোদ্ধা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা।
আশরাফ উদ্দিন সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামি ও সাব-সেক্টর কমান্ডার নুর মোহাম্মদ ক্যাপ্টেন বাবুল। এসময় উপস্থিত শ্রীঅঙ্গণ প্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনারা বক্তব্য রাখেন।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ২১ এপ্রিল প্রথম পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বহর নিয়ে প্রবেশ করে ফরিদপুরে। ফরিদপুর শহরে প্রবেশ মুখে শ্রী অঙ্গনে প্রথমে প্রবেশ করে সেখানে আট সাধুকে কীর্তণরত দেখতে পায়।
এসময় তাদের থামতে বললেও সাধুরা হরিনাম কীর্তন বন্ধ না করায় গুলি করে হত্যা করা হয়। নিহত এই আট সাধু হলেন নিদেনবন্ধু, ক্ষিতিবন্ধু ব্রম্মচারী, গৌরবন্ধু ব্রম্মচারী, চির ব্রম্মচারী এবং রবিবন্ধু ব্রম্মচারী।