দৈনিক সময়ের প্রত্যাশা পত্রিকার জন্য সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 9617 179084
আপডেট টাইম :
০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
২২৩
বার পঠিত
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে আট জন আহত হয়েছেন। বুধবার রাত আটটায় ফরিদপুরে ভাঙ্গা উপজেলার বাজার বাসস্টান্ডে হাসাম দিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর মাতবর এবং ভাঙ্গা পৌর কাউন্সিলর লিয়াকত হোসেনের দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।উক্ত সংঘর্ষে ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়। আহতদেরকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভর্তি করা হয়েছে। উক্ত সংঘর্ষে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ভাঙ্গা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জিয়ারুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এক পর্যায়ে পুলিশের ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানা যায়। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকাল ৪ টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের হাসামদিয়া মহল্লার কয়েক জন তরুণের সাথে ৮ নং ওয়ার্ডের হোগলাডাঙ্গী সদরদী মহল্লার কয়েক জন তরুণের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আরও পড়ুনঃ আন্দোলন-সংগ্রাম করে বিএনপির মস্তিষ্ক নষ্ট হয়ে গেছেঃ -হানিফ ভাঙ্গা উপজেলার হাসামদিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর মাতাব্বরের গ্রুপের সাথে ভাঙ্গা পৌর কাউন্সিলরের লিয়াকতের হোসেন গ্রুপের সাথে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জিয়ারুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়াও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে আট জন আহত হয়েছেন।
বুধবার রাত আটটায় ফরিদপুরে ভাঙ্গা উপজেলার বাজার বাসস্টান্ডে হাসাম দিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর মাতবর এবং ভাঙ্গা পৌর কাউন্সিলর লিয়াকত হোসেনের দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।উক্ত সংঘর্ষে ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়। আহতদেরকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভর্তি করা হয়েছে।
উক্ত সংঘর্ষে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ভাঙ্গা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জিয়ারুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এক পর্যায়ে পুলিশের ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানা যায়।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকাল ৪ টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের হাসামদিয়া মহল্লার কয়েক জন তরুণের সাথে ৮ নং ওয়ার্ডের হোগলাডাঙ্গী সদরদী মহল্লার কয়েক জন তরুণের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
ভাঙ্গা উপজেলার হাসামদিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর মাতাব্বরের গ্রুপের সাথে ভাঙ্গা পৌর কাউন্সিলরের লিয়াকতের হোসেন গ্রুপের সাথে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জিয়ারুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এছাড়াও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।