আপডেট টাইম :
০৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জানুয়ারী ২০২৩
২০১
বার পঠিত
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বই উৎসবের দ্বিতীয় দিন বই না পেয়ে ফিরে গেলেন শিক্ষার্থীরা
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় রূপাপাত বামনচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে বই উৎসবের দ্বিতীয় দিন সরকারি ছুটি না থাকা সত্ত্বেও স্কুল বন্ধ রাখায় নতুন বই নিতে আসা অনেক শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকদের ফিরে যায় । একই সাথে শিক্ষার্থীদের থেকে সেশন ফি, ভর্তি ফিসহ নগদ ৭০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থী ও অভিবাবকদের অভিযোগ টাকা না দিলে শিক্ষার্থীদের বই মিলছে না। এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু সাহিদ বলেন, বই উৎসবের প্রথম দিন (রবিবার) সকালে বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক মো. শাহজাহান মোল্যা স্কুলে এসে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বই দিয়ে স্কুল থেকে চলে যান। কিছুক্ষণ পরে সভাপতি সকলকে সাথে নিয়ে কিছু বই দিয়েছে।তবে আজ স্কুলের সকল কক্ষ তালা দেওয়া রয়েছে। যার কারনে কোন শিক্ষার্থীকে আজকে আমরা বই দিতে পারি নাই। এমনকি বরখাস্তকৃত প্রধান শিক্ষক এখনো আমাকে দায়িত্ব বুঝে দেন নাই। আরও পড়ুনঃ বোয়ালমারীতে চেক জালিয়াতি মামলায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী গ্রেফতার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, স্কুল বন্ধ রাখায় অনেক ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে এসে বই না পেয়ে ফিরে যাওয়ার খবর পেয়েছি। স্কুলে গিয়ে সবকিছুর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় রূপাপাত বামনচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে বই উৎসবের দ্বিতীয় দিন সরকারি ছুটি না থাকা সত্ত্বেও স্কুল বন্ধ রাখায় নতুন বই নিতে আসা অনেক শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকদের ফিরে যায় । একই সাথে শিক্ষার্থীদের থেকে সেশন ফি, ভর্তি ফিসহ নগদ ৭০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
শিক্ষার্থী ও অভিবাবকদের অভিযোগ টাকা না দিলে শিক্ষার্থীদের বই মিলছে না।
এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু সাহিদ বলেন, বই উৎসবের প্রথম দিন (রবিবার) সকালে বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক মো. শাহজাহান মোল্যা স্কুলে এসে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বই দিয়ে স্কুল থেকে চলে যান। কিছুক্ষণ পরে সভাপতি সকলকে সাথে নিয়ে কিছু বই দিয়েছে।তবে আজ স্কুলের সকল কক্ষ তালা দেওয়া রয়েছে। যার কারনে কোন শিক্ষার্থীকে আজকে আমরা বই দিতে পারি নাই। এমনকি বরখাস্তকৃত প্রধান শিক্ষক এখনো আমাকে দায়িত্ব বুঝে দেন নাই।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, স্কুল বন্ধ রাখায় অনেক ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে এসে বই না পেয়ে ফিরে যাওয়ার খবর পেয়েছি। স্কুলে গিয়ে সবকিছুর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।