ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরে গেল ৪ জন Logo ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা শিক্ষা অফিসের যৌথ পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo ১৫ বছর পর ভাঙ্গার কুমার নদে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচঃ লাখো মানুষের ঢল। Logo আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন Logo রায়ের পর বদলে গেল গোগ্রামের পাঁচ বছরের নির্বাচনী হিসাব Logo শতবর্ষী সরকারি খাল দখলমুক্তে অভিযান, মালামাল স্পট নিলামে Logo মধুখালী থানার এএসআই শরীফুলের সাফল্য, ৬২ হারানো মোবাইল উদ্ধার Logo বিদ্যুৎ সংকটে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোলার-আইপিএস দিলেন জিওন Logo নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, অস্ত্র-গুলাবারুদ ও ১৩৬ ককটেলসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত
প্রতিনিধি নিয়োগ
সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আপনি আপনার এলাকায় সাংবাদিকতা পেশায় আগ্রহী হলে যোগাযোগ করুন। Hotline- +880 1728311111

পোশাক শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার দাবি ছাত্র ফেডারেশন নেতার

নাগেশ্বরী উপজেলা প্রতিনিধি

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলো পোশাক শিল্প। কোটি মানুষের কর্মসংস্থান এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে এই খাতের অবদান অনস্বীকার্য।

অথচ যে শ্রমিকদের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমে এই শিল্প আজ বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তারাই আজ নিজেদের মৌলিক অধিকার ও ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার দাবি আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

সম্প্রতি পোশাক শ্রমিকদের এই ন্যায়সংগত আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, কুড়িগ্রাম জেলা শাখা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহবায়ক মো. সোহেল রানা। তিনি তার বক্তব্যে পোশাক শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের প্রতি জোরালো সংহতি প্রকাশ করেছেন।

তার এই অবস্থান প্রমাণ করে যে, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের এই লড়াইয়ে কেবল শ্রমিকরাই একা নন, বরং দেশের সচেতন ছাত্রসমাজ ও যুবসমাজও তাদের পাশে রয়েছে। শ্রমিকদের এই আন্দোলন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি বেঁচে থাকার আকুতি।

বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে একজন শ্রমিকের পক্ষে বর্তমান মজুরিতে পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছে। তাই পোশাক শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই খাতের দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা বজায় রাখা জরুরি।

মালিকপক্ষ, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল মহলের উচিত শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিগুলোকে আন্তরিকতার সাথে বিবেচনা করা এবং তাদের জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। অন্যথায়, অর্থনীতির এই মূল স্তম্ভটি নড়বড়ে হয়ে পড়ার শঙ্কা থেকেই যায়।

শ্রমিক বাঁচলে শিল্প বাঁচবে, আর শিল্প বাঁচলে বাঁচবে দেশ। তাই আসুন, পোশাক শ্রমিকদের এই যৌক্তিক ও ন্যায্য আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করি এবং তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করি।

Tag :
এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Ishtiaque Ahmed

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃন্দাবন কলেজ থেকে বহু গুণীজন তৈরি হয়েছেন: হুইপ গউছ

error: Content is protected !!

পোশাক শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার দাবি ছাত্র ফেডারেশন নেতার

আপডেট টাইম : ৪৪ মিনিট আগে
সময়ের প্রত্যাশা ডেস্ক : :

নাগেশ্বরী উপজেলা প্রতিনিধি

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলো পোশাক শিল্প। কোটি মানুষের কর্মসংস্থান এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে এই খাতের অবদান অনস্বীকার্য।

অথচ যে শ্রমিকদের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমে এই শিল্প আজ বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তারাই আজ নিজেদের মৌলিক অধিকার ও ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার দাবি আজ সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

সম্প্রতি পোশাক শ্রমিকদের এই ন্যায়সংগত আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, কুড়িগ্রাম জেলা শাখা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহবায়ক মো. সোহেল রানা। তিনি তার বক্তব্যে পোশাক শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের প্রতি জোরালো সংহতি প্রকাশ করেছেন।

তার এই অবস্থান প্রমাণ করে যে, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের এই লড়াইয়ে কেবল শ্রমিকরাই একা নন, বরং দেশের সচেতন ছাত্রসমাজ ও যুবসমাজও তাদের পাশে রয়েছে। শ্রমিকদের এই আন্দোলন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি বেঁচে থাকার আকুতি।

বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে একজন শ্রমিকের পক্ষে বর্তমান মজুরিতে পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছে। তাই পোশাক শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই খাতের দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা বজায় রাখা জরুরি।

মালিকপক্ষ, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল মহলের উচিত শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিগুলোকে আন্তরিকতার সাথে বিবেচনা করা এবং তাদের জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। অন্যথায়, অর্থনীতির এই মূল স্তম্ভটি নড়বড়ে হয়ে পড়ার শঙ্কা থেকেই যায়।

শ্রমিক বাঁচলে শিল্প বাঁচবে, আর শিল্প বাঁচলে বাঁচবে দেশ। তাই আসুন, পোশাক শ্রমিকদের এই যৌক্তিক ও ন্যায্য আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করি এবং তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করি।